বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ২৯শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
জেএমবির হাতে মার্কিন সেনা ব্যবহৃত ‘এমকে-১১ স্নাইপার’
প্রকাশ: ০৪:৩৯ pm ২৮-১২-২০১৫ হালনাগাদ: ০৪:৩৯ pm ২৮-১২-২০১৫
 
 
 


এইবেলা ডেস্কঃ শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর একটি জঙ্গী আস্তানা থেকে মার্কিন সেনারা ব্যবহার করে এমন একটি ‘এমকে-১১ স্নাইপার’ উদ্ধারের পর জেএমবির পিছনে মার্কিন মদদ থাকতে পারে বলে একটি খবর ছাপিয়েছে কলকাতা টুয়েন্টিফোর সেভেন নামের পশ্চিম বঙ্গের একটি জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা।

বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টিকারী জেএমবি’র অন্তরালে মার্কিন মদত রয়েছে কিনা এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পত্রিকাটি৷ কারণ, মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত ‘এমকে-১১ স্নাইপার’ রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়েছে জেএমবি’র গোপন আস্তানা থেকে৷ চট্টগ্রাম এলাকা থেকে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রটি উদ্ধার হওয়ার পরই বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্তাদের কপালে ভাঁজ পড়েছে বলেও মন্তব্য করেছে পত্রিকাটি।



এইবেলার পাঠকদের জন্য পুরো রিপোর্টটি তুলে ধরা হলঃ

বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টিকারী জেএমবি’র অন্তরালে কি মার্কিন মদত রয়েছে? এই প্রশ্ন এখন সারাদেশ জুড়েই৷ কারণ, মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত ‘এমকে-১১ স্নাইপার’ রাইফেল মিলল জেএমবি’র গোপন ডেরা থেকে৷ চট্টগ্রাম এলাকা থেকে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রটি উদ্ধার হওয়ার পরই দেশের প্রশাসনিক কর্তাদের কপালে ভাঁজ পড়েছে৷

বিস্মিত বাংলাদেশ প্রশাসন! মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত আমেরিকার তৈরি ‘এমকে-১১ স্নাইপার’ নামের অত্যাধুনিক অস্ত্রটি চট্টগ্রামে জেএমবির গোপন আস্তানায় কি করে পৌঁছেছে? পুলিশ কর্মকর্তারা আরো বিস্মিত এইজন্য যে, জঙ্গিদমনে পুলিশ সদর দপ্তরের গোপন নির্দেশনা কী করে জেএমবির ঘাঁটিতে পাওয়া গেল!


পুলিশদের দাবি যে ‘এমকে-১১ স্নাইপার “ নামে অত্যাধুনিক রাইফেলটি এর আগে বাংলাদেশে উদ্ধার হয়নি এবং ব্যবহারও হয়নি। এ অস্ত্রটি দিয়ে এক থেকে দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নির্দিষ্ট বস্তুকে টার্গেট করা সম্ভব। আর এই অস্ত্রটি আমেরিকার সৈন্যরাই ব্যবহার করে।


নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) বাবুল আক্তার বলেছেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে যে আমেরিকার সৈন্যরা পাকিস্তানে আল কায়দার প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার সময় এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিরল এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রটি বাংলাদেশের জঙ্গিদের হাতে চলে এসেছে। এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আতঙ্কের বিষয়।’


এ ছাড়া হাটহাজারীর আমানবাজারের হাজি ইছহাক ম্যানশন নামে একটি দোতলা ভবন থেকে অভিযান চালিয়ে যেসব গোপন নথিপত্র পেয়েছে, তাতে জঙ্গি সদস্যদের ছিনতাইয়ের ঘটনার পর পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জারি করা একটি স্পর্শকাতর গোপন নির্দেশনাও রয়েছে। এসব নথিপত্র জঙ্গিদের কাছে কীভাবে পৌঁছল, তা নিয়ে হতবাক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


রবিবার মধ্যরাতে চালানো অভিযানে জেএমবির আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি এমকে-১১ স্নাইপার রাইফেল, ২৫০ রাউন্ড গুলি, দুই কেজি জেল এক্সপ্লোসিভ, ১০টি ডেটোনেটর, বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, ১৪টি সামরিক পোশাক, নেমপ্লেট ও ব্যাচ, র‌্যাংক এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন নথিপত্র । অভিযানে জেএমবির তিনজন সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।


পুলিশ বলেছে, আমানবাজার এলাকায় যে বাসায় অভিযান চালানো হয় ওই বাসাটি ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেএমবির সামরিক কমান্ডার ফারদিনের আস্তানা এবং বোমা তৈরির কারখানা। আটক ৩ জন জেএমবি সদস্যকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, জেএমবি বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছিল।

এইবেলা/এএস/ এস জি
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71