রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
মল্লিকা দাস’র পেটে তোয়ালে রেখে সেলাই
প্রকাশ: ০১:০৬ pm ২৬-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:০৭ pm ২৬-১১-২০১৭
 
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
 
 
 
 


হবিগঞ্জ শহরের প্রাইভেট ক্লিনিক চাঁদের হাসিতে এক গৃহবধূর পেটে তোয়ালে রেখে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিন মাস পর শুক্রবার বিকেলে অন্য একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করে তোয়ালেটি বের করা হয়েছে।

গৃহবধূর নাম মল্লিকা দাস (৩৮)। তিনি আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও গ্রামের সঞ্জীব সরকারের স্ত্রী। তাঁরা বর্তমানে জেলা শহরের শায়েস্তানগরের বাসিন্দা। প্রথমবার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার পর ধীরে ধীরে অসুস্থ হতে থাকেন তিনি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পেটের মধ্যে কিছু একটা রয়ে গেছে বলে ধরা পড়ে।

স্বামী সঞ্জীব বলেন, ‘২৩ আগস্ট স্ত্রীকে সিজার করানোর জন্য হবিগঞ্জ শহরের চাঁদের হাসি ক্লিনিকে নিয়ে যাই। কর্তৃপক্ষের নিয়মানুযায়ী ভর্তি করানো হয়। ওই দিনই চিকিৎসক এস কে ঘোষ সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন। একটি ছেলেসন্তান জন্ম নেয়।

বর্তমানে ওই শিশু ভালো আছে। কিন্তু, কয়েক দিন পর থেকে আমার স্ত্রী পেটের ভেতরে ব্যথা অনুভব করতে থাকে। দিন যত গড়ায়, ব্যথা তত বাড়তে থাকে। প্রচণ্ড ব্যথায় কয়েক দিন পর আবারও চাঁদের হাসিতে নিয়ে যাই তাকে। এ সময় চিকিৎসক বেশ কয়েকটি পরীক্ষা দেন। পরীক্ষায় পেটের ভেতরে কিছু রয়ে গেছে বলে ধারণা করা হয়। একপর্যায়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। শুক্রবার বিকেলে ডা. আবুল কালামের পরামর্শে আমার স্ত্রীকে শহরের সিনেমা হল এলাকার হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করানো হয়। একপর্যায়ে তার পেটের ভেতর থেকে একটি তোয়ালে বের করা হয়। ’

এদিকে, অস্ত্রোপচার শেষে পেটের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি তোয়ালে দেখে হতভম্ব হয়ে পড়ে তাঁর স্বজনরা। এ সময় নারীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। দু-একজন ক্ষোভও প্রকাশ করে। তারা এ ঘটনায় জড়িত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের শাস্তির দাবি জানায়।

অস্ত্রোপচারকারী ডা. এস কে ঘোষ বলেন, ‘এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। ভুলবশত হয়ে থাকতে পারে। ’ চাঁদের হাসির পরিচালক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘রোগীরা যে চিকিৎসককে পছন্দ করেন, তাঁকে কল দিয়ে এনে অস্ত্রোপচার করানো হয়। অস্ত্রোপচারের সময় কক্ষে চিকিৎসকরা থাকেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কেউ থাকেন না। তাই ক্লিনিকের কোনো অবহেলা নেই। ’

হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সুচিন্ত চৌধুরী বলেন, ‘কেউ আমাকে কিছু জানায়নি। সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ’

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71