বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
মারা গেল নাবালিকা ধর্ষিতার সন্তান
প্রকাশ: ০১:০৩ pm ১২-০৯-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:০৩ pm ১২-০৯-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


অনেক চেষ্টার পরেও বাঁচানো গেল না নাবালিকা ধর্ষিতার সদ্যোজাত সন্তানকে । ৪৮ ঘণ্টার মাথায় মারা গেল মুম্বাইয়ের সেই নাবালিকা ধর্ষিতার সন্তান।

১৩ বছরের ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছিল তারই বাবার এক সহকর্মী। অস্বাভাবিক ভাবে মোটা হয়ে যাচ্ছে দেখে মেয়েকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় তার পরিবার। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আল্টা সোনোগ্রাফি করে দেখে ২৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সপ্তম শ্রেণির ওই কিশোরী। কিন্তু ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩(২)বি ধারা অনুযায়ী ভ্রূণের বয়স ২০ সপ্তাহ হয়ে গেলে আর গর্ভপাত করানো যায় না। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই নাবালিকার পরিবার।

শেষমেশ আবেদনকারীর ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়ে ৩২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ৬ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, অবিলম্বে গর্ভপাত করানো হোক নাবালিকার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, ১৩ বছরের একটি নাবালিকার এই অবস্থায় গর্ভপাত করানো কতটা নিরাপদ তা নিয়েও।

চিকিৎসকদের একাংশ জানান, আট মাসের ভ্রুণ প্রায় পরিণত। গর্ভপাত করালে মায়ের প্রাণেরও ঝুঁকি থেকে যাবে অনেকটাই। অনেকের মত ছিল, গর্ভপাতের পাশাপাশি ঝুঁকি রয়েছে প্রসবেও। এরপরই মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট দেখে সুপ্রিম কোর্টের কথা মতো, ‘টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি’ বা গর্ভাবস্থা শেষ করার পথ বেছে নেন চিকিৎসকেরা। সেই মতোই শুক্রবার মুম্বাইয়ের একটি সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয় ওই কিশোরীর। একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে।  জন্মানোর পরেই শিশুটিকে নিওনেটাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, শরীরের অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গই ঠিক মতো তৈরি হয়নি শিশুটির।

রবিবার থেকে তার অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। অক্সিজেন সহায়তা থেকে সরিয়ে তাকে ভেন্টিলেশনেও রাখা হয়, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। রবিবারই মৃত্যু হয় ওই সদ্যোজাতের। নাবালিকা-মা এখনও চিকিৎসাধীন। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পরেই তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে।

নি এম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71