মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
মঙ্গলবার, ৭ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাল্পনিক শঙ্কার স্থান নেই: মোদি
প্রকাশ: ০৯:২৭ am ০৯-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ০৯:২৭ am ০৯-০৫-২০১৫
 
 
 


ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাল্পনিক শঙ্কার কোনো স্থান নেই বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র  মোদি। টাইম ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তিনি। 
গত ২ মে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার নেন টাইম ম্যাগাজিনের সম্পাদক ন্যান্সি গিবস, এশিয়া সম্পাদক জোহর আব্দুল করিম এবং এশিয়া ব্যুরো চিফ নিখিল কুমার। আজ (শুক্রবার) বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোদির এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।  
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘ভারতে সকল ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। তাদের সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাটা সরকারের দায়িত্ব এবং কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। কোনো জাতি কিংবা ধর্মের প্রতি বঞ্চনা আমার সরকার কিছুতেই সহ্য করবে না। সুতরাং এদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাল্পনিক শঙ্কার কোনো স্থান নেই।’ 
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ‘ধর্ম এবং বিশ্বাস এ দু’টোই সকলের ব্যক্তিগত বিষয়। সরকারের কাছে একটাই পবিত্র গ্রন্থ সেটা হল ভারতের সংবিধান।’
হিন্দুত্ববাদী এই নেতা হিন্দুত্ববাদ নিয়ে মোদি একে জীবনধারা বলে মন্তব্য করেছেন। তার কথায়, ‘আসলে আমরা যদি হিন্দুত্ববাদের সংজ্ঞা নিয়ে ভাবি তাহলে সুপ্রিম কোর্ট এ ব্যাপারে সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হিন্দুত্ববাদ কোনো ধর্ম নয়, এটা আসলে জীবনধারার নাম। এই আদর্শেই আমি আস্থা রেখেছি।’ 
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত এপ্রিলে কানাডা সফরে গিয়েও এভাবে হিন্দুত্ব নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।   
টাইম ম্যাগাজিনে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মোদি তার ধর্মীয় উদারতা বোঝাতে গিয়ে ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, সারা বিশ্বের মানুষ তার আত্মীয়। তিনি বলেন, ‘ধর্ম আমাদের শিখিয়েছে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। অর্থাৎ সারা পৃথিবীটাই একটা পরিবার। সকল ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের প্রতি সমান আচরণের শিক্ষা দেয় হিন্দু ধর্ম। আমার জীবনের চলার পথের মন্ত্র এটাই।’ 
সম্প্রতি, ‘ইউএস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়স  ফ্রিডম’ নামে মার্কিন সংস্থা ২০১৫ সালের বার্ষিক রিপোর্টে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাত বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জোর করে ধর্মান্তরকরণ বেড়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আরএসএস এবং বিশ্ব হিন্দুপরিষদের বিরুদ্ধে ‘ঘর ওয়াপসি’ কর্মসূচির সমালোচনা করা হয় রিপোর্টে। 
মার্কিন এই রিপোর্টকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ অবশ্য খারিজ করে দিয়ে বলেন, ‘মনে হচ্ছে ভারত এবং তার সংবিধান ও সমাজ সম্পর্কে সীমিত ধারণা, উপলব্ধি থেকে এ ধরণের অভিমত দেয়া হয়েছে। আমরা এ ধরণের রিপোর্ট মানছি না।’ 
এর আগে ভারত সফরে এসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভারতের সংবিধানের ধারা উল্লেখ করে সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। 
এ সবের পর সংখ্যালঘুদের নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনকে দেয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকারকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।    
 
 

রেডিও তেহরান

এইবেলা২৪.কম/এইচ আর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71