শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
রাজশাহীতে ৪ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে
প্রকাশ: ১০:০৫ pm ২৮-০৮-২০১৬ হালনাগাদ: ১০:০৫ pm ২৮-০৮-২০১৬
 
 
 


রাজশাহী থেকে:: ফারাক্কার গেট খুলে দেয়ায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর উপর। এক সপ্তাহ আগেও রাজশাহীর নদী ও খাল, বিলে তেমন বন্যার পানি দেখা না গেলেও গত কয়েকদিনের ব্যাবধানে নদ-নদী, খাল, বিল, বন্যার পানিতে টুইটুম্বুর হয়ে গেছে। হাজার হাজার বিঘার ফসল পানির নিচে তোলিয়ে গেছে। এতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। একই সাথে শতশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শহর রক্ষা বাঁধ ব্যাপক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি প্রতিদিন বাড়ছেই। বর্তমান পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার চার সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী গোলাম মোর্তজা জানান,গত দুদিন ব্যাপাবভাবে পানি বৃদ্ধি পেলেও রোববার তেমন বৃদ্ধি পায়নি। ফারাক্কার গেট খুলে দেয়ার কারণে রাজশাহীর পদ্মার পানি প্রায় বিপদসীমার কাছাকাছি এসে পৌছে। আর মাত্র চার সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেলে বিপদসীমা সমান হবে। হয়তো দুই একদিনের মধ্যে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি আসার সম্ভবনা রয়েছে। তিনি জানান, বন্যার পানিতে ইতিমধ্যে রাজশাহীর নি¤œা ল তোলিয়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ফল ফসলের সাথে বন্যার পানিতে ভেসে গেছে মৎসজীবীদের পুকুর। অনেক এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে জায়গা নিয়েছে। তবে সহসাই পদ্মার পানি কমেছে না বলেও ধারণা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

এদিকে নতুন করে বন্যা দেখা দেয়ার রাজশাহীতে প্রায় ৪হাজার হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তোলিয়ে গেছে। তবে কৃষি অফিসের হিসাবের চেয়ে বেশি জমির ফসল পানির নিচে নিমজ্জিত রয়েছে বলে দাবি করছেন কৃষকরা। বিশেষ করে শাক সবজিসহ নিচু উচু জমির ফসলের উপর এখন টলমল করছে পানি। এতে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। মৎসজীবীদের শতশত পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছে মৎসচাষিরা।

রাজশাহী কৃষি অফিসের সূত্র মতে, বন্যায় রাজশাহীর চার উপজেলায় বেশি ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে পদ্মা তীরবর্তি গোদাগাড়ী, পবা, চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় ক্ষতির পরিমান বেশি। গোদাগাড়ীতেই সাড়ে ১২শ’ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে নিমজ্জিত রয়েছে। এছাড়াও বাঘা, চারঘাট ও পবা উপজেলায় কৃষকের বিভিন্ন ধরনের ফসলের জমির উপর এখন পানি টলমল করছে। একই সাথে রাজশাহীর চর এলাকার লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ে বাধে বা উচু জায়গায় স্থান করে নিয়েছে। এদিকে বানভাসিদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি কেউ। জেলা প্রশাসনের পক্ষে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে বানভাসিরা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। বানভাসিরা নিজেদের চেষ্টায় শহর ও এর আশপাশে নিরাপদ আশ্রয় নিলেও তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেউ। রাজনৈতিক, সামাজিক বা কোন এনজিওর পক্ষে এখন পর্যন্ত তাদের খাবার ওষুধ বা প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করা হয়নি। এতে মানবেতর জীবন যাপন করছে বানভাসি বাসবাসি পরিবারগুলো।

 

এইবেলা ডটকম/অরুন/এজেডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71