বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫
 
 
লাদেনকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল
প্রকাশ: ০৮:২৫ pm ১০-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০৮:২৫ pm ১০-০৪-২০১৭
 
 
 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লাদেনের মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে ছয় বছর। তবে তৎকালীন আল কায়দা প্রধানের মৃত্যু নিয়ে প্রায়ই বিভিন্ন রকম তথ্য উঠ আসে।

এবার লাদেনের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য করলেন নেভি সিলের এক প্রাক্তন কর্মী। সিল টিমের ওই সদস্যে দাবি, ওসামা বিন লাদেনকে এমন ভাবে মারা হয়েছিল যাতে তাকে চেনা যায়নি।গুলিতে ঝাঁঝরা করার পর লাদেনের ছিন্নভিন্ন মাথা কুড়িয়ে এক জায়গায় এনে জড়ো করে জোড়া দিতে হয়েছিল। এমনই দাবি করেছেন নেভি সিলের প্রাক্তন কর্মী রবার্ট ও নীল। ‌১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালিয়ে টুইন টাওয়ার ধ্বংস করে দেয় লাদেনের সংগঠন আল কায়দারা। এরপর পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লাদেনকে নিকেশ করে মার্কিন সেনা। লাদেনের শেষ সময় নিয়ে এখনও রহস্যের শেষ নেই। এই রহস্যে নতুন তথ্য দিলেন রবার্ট। তাঁর দাবি, তিনি একাই প্রাক্তন আল কায়দা প্রধানকে তিনটি গুলি করেছেন। ‘‌দ্য অপারেটর:‌ ফায়ারিং দ্য শটসং দ্যাট কিলড বিন লাদেন’‌ নামের বইয়ে অ্যাবোটাবাদের সেই ঘটনাবহুল রাতের বর্ণনা দিয়েছেন রবার্ট।

লাদেন হত্যার জন্য নেভি সিল–এর বিশেষ দলে ছিলেন তিনি। লাদেনের মৃত্যু নিয়ে বিশেষ কোনও তথ্য দেয়নি নেভি সিল। এমনকি যে ছবি পাওয়া যায়, তাও লাদেনের কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন আছে নানা মহলে। তাই রবার্টের দাবি ঘিরেও বিতর্ক রয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, “অন্য পাঁচ–ছ জন সিল সদস্যের সঙ্গে গুলি করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন। এমন সময় তিনতলায় গিয়ে দেখেন লাদেনের ছেলে খালিদ একে–৪৭ নিয়ে বেরিয়ে আসছে। খালেদকে আগেই টাকা দিয়ে বশ করেছিল মার্কিন গোয়েন্দারা। তাকে ভিতর থেকে কেউ বলছে, ‘‌খালেদ, ভিতরে এস।আর খালেদ চিৎকার বলে, ‘‌মানে?‌’‌ আর তা থেকেই সিলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় লাদেন কোথায় রয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে ঘরের তল্লাশি শুরু করি। দেখি এক মহিলার কাঁধে ভর রেখে দাঁড়িয়ে লাদেন। সেকেন্ডের মধ্যে দু’‌বার ট্রিগার টিপি। পরেরটি মাথা লক্ষ্য করে। মাথা গুঁড়িয়ে চারদিকে ছড়িয়ে যায়। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

এইবেলাডটকম/এবি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71