বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ১২ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
রাজাপুরে ৪৬ বছরেও অরক্ষিত ৭ বধ্যভূমি
প্রকাশ: ০৭:৫৮ pm ২২-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৭:৫৮ pm ২২-১১-২০১৭
 
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
 
 
 
 


১৯৭১ সালের ২৩ নভেম্বর বরিশাল বিভাগের ৯ নং সেক্টরের মধ্যে ঝালকাঠির রাজাপুর থানা সর্বপ্রথম পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৬ বছর অতিবাহিত হলেও রাজাপুর উপজেলার যুদ্ধকালীন স্মৃতি বিজরিত ২টি বধ্যভূমি ও ৩টি গণকবরসহ ৭টি স্থান আজও অবহেলিত ও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্যোগের অভাবে নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে এসব স্থানগুলো। 

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জানায়, উপজেলার থানা ঘাটের বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় প্রায় ৭’শ থেকে ৮’শ নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান ওমর (বীর উত্তম) এর বাড়ীর সামনের বধ্যভূমিতে আরো প্রায় ২’শ লোককে হত্যা করা হয়। এছাড়াও শুক্তাগড় ইউনিয়নের কাঠিপাড়ায় ২০১০ সালেু দুইটি গণকবর পাওয়া যায়। যার একটি থেকে অনেক মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। সাতুরিয়ার তারাবুনিয়া গ্রামে একটি গণকবরের সন্ধান দেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। কাঠিপাড়ার শহীদ পরিবারগুলো এখনও স্বীকৃতি পায়নি। 
উপজেলার প্রবেশমুখে বাঘড়ী বাজারের খাল সংলগ্ন থানা ঘাটের সর্ববৃহৎ বধ্যভূমিটি ২০০৯ সালে তৎকালীন ইউএনও মোঃ জসীম উদ্দিনের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় একটি স্মৃতিস্তম্ভের কাজ শুরু হয় টি.আর এর অর্থ ও ব্যক্তিগত সাহায্যের অনুদানে। পরে সামান্য কাজ করেই অর্থের অভাবে বন্ধ গেলেও বর্তমান ইউএনও আফরোজা বেগম পারুল উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে কাজ শুরু করলেও এখনো তা সম্পন্ন হয়নি।

উপজেলার প্রায় সাড়ে ৪’শ মুক্তিযোদ্ধার প্রাণের দাবি অচিরেই যাতে কালের স্বাক্ষী বধ্যভূমি ও গণকবরের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়। রাজাপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দিবসটি পালনের লক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


এমএআরআর/ আরপি


 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71