রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
মোবাইল স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতির কারণ
প্রকাশ: ০৯:৪৪ am ১২-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৪৪ am ১২-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


অনেকেই দিনের বড় একটি সময় মোবাইল ফোনে কাটান, কিন্তু খুব কম মানুষই ভাবেন বা জানেন না যে এগুলো তার শরীর বা স্বাস্থ্যের ওপর কতটা প্রভাব ফেলছে। মোবাইল থেকে যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে বা তা থেকে যে বিকিরণ আসে, তা শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর? ফোনের লেডের কারণে কি টিউমার হতে পারে? এসব থেকে বাঁচার কি কোনো উপায় আছে? গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি।

যতটুকু আমরা জানি, মোবাইল ফোন রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের ভিত্তিতে কাজ করে যা স্বল্প ক্ষমতার বিকিরণ ব্যবহার করে। এক্সরে, আলট্রা ভায়োলেট বা গামা বিকিরণে যা ব্যবহূত হয়, এটি তারচেয়ে অনেক কম ক্ষমতার। তবে এটিও মানব শরীরে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। আমাদের চারপাশে এরকম অসংখ্য বিকিরণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেমন এফএম বেতারের তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ আর বাতির বিকিরণ। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়ত ব্রেন টিউমার বা মাথা বা গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে একটি মাইক্রোওয়েভ যেভাবে কাজ করে, সেভাবে এরকম বেতার তরঙ্গ মানুষের শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে। যদিও মোবাইল ফোনের বিকিরণের মাত্রা খুবই কম এবং এটা শরীরের কোষকে কতটা উষ্ণ করতে পারে, তা পরিষ্কার নয়, কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগাম সতর্কতা হিসেবে ফোনের কাছাকাছি কম আসাই ভালো।

সবচেয়ে বেশি আর কম বিকিরণ ছড়ানো মোবাইল ফোন: বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করেছেন, কোন ফোন থেকে কি মাত্রায় বিকিরণ ঘটছে? তারা একটি মাত্রাও নির্ধারণ করেছেন যে, একজন মানুষ তার শরীরে কতটা বিকিরণ গ্রহণ করতে পারে। মোবাইল ফোনের কোম্পানি বা উত্পাদক ভেদে একেকটি ফোনের বিকিরণের মাত্রা কম-বেশি হয়। ফোনের বক্সের কাগজপত্রে বা অনলাইনে এসব তথ্য থাকলেও, খুব কম গ্রাহকই সেগুলো পড়ে দেখেন। নতুন আর পুরনো ফোন মিলিয়ে বিকিরণ ছড়ানোর মাত্রার একটি তালিকা করেছে জার্মানির ফেডারেল অফিস অব রেডিয়েশন প্রোটেকশন। এই তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ানো ফোনের তালিকায় রয়েছে ওয়ান প্লাস আর হুয়াওয়ে। এরপরেই রয়েছে নকিয়ার ৬৩০ ফোন।

আইফোন ৭ রয়েছে তালিকার ১০ নম্বরে, আইফোন ৮ রয়েছে তালিকার ১২ নম্বরে আর আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে ১৫ নম্বরে। সনি এক্সপেরিয়া জেডএক্সওয়ান কমপ্যাক্ট রয়েছে তালিকার ১১ নম্বরে, ব্লাকবেরি ডিটিইকে৬০ রয়েছে ১৪ নম্বরে। যদিও বৈশ্বিক ভাবে ফোনের বিকিরণের নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই, তবে জার্মানিতে এজন্য মানদণ্ড হচ্ছে প্রতি কেজিতে ০.৬০ ওয়াট। তালিকায় থাকা সব ফোনেই বিকিরণের মাত্রা এর দ্বিগুণ। ওয়ান প্লাস ৫টিতে এই মাত্রা ১.৬৮ ওয়াট।

সবচেয়ে কম বিকিরণ ছড়ায় সনি এক্স পেরিয়া এম৫। এরপরেই রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৮, এস৬ এজ, গুগল পিক্সেল এস্কএল, স্যামসাং এস৮ আর এস৭এজ। আপনার মোবাইল ফোনের বিকিরণ মাত্রা জানার জন্য সঙ্গের ম্যানুয়াল পড়তে পারেন, কোম্পানির ওয়েবসাইটে যেতে পারেন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢু মারতে পারেন।

ফোনে অ্যান্টেনার কাছে সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ায়। আধুনিক ফোনগুলোয় ফোনের ভেতরে পেছনে এই অ্যান্টেনা বসানো থাকে। বেশিরভাগ মানুষ ফোন ব্যবহার করার সময় অ্যান্টেনা মাথার উল্টোদিকে থাকে। কিন্তু মাথার যত কাছে এর অ্যান্টেনা থাকে, ততই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। ধারণা করা হয়, মোবাইল ফোনের কাছাকাছি শরীরের যেসব কোষ থাকে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর দূরের কোষ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71