বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ১২ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
ভারতের প্রধান বিচারপতির অভিশংসনের নোটিশ খারিজ 
প্রকাশ: ১০:০৫ am ২৪-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:০৫ am ২৪-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর বিরুদ্ধে আনা ‘অভিশংসনের’ নোটিশ খারিজ হয়ে গেল। ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু সোমবার সকালে এই সিদ্ধান্ত নেন। প্রধান বিচারপতিকে অপসারণের জন্য গত শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসনের নোটিশ জমা দিয়েছিল কংগ্রেসসহ মোট সাত বিরোধী দলের সদস্যরা।

এই প্রথম ভারতের সুপ্রিম কোর্টের কোনো প্রধান বিচারপতিকে অভিশংসন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাবের পক্ষে মোট ৭১ জন রাজ্যসভা সদস্যের সম্মতিসূচক সইও নেওয়া হয়েছিল। এক মাস আগে নেওয়া ওই উদ্যোগে সই করলেও ইতিমধ্যে সাতজন সদস্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে প্রস্তাবে পক্ষে ছিলেন ৬৪ জন সদস্য, প্রয়োজনের তুলনায় যা ১৪টি বেশি। গত শুক্রবার সেই নোটিশ জমা পড়ার পরদিন ভেঙ্কাইয়া নাইডু তেলেঙ্গানায় চলে যান। রবিবার সেখান থেকে দিল্লি ফিরে বিভিন্নজনের সঙ্গে আলোচনার পর সোমবার সকালে নোটিশটি তিনি খারিজ করে দেন।

যুক্তি হিসেবে উপরাষ্ট্রপতি বলেছেন, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো দেখানো হয়েছে, অভিশংসনের জন্য সেগুলো যথেষ্ট নয়। তিনি জানিয়েছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজ্ঞদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। তাঁদের মতামতও নিয়েছেন।

এর আগে রাজ্যসভায় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে গত শুক্রবার (২০ এপ্রিল) দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে অভিশংসনের নোটিশ জমা দিয়েছিল কংগ্রেসসহ মোট সাত বিরোধী দলের সদস্যরা। অভিযোগপত্রে ৬৪ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর ছিল।

এদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বে অভিশংসনের প্রস্তাব আনা দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- উপরাষ্ট্রপতির এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে সুপ্রিম কোর্টে তারা আপিল করবে।

ভারতে এই প্রথম সুপ্রিম কোর্টের কোনো প্রধান বিচারপতিকে অভিশংসনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাবের পক্ষে মোট ৭১ জন রাজ্যসভা সদস্যের সম্মতিসূচক সইও নেয়া হয়। এক মাস আগে নেয়া ওই উদ্যোগে সই করলেও ইতোমধ্যে সাতজন সদস্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে প্রস্তাবে পক্ষে ছিলেন ৬৪ জন সদস্য।

বিচারপতি অপসারণ ক্ষেত্রে ১৯৬৮ সালের ‘জাজেস (ইনকোয়ারি) আইন’ এ বলা হয়েছে, রাজ্যসভায় এমন নোটিশ জমা পড়লে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করে এবং অভিযোগের যথার্থতা বিবেচনা করে নোটিশটি গ্রহণ অথবা খারিজ করতে পারেন। নোটিশ খারিজ হলে আবেদনকারীদের কাছে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। কংগ্রেস যে তেমনই কিছু করবে, সেই ইঙ্গিত  রবিবারই দিয়ে রেখেছিলেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল।

অর্থমন্ত্রী আইনজীবী অরুণ জেটলি শুক্রবারই কংগ্রেসের এই উদ্যোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ আখ্যা দিয়েছিলেন। এত দ্রুত তা খারিজের মধ্য দিয়ে ভেঙ্কাইয়া নাইডুও সরকারি মনোভাবের প্রতিফলন ঘটালেন।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71