বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা মাঘ ১৪২৫
 
 
রমজান হত্যা মামলায় তিন আসামীর যাবজ্জীবন
প্রকাশ: ০৪:১৬ pm ০৯-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৪:১৬ pm ০৯-০৮-২০১৭
 
 
 


নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় মুক্তিপণের দাবিতে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র শিশু রমজান সিকদার (৮)কে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত লাশ গুমের অভিযোগে প্রত্যেক আসামীকে ৭ বছর করে কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছে।

তবে দুটি রায় একই সাথে কার্যকর করা হবে। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মিয়াজী শহীদুল আলম চৌধুরীর আদালতে আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার ধামনা ধনকুশা গ্রামের মৃত নেয়ামত আলীর ছেলে হামিদুল হক (৩০), তার বোন আফরোজা (২৫) ও ফুফাতো ভাই নকলা রামাইসা গ্রামের লাক্কর মিয়ার ছেলে মো: রিপন (৩২)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকার ইসমাঈল হোসেনের ছেলে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র রমজান সিকদারকে ভাড়াটিয়া হামিদুল হক, রিপন ও আফরোজা কৌশলে শেরপুর জেলার নখলা এলাকায় অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তারা মুঠোফোনে রমজান সিকদারের বাবা ইসমাঈল হোসেনের কাছে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু মুক্তিপণের দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় আসামীরা রমজান সিকদারকে গলাটিপে হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলে।

এই ঘটানায় শিশু রমজান সিকদারের মা বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে ওই আসামীদের গ্রেফতার করে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চাপা ঝুড়ি সেতু এলাকা থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ ৩ আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন। মামলায় আদালতে ডাক্তার, নার্স, ম্যাজিষ্ট্রেটসহ মোট ২৪ জনকে সাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত তিন আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করে।

রাষ্টপক্ষের আইনজীবি সহকারি পিপি আব্দুর রহিম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আসামীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত তিন আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন।’

তবে নিহত রমজান সিকদারের মা মর্জিনা বেগম রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে বলেন, ‘আমার নিম্পাপ ছেলেকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের ফাঁসি চেয়েছিলাম।

আরডি/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71