বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
রামায়ণ রচনা সম্পূর্ণ হয় মহাভারতের অনেক পরে
প্রকাশ: ১২:৫৫ pm ০৫-০৯-২০১৭ হালনাগাদ: ১২:৫৫ pm ০৫-০৯-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


রামচন্দ্র ও শ্রীকৃষ্ণ— উভয়েই বিষ্ণুর অবতার। দশাবতার স্তোত্রে রামচন্দ্রের পরেই আসে শ্রীকৃষ্ণের নাম (পাঠভেদে অবশ্য বলরামের নামও পাওয়া যায়)। মহাভারত এর প্রধান চরিত্র শ্রীকৃষ্ণ তাঁর পূর্বাবতার সম্পর্কে মা যশোদার কাছে শুনতেন।

• ভাগবৎ পুরাণ থেকে জানা যায়, বাল্য়কালে মা যশোদার কাছে কৃষ্ণ গল্প শুনতেন। তাঁর অন্যতম প্রিয় কাহিনিই ছিল রামকথা। একদিন সীতাহরণের কাহিনি শুনতে শুনতে বালক কৃষ্ণ উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে বসেন ‘‘লক্ষ্মণ আমার ধনুক কোথায়’’ বলে। তিনি তাঁর তৎকালীন জন্ম বিস্মৃত হয়ে পূর্ববর্তী অবতারজন্মে প্রবেশ করেছিলেন বলেই জানায় জানা যায়।

• পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময়ে কৃষ্ণ ভীমকে শ্রী হনুমানের শরণ নেওয়ার পরামর্শ দেন। ‘রামায়ণ’ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে এটা সম্ভব নয়।

• ‘মহাভারত’-এ উল্লিখিত স্যমন্তক মণি উদ্ধারের ঘটনায় কৃষ্ণ জাম্ববানের সঙ্গে যুদ্ধে রত হয়েছিলেন। জাম্ববানকে পরাভূত করে তিনি শুধু মণিই উদ্ধার করেননি, জাম্ববানের কন্যা জাম্ববতীকে তিনি বিবাহও করেন। জাম্ববান ‘রামায়ণ’-এর চরিত্র। কৃষ্ণ তাঁর সম্পর্কে বিশদে জানতেন। ‘রামায়ণ’ পাঠ বা শ্রবণ ছাড়া এটাও সম্ভব নয়।

• ‘শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা’-য় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন, ধনুর্বিদদের মধ্যে তিনিই রাম। এ তো একেবারে প্রত্যক্ষ প্রমাণ! তা ছাড়া, হনুমান স্বয়ং কপিধ্বজ হিসেবে গোটা কুরুক্ষেত্র যুদ্ধকে প্রত্যক্ষ করেন অর্জুনের রথের চূড়ায় বসে। আর সেই রথের সারথী ছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। এই ঘটনাকেও বাদ দেওয়া যাবে না।

•বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্য বিশেষজ্ঞ সুকুমারী ভট্টাচার্য তাঁর একাধিক গবেষণায় দেখিয়েছেন ‘রামায়ণ’ লেখা শুরু হয়েছিল ‘মহাভারত’-এর আগে। কিন্তু তার সর্বশেষ সংযোজন ঘটে ‘মহাভারত’-এর অনেক পরে। ‘মহাভারত’ যে ‘রামায়ণ’-এর পরবর্তী, তা সনাতন ভারত জানে। হিসেব মোতাবেক, ‘রামায়ণ’ ত্রেতা যুগের ঘটনা আর ‘মহাভারত’ দ্বাপরের অন্তিম পর্বের। অনুমান করাই যায়, কৃষ্ণের আমলে রামকথা সারা ভারতেই ছড়িয়ে পড়েছিল। 

প্রচ 
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71