বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
রোহিঙ্গা সমস্যা: মিয়ানমার সরকার ও আরসা সিডনীর কথকতা-২৬
প্রকাশ: ০৫:০৭ pm ০৩-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:০৭ pm ০৩-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস
 
 
 
 


রণেশ মৈত্র
 
বহু বছর যাবত রোহিঙ্গারা নিজ দেশ থেকে তাদের সর্বস্ব হারিযে দলে দলে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়ে চলেছে। জানা যায়, ২০১৭ সালেই এক থেকে তিন মাসব্যাপী তারা এসেছে সর্বাধিক বেশি সংখ্যায় যা এ যাবতকালে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী অন্তত: ১০ লাখে দাঁড়িয়েছে। খুচরা আসার সমাপ্তি এখনও ঘটেনি। তবে তা আর আমাদের মিডিয়াকে তেমন আকৃষ্ট করতে পাছে না। কারণ বিষয়টা অনেকটাই এক ঘেঁয়েমিতে পর্যবসিত হয়েছে মিডিয়াগুলির দৃষ্টিতে। 

এই রোহিঙ্গাদের মধ্যে শতকরা কমপক্ষে ৯০ ভাগই ধর্মবিশ্বাসের দিক থেকে মুসলিম। বাদবাকী ১০% বা তার কিছু কম হিন্দু। যদিও তারা পত্র-পত্রিকায় তেমন একটা স্থান পায়নি। 

যাহোক এই ১০ লক্ষের উপরে আরও ২/৩ লাখ এসেছে অতীতে। তারা চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পূর্ব ও পূর্ব দক্ষিণ সীমান্তজুড়ে নিজ নিজ আবাস, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রভৃতিও গড়ে তুলে বসবাস করে আসছে।  

রোহিঙ্গারা অত্যাচারিত নির্যাতিত হয়ে আসছে বার্মায় (বর্তমান মিয়ানমার) নিষ্ঠুর সামরিক সরকারের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা এবং অনেকদিন যাবত। আমাদের অনেকের হয়ত বা একথা জানা নেই যে এই দেশত্যাগী রোহিঙ্গারা একদা বার্মায় (মিয়ানমারের) নাগরিক হিসেবে সরকারিভাবেই স্বীকৃত ছিল। কিন্তু বেশ কিছুকাল হলো তারা আর ঐদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত নয় কারণ তাদের নাগরিকত্ব সরকারিভাবেই বাতিল করা হয়েছে বেশ কিছুকাল আগেই। আমার বিবেচনায় যত প্রকার নির্যাতনই তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রত্যক্ষ করি না কেন যেমন খুন, লুটপাট, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণ প্রভৃতি তার চাইতেও নিষ্ঠুর এবং ভয়াবহ নির্যাতন হলো নাগরিকত্ব হরণ। যেন একেবারে শেকড় উপড়ে ফেলা। 
পূরোপরি একই রকমের না হলেও অনুরূপ নির্যাতন সইতে হয়েছিল পাকিস্তানী হিন্দুদের যখন ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের অছিলায় পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক সরকার (জেনারেল আইউব ) সমগ্র পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে তার আওতায় পাকিস্তানের সকল প্রদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টানদের সম্পত্তিকে “শত্রু সম্পত্তি” হিসাবে বিবেচনা করে শত্রু সম্পত্তি আইন জারীর সাথে সাথে পাকিস্তানের সকল অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষগুলিকে কার্যতঃ শত্রু হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। 
আইনের বিধান যদিও এমন ছিল যে, যারাই পাকিস্তানের বাইরে বিদেশে অবস্থান করছে তারাই ঐ বর্বর আইনের আওতায় পড়বে কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে দেখা গেল, শুধুমাত্র ভারতে সাময়িকভাবে থাকা ( যেমন পর্যটন, আত্মীয় স্বজনের সাথে সাময়িকভাবে সাক্ষাতের জন্য, চিকিৎসা বা লেখাপড়ার বা নানাবিধ কাজের জন্যও যাঁরা ঐ সময়ে বিদেশে সাময়িকভাবেও অবস্থান (অর্থাৎ ভারতে অবস্থান) করছিলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু হলেই দেশে থাকা তাঁদের সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তিতে পরিণত করা হয়। শুধু তাই না, দেশে অবস্থানকারী বহু ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুর সম্পত্তিকেও অনুরূপভাবে শত্রু সম্পত্তি বলে ঘোষণা দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। যদিও ঐ আইনেও তা বে-আইনী বলে বিবেচিত হওয়ার কথা ছিল। 

পদ্মা, মেঘনা, যমুনা দিয়ে বহু জল গড়িয়ে গেলেও আজ ৫৩ বছর এবং পাকিস্তানকে গুডবাই জানিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ অর্জন করার পর ৪৭ টি বছর পার হলেও ঐ বর্বর আইনটি বহাল থাকায় বাংলাদেশ, পাঞ্জাব প্রভৃতি প্রায় সংখ্যালঘুশূণ্য হয়ে পড়েছে। তবে হ্যাঁ, যাঁরা এদেশে বসবাস করছেন তাঁদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব তদাপি অস্বীকৃত হয়নি। যেমনটি মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে ঘটেছে। আজকের বিশ্বে এমন ঘটনা কল্পনা করাও দুরূহ। 

আগেই বলেছি, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গারা অনেকেই ইতোমধ্যে বাংলাদেশের পূর্ব, দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে দিব্যি জমি, বাড়ি, কিনে, ব্যবসা-বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন, নানা কৌশলে তাঁরা এদেশের নাগরিকত্ব নিয়েও ফেলেছেন এবং বাংলাদেশীদের সাথে দিব্যি বৈবাহিক সম্পর্কও স্থাপন পর্যন্ত করেছেন। 

প্রশ্ন স্বভাবতঃই উঠতে পারে এবং উঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক যে মিয়ানমার থেকে সহায় সম্বলহীন অবস্থায় সবকিছু হারিয়ে রিক্ত হস্তে বাংলাদেশে এসে কোন যাদুবলে বিদেশের মাটিতে বসে এমন বিত্তশালী হয়ে ওঠা তাদের পক্ষে সম্ভব হলো? এ বিষয়টি সামগ্রিক ভাবেই খতিয়ে দেখা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করণীয় কারণ কোনক্রমেই মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে কোন বিত্তহীনের পক্ষেই এত বিশাল বিশাল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠা সম্ভব নয়। সৎপথে তো নয়ই। এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট প্রাপ্তি বিস্ময়কর। অর্থাৎ আমলা ও দালালদের  দ্বারা ঘটানো বলে সন্দেহ। তারও যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। 

বস্তুতঃ প্রায় ২৫ বা ৩০ বছর আগে জামায়াতী এক পরিকল্পনার কথা শুনেছিলাম। পাকিস্তানের  সহযোগিতায় বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি সীমান্ত জেলা ও মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত আরাকান অঞ্চল মিলে একটি পৃথক ইসলামী রাষ্ট গঠন ছিল ঐ পরিকল্পনাধীন বিষয়। তখন বাংলাদেশে পাকিস্তানের হাই-কমিশনার এবং ঐ হাই-কমিশন কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তাকে নিয়মিত রোহিঙ্গা বসতিগুলিতে দেখা যেত প্রায়ই। কক্সবাজার পরিদর্শনের নামে জামায়াতে ইসলামী ঐ এলাকার রোহিঙ্গা বসতিগুলিতে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দলীয় সংগঠনকে প্রসারিত করা শুরু করে এবং সে কাজটি আজও অব্যাহত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থাৎ আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে ঐ এলাকায় পাকিস্তানী আনাগোনা  হ্রাস পেতে থাকলেও বৈধতার সুযোগে  নীরবে জামায়াতে ইসলামী তাদের সংগঠন বিস্তারের কাজ থেকে বিরত হয়নি। সংসদীয় নির্বাচনগুলিতে ভোটের হিসাবেও তার প্রমাণ ঐ এলাকাগুলিতে পাওয়া যায়। 

যাহোক, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের নেত্রী অং সাং শুচির বিগত ভোটে বিপুল ভোটাধিক্য অর্জনের পর থেকে নতুন করে সকলের মনে ঐ দেশের সকল নাগরিকের জন্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা স্বাভাবিবভাবেই বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সেদেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি সার্বিক ক্ষমতায় অধিকারী হতে পারেননি। ক্ষমতার মুল চাবিকাঠি আজও রয়ে গেছে সে দেশের উগ্র-সাম্প্রদায়িক সামরিক বাহিনীর হাতে শুচির হাতে নয়।
 
তাই সামরিক বাহিনীর লালিত সাম্পদায়িকতার শিকার রোহিঙ্গারাও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে উগ্রপন্থীরা “আরসা” নামে একটি সন্ত্রাসী মুসলিম উগ্রপন্থী সংগঠনও গড়ে তোলে। এদের লক্ষ্য মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে প্রতিরোধ করা ও “ইসলাম ধর্মের প্রসার” ঘটানো । এটা করতে নিয়ে তারা হিন্দু, রোহিঙ্গাদেরকেও  ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে শুরু করে অস্ত্রের মুখে। এরপরেও যারা ধর্মান্তরিত হতে অস্বীকৃতি জানায় তেমন হিন্দু রোহিঙ্গা নারী পুরুষ শিশুকেও তারা নির্মমভাবে হত্যা করে। এসবের পরিণতিতে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
 
“আরসা” কোন বৃহৎ সংগঠনে পরিণত হতে পারেনি সত্য। কিন্তু নির্মমতা, নিষ্ঠুরতায় তারা অপর যেকোন সন্ত্রাসী সংগঠনের চাইতে কোন অংশে কম নয়। রোহিঙ্গা মুসলিমদের  একাংশের মধ্যে ‘আরসা’-র প্রতি মৌন সমর্থনও লক্ষ্যণীয়। সব কিছু মিলিয়ে মিয়ানমারের পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল আকার ধারণ করেছে। 

দেশটিতে প্রকৃত প্রস্তাবে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার, মানবাধিকার প্রভৃতির নামগন্ধও নেই। গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠতে পারতো যদি অং সাং শুচির দল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠতো। কিন্তু তারা তো ঐ দেশের সেনাবাহিনীর সাথে শেষ পর্যন্ত আপোষরফা করে ক্ষমতায় আসতে পেরেছে বিগত নির্বাচনে জনগণ তাদেরকে বিপুল সংখ্যায় ভোটে নির্বাচিত করলেও সেই শক্তির উপর দাঁড়িয়ে অধিকতর শক্তি সংগ্রহের জন্য উপযুক্ত সংগ্রাম গড়ে তোলায় এখনও তারা নিকৃষ্টই শুধু নয় সেনাবাহিনীর কর্মকান্ডের প্রতি চোখ বুঁজে থেকে নীরব দর্শকের ভূমিকা তাঁরা পালন করছেন। ফলে পরিস্থিতিটা নৈরাজ্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এই নৈরাজ্য গণতন্ত্রহীনতা, আইনের শাসনের নাম নিশানা না থাকা, মানবাধিকারের নিষ্ঠুর এবং নির্দ্বিধায় লংঘন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্মম নির্যাতন তাদের নাগরিকত্ব হরণ, দেশত্যাগে বাধ্যকরণ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং তারপর বাংলাদেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গাদের সসম্মানে ফিরিয়ে না নিয়ে কার্যত চুক্তির বেমালুম লংঘন প্রভৃতি বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলগুলির বিশেষতঃ জাতিসংঘ, চীন, ভারতের চরম উদাসীনতা লক্ষ্যণীয়।  
এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ভোগান্তি অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়ার সমূহ আশংকা অত্যন্ত দৃশ্যমান। ১২/১৩ লক্ষ বাড়তি মানুষের দীর্ঘ মেয়াদে ( বস্তুতঃ অনিশ্চিত মেয়াদে) আহার, বাসস্থান, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল দিকের ব্যবস্থা করার সঙ্গতি যেমন নেই তেমনই বাংলাদেশে স্থানভিত্তিক অত্যন্ত প্রকট। অতিশয় ছোট আকৃতির দেশ বাংলাদেশ এবং একই সাথে অত্যধিক জনসংখ্যা সম্বলিত দেশ বাংলাদেশ। এমতাবস্থায় বিষয়টি জরুরিভিত্তিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সক্রিয় বিবেচনার দাবি রাখে। কিন্তু সে পথে না হেঁটে তারা যেন বাংলাদেশেই রোহিঙ্গা বসতি গড়ে তুলতে উৎসাহী। 

যতই রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিলম্বিত হবে, উপরোক্ত সমস্যাগুলি ততই জটিল থেকে জটিলতর হবে। সরকার পরিচালিত মাদক বিরোধী অভিযান ও ইয়াবা চোরাচালানের বিষয় সঠিকভাবে বিবেচনা করলে দেখা যাবে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ঐ দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা ট্যাবলেট প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে ঢুকছে এবং ঐ চোরাচালানের সাথে বেশ কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা প্রত্যক্ষ অপ্রত্যক্ষভাবে জড়িত। বিদেশের মাটিতে আশ্রয় নিয়ে সেই দেশের তরুণদের সর্বনাশ ঘটাতে নিয়োজিত থাকা মাদক আমদানীর মাধ্যমে যে দুঃসাহসী ব্যাপার সে দুঃসাহসও তারা ( যারা জড়িত) সঞ্চয় করে ফেলেছে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষীদেরকে হাত করে। 
কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা দিয়ে মাদক বিরোধী অভিযান সৎ পুলিশ/ র্যাব/ বিজিবি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কঠোরভাবে পরিচালনা করলে একটি ভয়াবহ চিত্র জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অভিযানে একটি বড় ধরণের সাফল্য অর্জনও সম্ভব বলে অনেকেই মনে করেন।  

শুধুমাত্র মাদক দ্রব্যটিই নয়, বে-আইনী অস্ত্রের চোরাচালানও ঐ রুটগুলি দিয়ে রোহিঙ্গাদের একাংশের মাধ্যমে চলছে বলেও অতীতে খবর বেরিয়েছে। তাদের সাথে বাংলাদেশের চেনা কিছু রাঘব বোয়ালরাও জড়িত। জড়িত তথাকথিত ইসলামী উগ্রবাহিনী “আরসা”-র সন্ত্রাসী ও জামায়াত শিবিরসহ নানাদলের সন্ত্রাসী মহলগুলির জড়িত থাকার আশংকা। বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে একদিকে যেমন বে-আইনীভাবে যেসকল রোহিঙ্গা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছে, বাংলাদেশী পাসপোর্ট করে নিয়েছে তাদের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট দ্রুত বাতিল এবং ভোটার তালিকায় তাদের নাম উঠে থাকলে সেগুলিও দ্রুত বাতিল করা জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন। 

রোহিঙ্গাদের ব্যাপক নিরীহ অংশ যাতে আগামী ৩/৪ মাসের মধ্যে নিজ দেশে সসম্মানে ফিরে যেতে পারে, সেখানে তাদের বাড়িঘর ব্যবসা-বাণিজ্য  ফেরত পেতে পারে, তাদের নাগরিকত্ব প্রাপ্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। নতুবা নির্বাচনেও অপ্রত্যাশিতভাবে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলি অঢেল কালটাকা ঐ অঞ্চলগুলি থেকে সংগ্রহ করতে পারে। এবং নির্বাচনে  ভোটের ক্ষেত্রেও তার বিস্তর প্রভাব পড়তে পারে। নির্বাচনের পরিবেশ চিহ্নিত করতেও অপরাপর অপশক্তির সাথে গোপনে বেনামে “আরসা”-ও সম্পৃক্ত হয়ে যেতে পারে জামায়াত-হেফাজতের সহযোগিতায়।

রণেশ মৈত্র
সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71