মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯
মঙ্গলবার, ৭ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
মৃত্যুর দুয়ারে ছিলেন সেরেনা
প্রকাশ: ০৮:২৫ pm ২২-০২-২০১৮ হালনাগাদ: ০৮:২৫ pm ২২-০২-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


মেয়েকে গর্ভে নিয়ে জেতেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। সেই মেয়ের জন্মের সময়ই কিনা মৃত্যুর দুয়ারে চলে গিয়েছিলেন কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস। সিএনএনে লেখা নিজের কলামে ভয়ংকর সেই অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন ২৩ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই তারকা। অনুভব করেছেন শিশু জন্ম দেওয়ার সময় একজন গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসাসেবা উন্নত হওয়া উচিত কতটা। গত সেপ্টেম্বরে অ্যালেক্সিস অলিম্পিয়া ওহানিয়ানের জন্মের পর নিজের বেঁচে থাকাটাকেই সৌভাগ্য মনে হচ্ছে সেরেনার, ‘অলিম্পিয়ার জন্মের পর প্রায় মৃত্যুর দুয়ারে চলে গিয়েছিলাম আমি। তার পরও বেঁচে থাকাটাকে মনে হচ্ছে সৌভাগ্যের।’

আসলে কী হয়েছিল অলিম্পিয়ার জন্মের সময়? উন্মুক্ত যুগে সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্লাম জেতা সেরেনা লিখেছেন, ‘ভেবেছিলাম সহজ প্রসব হতে যাচ্ছে। তবে হঠাৎ করে ওর হার্টের স্পন্দন কমে যায়, এ জন্য সিজার করাতে হয়েছে জরুরি সি-স্যাকসনে। অস্ত্রোপচারে ঝামেলা হয়নি কোনো। এটা জানার আগেই অলিম্পিয়াকে দেখি নিজের বাহুডোরে। এর চেয়ে সুখের অনুভূতি আর কখনো হয়নি আমার।’ সব ঠিকঠাক ছিল। তবে ২৪ ঘণ্টা না পেরোতে শরীর খারাপ হতে থাকে সেরেনার। কারণ তাঁর শরীরের রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা। এ জন্য ২০১১ সালেও বসেছিলেন মরতে।

সেবার মিউনিখের এক রেস্টুরেন্টে পা কাটার পর রক্ত জমাট বেঁধে চলে গিয়েছিলেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। চিকিৎসা নিয়েছিলেন ১২ মাসের মতো। সেই অভিজ্ঞতা থেকে মেয়ে জন্মের পর নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে দেখে সঙ্গে সঙ্গে জানান নার্সদের। তাঁরাও দেরি না করে আরো একবার নিয়ে যান অস্ত্রোপচার কক্ষে। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে সেরেনার তলপেটে পান বড় একটা ‘হেমাটোমা’। রক্ত জমাট বেঁধে ফুলে গিয়েছিল সেটা। অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় ছিল না তাই।

সেই অভিজ্ঞতাটা সেরেনার কাছে দুঃস্বপ্নের মতো, ‘নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে দেখে জানাই নার্সদের। রক্ত জমাট বাঁধা রোগের জন্য সামান্যতম ঝুঁকি নিতে চাইনি। এমনিতে সিজারের সময় প্রচণ্ড কাশিতে হয়েছিল বড় রকমের ঝামেলা। এবার ডাক্তাররা পরীক্ষা করে তলপেটে পান বড় এক হেমাটোমা। রক্ত জমাট বেঁধে ফুলে কাণ্ডের মতো হয়ে গিয়েছিল সেটা। মৃত্যুভয় পেয়ে বসে আমাকে। অস্ত্রোপচার হলো আরেকবার। এরপর বাড়িতে ফিরে ছয় সপ্তাহ কাটাই বিছানায়। দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে দিনগুলো। এখন বেঁচে আছি অভিজ্ঞ ডাক্তার আর নার্সদের সেবায়। হাসপাতালের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে তাঁরা পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ না করলে আজ হয়তো বেঁচে থাকতাম না। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ আমি।’ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্বব্যাপী গর্ভবতী মেয়েদের স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগের প্রতি একাত্মতা জানিয়ে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার। মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে গত মাসে কোর্টেও নেমেছেন সেরেনা উইলিয়ামস। যুক্তরাষ্টের হয়ে খেলেন ফেড কাপে। এবার অপেক্ষা গ্র্যান্ড স্লামে ফেরার। 

নি এম/
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71