শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯
শনিবার, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
ময়মনসিংহে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান : র‌্যাব
প্রকাশ: ০৩:০০ pm ২৯-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৩:০০ pm ২৯-১১-২০১৭
 
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
 
 
 
 


ময়মনসিংহ শহরের আকুয়া মিলনবাগ এলাকার একটি বাসায় অস্ত্র তৈরির মিনি কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবী করেছে র‌্যাব।
 
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্রসহ সোহেল (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

র‌্যাবের দাবী, সেখান থেকে চারটি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলি, চারটি ম্যাগাজিন, আটটি চাকু, চারটি হাতুড়ি, একটি চায়নিজ কুড়াল, তিনটি প্লাস, দুটি ড্র্রিল মেশিন, কাটার, শাইন, একটি বাইশ এবং অস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত যুবক সোহেল অস্ত্রতৈরির কারিগর বলেও র‌্যাব দাবী করেছে। 

র‌্যাব-১৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শরীফুল ইসলাম র‌্যাব অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রাত সোয়া একটার দিকে ময়মনসিংহ শহরের নাসিরাবাদ কলেজ মাঠের পাশে মুরগির ব্যবসায়ি মঈনউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির একচালা বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান মোস্তফা স্বপনের নেতৃত্বে বাড়িটি ঘিরে ফেলে র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রসীরা বাড়ির ভেতর থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় র‌্যাবের হাতে ফুলবাড়িয়া উপজেলার দামরস্কুল ঘর গ্রামের মো: হাবিবেব ছেলে মো: সোহেল ধরা পড়ে। তবে বাড়ির মালিকের ছেলে নুরুদ্দিন পালিয়ে গেছে।

তিনি জানান, বাসার ঘরটি দরজা-জানালাবিহীন এবং একমাত্র প্রবেশ পথটি সরু ও সঙ্কীর্ণ। বিশেষভাবে তৈরি করা ওই বাড়ির ভিতরের কক্ষটির চৌকির ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চারটি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলি, চারটি ম্যাগাজিন, দু’টি তলোয়ার, দু’টি লম্বা ছুরি, পাঁচটি চাকু, চারটি হাতুড়ি, একটি চায়নিজ কুড়াল, তিনটি প্লাস, দুটি ড্র্রিল মেশিন, কাটার, শাইন, একটি বাইশ এবং অস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জাম। উদ্ধার করা সরঞ্জামের সাথে মাদক সেবনের সরঞ্জামও পাওয়া গেছে। ওই কক্ষটি আধুনিক মডেলের পিস্তল তৈরির ‘মিনি কারখানা’ বলা যায় বলেও দাবি করেন তিনি।
 
র‌্যাব অধিনায়ক আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মইনুদ্দিনের বাসায় অস্ত্র তৈরি ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্নস্থানে তৈরি করা অস্ত্র বিক্রয়ের কথা স্বীকার করেছে সোহেল। পলাতক নুরুদ্দিন মাদক ব্যবসায়ি ও অস্ত্র তৈরির কারিগর। সোহেল তার একান্ত সহযোগি হিসেবে কাজ করতো। অভিযানের সময় নুরুদ্দিনের সহযোগি আকাশ (২২) ও রাজু (২০) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। নুরুদ্দিনের নামে কোতোয়ালী মডেল থানায় খুন ও ডাকাতিসহ ১১টি মামলার আসামি। সোহেল একই থানার সনি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরো অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। এদের সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা জানান।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71