মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯
মঙ্গলবার, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
রাঙ্গামাটিতে মৌসুমী ফলের বাম্পার ফলন
প্রকাশ: ০২:২৮ pm ১৬-০৬-২০১৫ হালনাগাদ: ০২:২৮ pm ১৬-০৬-২০১৫
 
 
 


রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :
রাঙ্গামাটিতে এবছর মৌসুমী ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাহাড়ে এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় মৌসুমী ফলের উৎপাদন হয়েছে অনেক। রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিশেষ করে কলা,আনারস, কাঁঠাল, লিচু ও আম ভালো হয়েছে। এসব উৎপাদিত ফসল রাঙ্গামাটি বাজারের চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরে চট্টগ্রাম ও ঢাকা নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
পাহাড়ের মাটি ফল চাষের জন্য উপযুক্ত হওয়ায় দিন দিন কৃষকরা বিভিন্ন জাতের ফলমূল আবাদে ঝুঁকে পড়ছেন। এবার পহাড়ের আবহাওয়া ভালো থাকায় আনারস, কাঠাল,আম,লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ফলের ভালো ফলন হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলায় এসব ফল ক্যামিক্যালমুক্ত থাকায় স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে জেলার বাইরে।
পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে উৎপাদিত লিচু, আনারস, কাঁঠাল, আম, কলাসহ বিভিন্ন ফসল কৃষকরা ইঞ্জিন চালিত বোটে করে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন বাজারে এনে বিক্রি করেন। এদিকে শহরে ঘুরে দেখা যায়, সমতাঘাট, তবলছড়ি, পৌর ট্রাক টার্মিনাল এবং রির্জাভ বাজারে নিয়ে আসা ফসলগুলো পাইকারী ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে ট্রাক যোগে জেলার বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। রাঙ্গামাটি বাজারে আসা কয়েক জন কৃষক জানিয়েছেন গত বছরের তুলনায় এবছর ফলন ভালো হয়েছে এবং তারা ভালো দামও পাচ্ছে। তারা আরো জানন, প্রতি বছর মৌসুমীর এমন দিনে কাপ্তাই হ্রদের পানি অতিরিক্ত হারে কমে যাওয়ার কারনে যাতায়াতের অনেক সমস্য হয় এবং তাদের উৎপাদিত ফসলগুলো সঠিক সময়ে বাজার জাত করতে না পারায় বেশির ভাগ ফসল বাগানেই নষ্ট হয়ে যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রাঙ্গামাটি এর উপ-পরিচালক রমুন কান্তি চাকমা জানিয়েছেন, পার্বত্য এলাকা ফলের জন্য এমনিতে উপযোগী এলাকা। এ বছর মৌসুমী ফলের ফলন গত বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে।
উপ-পরিচালক আরো জানিয়েছে, আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে এবছর ফলন গত বছরের তুলনায় বেশ ভাল হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলায় এবছর আম ৩২ হাজার ৯০৩ মেট্রিক টন, কাঠাল ১ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন, লিচু ১৩ হাজার ৬৭৩ মেট্রিক টন ও আনারস ৪৯ হাজার ৭৬২ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। এদিকে কৃষকরা জানান, সঠিক সময়ে কৃষকদের ঋণ, প্রশিক্ষণ ও সার সহায়তা দিলে মৌসুমী ফল উৎপাদনে কৃষকরা আরও বেশী উৎসাহিত হতো। তারা আরো জানান, তিন পার্বত্য জেলায় কোন হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর প্রচুর ফল মাঠেই নষ্ট হয়ে যায়। এই নষ্ট হওয়া থেকে রেহাই পেতে সরকারের কাছে হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছে কৃষকরা। এ ব্যাপারে উপর মহলের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং অত্রাঞ্চলে হিমাগার স্থাপন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কৃষি অধিদফতর রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক হারুনুর রশিদ।
সুত্র : বাসস
এইবেলা ডট কম/এইচ আর
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71