সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
মন্দির থেকে ফেরার পথে হিন্দু শিশুকে ধর্ষণ করল শুকুর আলী
প্রকাশ: ১২:০৪ pm ০৩-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ১২:০৪ pm ০৩-০৩-২০১৮
 
নীলফামারী প্রতিনিধি
 
 
 
 


শিশু বিকাশ কেন্দ্রের প্রথম শ্রেণীর ৭ বছরের এক হিন্দু শিশুকে ধর্ষণ করল  ৪৫ বছরের শুকুর আলী। সদর উপজেলার পলাশবাড়ি ইউনিয়নের সীমান্তপাড়া গ্রামের এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় শিশুকে প্রথমে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দিন রাত ১১টায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শিশুটি ওই গ্রামের দিনমজুর প্রদীপ চন্দ্র রায় ও ভানু রানী রায়ের শিশু সন্তান।

 ধর্ষক একই গ্রামের আব্দুল খালেকের ঘরজামাই শুকুর আলী (৪৫) এ ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। তবে পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গেলেও শুক্রবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্রেফতার করে পারেনি। এলাকাবাসী জানায়, শিশুটির বাবা ইটভাঁটিতে কাজ করতে কুমিল্লায় অবস্থান করছে। মা গ্রামের ক্ষেতখামারে কাজ করে। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের হোলি উৎসব। শিশু মেয়েটি দুপুরে পার্শ্ববর্তী হিন্দুপাড়া মন্দিরে যায় হোলি উৎসবে। দুপুরের পর প্রসাদ খেয়ে শিশু মেয়েটি বিকেলে বাড়ি ফিরছিল। এমন সময় শুকুর আলী শিশু মেয়েটিকে এক প্যাকেট বিস্কুট হাতে ধরিয়ে দিয়ে একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় পালিয়ে যায়। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলে মেয়েটির মা বাড়ি ফিরে আসে। মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে বড় ছেলেসহ খুঁজতে বের হয়। এ নিয়ে গ্রামে হৈচৈ পড়ে যায়। গ্রামবাসীও নেমে পড়ে খুঁজতে। এরপর মেয়েটিকে গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। সে সময় মেয়েটি এ ঘটনার জন্য শুকুর আলীর নাম জানায়।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর আহমেদ শাহ্ জানান, প্রাথমিক চিকিৎসায় মেয়েটিকে ধর্ষণ করার আলামত পাওয়া গেছে। মেয়েটির রক্তক্ষরণ বেশি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রচ


 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71