বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
বুধবার, ১১ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
মহাভারত এর রচয়িতা বেদব্যাসের পরিচয়
প্রকাশ: ০৯:১২ pm ১৭-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:১৩ pm ১৭-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ব্যাসদেব হিন্দু পৌরাণিক কাহিনি মতে বশিষ্ঠের প্রপৌত্র, শক্তির পৌত্র, পরাশরের পুত্র শুকদেবের পিতা। 

ইনি হিন্দুধর্মের প্রাথমিক প্রত্যাদিষ্ট হিন্দুশাস্ত্র হিসেবে স্বীকৃত বেদের ব্যবহারিক-বিন্যাসকারী, পৌরাণিক মহাকাব্য মহাভারত, অষ্টাদশ মহাপুরাণ (ভাগবতপূরাণ সহ আরও ১৭) ও উপপুরাণ, বেদান্তদর্শন, প্রভৃতির সংকলক, সম্পাদক ও অবশেষে সমন্বায়ক এক জ্ঞানান্বেষী ঋষি। 

যমুনানদীতে খেয়া নৌকার ভিতর পরাশর মুনি সত্যবতীর সাথে মিলিত হলে, সত্যবতী গর্ভবতী হন। পরে যমুনা'র একটি দ্বীপে তাঁর জন্ম হয়। যমুনার দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন বলে তাঁর নাম হয় দ্বৈপায়ন। তাঁর গায়ের রং কালো ছিল বলে, পুরো নাম দাঁড়ায় কৃষ্ণ-দ্বৈপায়ন। তাঁর মাথায় কপিল বর্ণের জটা ছিল। তাঁর চোখ ছিল উজ্জ্বল ও মুখে পিঙ্গল বর্ণের দাড়ি ছিল। 

ইনি তপস্যাবলে মহর্ষিত্ব প্রাপ্ত হয়ে বেদকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন। এই কারণে ইনি বেদব্যাস বা 'ব্যাস' নামে পরিচিত হন। জন্মের পরপরই ইনি তাঁর মায়ের অনুমতি নিয়ে তপস্যার জন্য যাত্রা করেন। এঁর তপস্যার স্থান ছিল বদরিকাশ্রম। এই কারণে ইনি বাদরায়ণ নামেও পরিচিত ছিলেন।

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71