মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯
মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
শাবিপ্রবিতে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ সংগঠন কেন?
প্রকাশ: ১০:৪৯ am ২৩-০৭-২০১৬ হালনাগাদ: ১০:৪৯ am ২৩-০৭-২০১৬
 
 
 


রানা প্রতাব হিরা : অন্যধর্মাবলম্বীরাতো আছেন ই সেইসাথে অনেক হিন্দু/সনাতন ধর্মাবলম্বী সাস্টিয়ান ও এই সংগঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। আর তাই সংগঠন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা প্রকাশের নিমিত্ত্বেই এই লেখাটি-

উপস্থাপনার সুবিধার্থে পূর্বে প্রাপ্ত বহু প্রশ্নের থেকে মাত্র ১৩টি প্রশ্নের ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর পর্বে সজ্জিত করা হল-

এই সংগঠনটি সম্পূর্নরূপে অরাজনৈতিক তথা সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন যা সর্বোতভাবে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সম্পূর্নরূপে শ্রদ্ধাশীল এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে এর কর্মীরা সর্বদাই নিজেদের নিয়োজিত রাখার সংকল্পে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। 

প্রশ্ন ১। শাবিপ্রবিতে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার পেছনে কি উদ্দেশ্য?

উত্তরঃ- এই সংগঠনের মূলনীতি (ক) “জ্ঞান” - (খ) “সংস্কার” -(গ) “ঐক্য” ।

একজন মানুষ ছোটবেলা থেকে একটু একটু করে সমাজেই বেড়ে ওঠে। তার জীবনযাত্রা-চিন্তাভাবনায় ফুটে উঠে সমাজ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান। আর সেই জ্ঞান তখন ই পরিপূর্ন হয় যখন তাতে ধর্মের ব্যাপার টা জড়িয়ে থাকে।

একটু খুলে বলতে গেলে প্রচলিত সমাজব্যাবস্থায় আমাদের দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ধর্মীয় জ্ঞান বিস্তারের জন্য ছোটবেলা থেকেই কোন প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেই। আর তাই দুঃখজনক হলেও সত্য যে প্রকৃত অর্থে ধর্ম সম্পর্কে বেশীরভাগ সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই অজ্ঞ।

সনাতনধর্ম একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী অথচ অধিকাংশ সনাতন ধর্মাবলম্বীই জানেন না- 
--সৃষ্টিকর্তা কে? 
--সনাতন ধর্ম কি? 
--ভগবান কে? 
--দেবদেবী অর্থ কি? 

--পৃথিবীতে আমাদের মানুষ হিসেবে জন্ম নেবার পেছনে উদ্দেশ্য কি? 

ইত্যাদি সাধারন প্রশ্নগুলোর উত্তর জানেন না।

পরিবেশ থেকে যাওবা শিক্ষা পাই তার ৯৯% ই ভুল শিখে থাকি। ফলে একপ্রকার অজ্ঞতার বেড়া জালে আবদ্ধ হয়ে আত্মিক উন্নয়ন তথা সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নিজের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছ ধারনা পোষণ করা সম্ভব হয় না। এসব বুঝতে না পেরে অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা ও হতাশায় কাটিয়ে দেয়। অনেকে পা বাড়ায় নাস্তিকতার অন্ধ অনুকরনের দিকে।

সনাতন ধর্মের যে মূল উদ্দেশ্য-- মানবতার কল্যানে সদা নিজেকে নিয়োজিত রাখা তথা পারমার্থিক উন্নয়নের পথে চালিত করা তার দ্বারা কোনটাই সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা।

আমরা সবাই জানি- 

ইউনিভার্সিটি একজন শিক্ষার্থীর জন্য সমস্ত জ্ঞানের উৎস। এই বয়সে তাঁর ভালো মন্দকে বিচার বিবেচনা করার ক্ষমতা থাকে, গ্রহন-বর্জনের পূর্ন সুযোগ থাকে। আর তাই এই বয়সটাই আমাদের জন্য অধিক উপযুক্ত- ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার তথা ক্ষতিকর দিকগুলো নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা দৃঢ়ভাবে ন্যায়ের দিকে চালিত করার বা ‪‎সংস্কার‬ করার। আর কেবলমাত্র সংস্কারের মাধ্যমেই বিনাশ হতে পারে সমাজের সকল অন্যায় অত্যাচার। গড়ে উঠতে পারে সামাজিক ‪ঐক্য‬। আমরা এও জানি- নৈতিক শিক্ষাগুলো আমরা ধর্মথেকেই পেয়ে থাকি। আর নৈতিক শিক্ষা ছাড়া একজন মানুষ সহজেই অন্যায়ের পথে পা বাড়ায়।

আর তাই শুধু ৪ বছরের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে টাইম পাস করা নয় বরং এই বয়সে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের দ্বারা অর্জিত বিদ্যাকে নিজের ভবিষ্যত জীবনেও কাজে লাগিয়ে দেশ এবং জনকল্যানের সেবায় তথা- 

জ্ঞান, সংস্কার, ঐক্য, 

এই মূলনীতিকে নিজমাঝে ধারন করা; সেই প্রত্যাশায় ২০১২ সালে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, শাবিপ্রবির প্রতিষ্ঠা।

২। এটা কি শুধুই ধর্মীয় সংগঠন?

উত্তরঃ-

-- না, এটা শুধুই ধর্মীয় সংগঠন নয়, ধর্ম সম্পর্কে সঠিক জানার পাশাপাশি এটা সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। ধর্মীয় আচার ঐতিহ্য ধারনের পাশাপাশি-‪‎ক্যাম্পাস‬ কিংবা বহিরাগত কারো চিকিৎসার সাহায্য, ‪‎রক্ত‬ দান, ‪শীতবস্ত্র‬ বিতরনের মত সময়োপযোগী বিভিন্ন জনকল্যানমূলক সামাজিক কার্যক্রম ও এই সংগঠনের কাজের আওতাধীন। 
 

৩। সনাতন বিদ্যার্থীতে রেগুলার বা সাপ্তাহিক কিছু করা হয়?

উত্তরঃ-

সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট দিনে(শুক্রবার সকাল ১১টায়) সাপ্তাহিক প্রার্থনা তথা ধর্মচক্র অনুষ্ঠিত হয়। (ইউসির ১০৭ নাম্বার রুমে)

৪। ধর্মচক্র বা প্রার্থনায় কি কি হয়?

উত্তরঃ-

সনাতন ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ তথা বৈদিক নিয়মে প্রার্থনা, গীতা থেকে আলোচনা, ধর্ম বিষয়ে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে তার আলোচনা, সাংগঠনিক বিভিন্ন কর্মপন্থা আলোচনা এবং সবশেষে হরিনাম সংকীর্তন।

৪। প্রার্থনায় কারা অংশগ্রহন করতে পারবেন কিংবা প্রার্থনায় আসতে চাইলে আগেই সদস্য হয়ে নিতে হবে কি?

উত্তরঃ-

- যেকেউ চাইলেই অংশগ্রহন করতে পারবে প্রার্থনায়। এর জন্য পূর্বেই সদস্য হতে হবে এমন কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।

৫। সদস্য হতে হলে কোন যোগ্যতার দরকার আছে?

উত্তরঃ-

-মূলত ক্যাম্পাসে প্রবেশের সাথে সাথেই যেকোন সনাতন ধর্মাবলম্বী স্টুডেন্ট ই SVS এর সদস্য হবার যোগ্যতা অর্জন করে। কারন নিজের ধর্ম সম্পর্কে জানার অধিকার সকলের ই আছে। তাই স্বধর্ম, নিজের জীবনের উদ্দেশ্য তথা মানবতার কল্যানে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কাজে নিজের আগ্রহই এই সংগঠনের সদস্য হবার বেসিক যোগ্যতা। ইতস্ততা ত্যাগ করে আগামী শুক্রবারের প্রার্থনায় ই চলে আসতে পারেন... 

৬। কিভাবে সদস্য হওয়া যাবে?

উত্তরঃ-

- অন্য সংগঠনের মত এই সংগঠনের কোন সাংগঠনিক সপ্তাহ পালন করা হয় না যার মাধ্যমে কেউ এর সাথে পরিচিত হবেন। যার ফলে অনেকেই আগ্রহ থাকা স্বত্বেও এর সাথে যুক্ত হতে ইতস্ততবোধ করেন। একমাত্র ধর্মের প্রতি অনুরাগ তথা নিজের সদিচ্ছা থেকে যে কেউ ই সাপ্তাহিক ধর্মচক্রে নিয়মিত হতে পারেন। এবং সাপ্তাহিক প্রার্থনাতে নিয়মিত অংশগ্রহনের মাধ্যমে যে কেউই এর সদস্য হতে পারেন। 

৭। SVS সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে প্রচলিত পঞ্চমতের কোনটিতে বিশ্বাসী?

উত্তরঃ-

-যেহেতু আমাদের মূল লখ্য ঐক্য, তাই পঞ্চমতের যেকোন একটিমাত্র নির্দিষ্ট পন্থা নয় বরং সকল মতকে সমান গুরুত্বের সাথে গ্রহন করে---নিজেদের সনাতন ধর্মের মূল বৃক্ষ- ‪বৈদিক_আদর্শে‬ উজ্জীবিত করার বিশ্বাস ধারন করে SVS .
 

৮। ইদানীং ‪ইস্কন‬ দেখি ক্যাম্পাসে ধর্মসভা করে সেটা কি SVS এর অংশ?

উত্তরঃ-

-না, ইস্কন পঞ্চমতের শুধুমাত্র একটি বৈষ্ণব‬ মতে বিশ্বাসী। কিন্তু বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে SVS শুধু বৈষ্ণব মত নয় বরং পঞ্চমতেই সমান গুরুত্ব দেয়। SVS সম্পূর্নরূপে আমাদের ক্যাম্পাসের ই একটি স্বতন্ত্র সংগঠন। আবার SVS এর কার্যপরিধি শুধু ধর্মীয় আচারের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয় বরং স্বেচ্ছাসেবী কাজগুলোর প্রতিও অনেক গুরুত্ব রয়েছে যা ইস্কনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন নয়। যেকোন মতের শাবি শিক্ষার্থীই ঐক্যের স্বার্থে তথা ধর্ম সম্পর্কে নিউট্রাল কনসেপ্ট চাইলে SVS এর সাথে আসতে পারে, সংগঠন নয়। 
 

৯। ধর্ম সম্পর্কে জানতে SVS সর্বাগ্রে কোন বিষয়টাকে বেশী গুরুত্ব দেয়?

উত্তরঃ-

-অন্ধভাবে কোন কিছু মেনে নেওয়া নয় বরং ধর্ম এবং বিজ্ঞান এই দুইয়ের ওপর ই গুরুত্বারোপ করে SVS। SVS বিশ্বাস করে বিজ্ঞান বা ধর্ম দুই ই ওতোপ্রোতভাবে একটি আরেকটির সাথে জড়িত। আর আমরা যেহেতু একটি স্বনামধন্য বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাই তাই অন্ধভাবে ভক্ত হবার কিংবা না জেনে মেনে নেবার মনোভাবকে সর্বদাই নিরুতসাহিত করে SVS. 
 

১০। এর সাথে কারা যুক্ত আছেন?

উত্তরঃ-

-উপদেষ্টা হিসেবে শাবিপ্রবির সন্মানিত শিক্ষকমন্ডলী, সদস্য হিসেবে বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দরাও SVS এর সাথে যুক্ত। 
 

১১। সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ এর তহবিলের উৎস কি?

উত্তরঃ-

এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক সংগঠন। সদস্য এবং উপদেষ্টামন্ডলীদের সক্রিয় সহযোগীতাই SVS এর তহবিলের উৎস।


১২। SVS কেন স্পেশাল? কেন আমি এখানে আসব?

উত্তরঃ-

উপরিউক্ত ১১টি প্রশ্নোত্তরে অনেককিছুই পরিস্কার হয়েছে তার সাথে আরো যোগ করতে চাই-

সনাতন ধর্ম এযাবতকালের সর্বপ্রাচীন এবং সর্ববৃহৎ বৈচিত্র্যসম্পন্ন ধর্ম। বৈচিত্র্যের বিশালতার জন্য এর অনুসারীরা পঞ্চমতে বিভক্ত। ধর্ম সম্পর্কে কেউ কিছু জানতে চাইলে প্রচলিত কোন গুরু কিংবা মন্দির থেকে পঞ্চমতের কেবলমাত্র যেকোন একমতের ধারনাই পাবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে সনাতন বিদ্যার্থীরা কোন একমত নয় বরং ব্যক্তি-সমাজ-জাতির স্বার্থে বাস্তবিক অর্থেই যা কল্যানকর সেইসব নির্দেশনাগুলি সনাতন ধর্মের মূল বৃক্ষ, স্বয়ং স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত ‪বেদের‬ আলোকে জানার সুযোগ পায়। যা অন্য কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা মন্দিরে গেলে পাওয়া যাবে না।

আর প্রাপ্ত এসব জ্ঞানের পাশাপাশি বিভিন্ন ‪সামাজিক‬ স্বেচ্ছাসেবী কাজগুলোও SVS থেকে করা হয় যা অন্য কোন সংগঠনে নেই। অনতি বিলম্বে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও SVS অবদান রাখার প্রয়াস করে কারন গান-নাটক-নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক বিষয়গুলোর মূল ও সনাতন ধর্মেই প্রোথিত। তাই ধর্ম-বিজ্ঞান-সংস্কৃতিচর্চা, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম সকল কিছুরই সম্মিলিত স্বাদ গ্রহন করে নিজের ভবিষ্যৎ জীবনেও তার প্রতিফলন ঘটাতে এসভিএস এর বিকল্প কিছু হতে পারে কি? 

১৩। সবই ঠিক আছে কিন্তু- - SVS এর সদস্য সবাই দেখি সনাতন ধর্মাবলম্বী তাহলে এটা কি একটা সাম্প্রদায়িক সংগঠন নয়?

উত্তরঃ-

-বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয়। 

এই সংগঠনের সদস্য সবাই সনাতন/হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও এর কার্যপরিধি শুধু হিন্দুদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। কারন আমাদের কার্যপরিধি শুধু ধর্মজানার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। ইতিমধ্যেই যেসব স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম যেমন ‪চিকিৎসার‬ জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান, #রক্ত ম্যানেজ করে দেওয়া, #শীতবস্ত্র বিতরনের কাজগুলো SVS সম্পন্ন করেছে সেগুলো ধর্মনির্বিশেষে সমান গুরুত্বের সাথেই করা হয়েছে। আর তাই এর সদস্যরা সনাতন ধর্মাবলম্বী হলেও এটি কোন প্রচলিত ধারার সংকীর্ন মনোভাব সম্পন্ন সাম্প্রদায়িক সংগঠন নয় বরং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় শাবির সকলকে উজ্জীবিত করার এক মহৎ পদক্ষেপ।

পরিশেষে বলতে পারি আপনাকে কোন আর্থিক বা বস্তুগত লাভ দিতে পারবে না এসভিএস কিন্তু পারবে বাসা থেকে শত কিলোমিটার দূরে থাকার শূন্যতাকে নিমেষেই দূর করে দিতে। 
একটা পরিবারের মতই এর সদস্যরা আপনাকে নিমেষেই আপন করে নিতে পারবে যা এক অন্যরকম অনুভূতি। আর এখান থেকে যা আপনি নিয়ে নিতে পারবেন সেটা আজীবন আপনার সন্তুষ্টির কারন হয়ে থাকবে যা একমাত্র এর সাথে যুক্ত হলেই বুঝতে শুরু করবেন।

তাহলে আর দেরী কেন? 
আপনি যদি সনাতন ধর্মাবলম্বী হোন তাহলে আগামী শুক্রবার সকাল ১১টায় নিঃসংকোচে চলে আসতে পারেন আমাদের ধর্মচক্রে।আর যদি অন্যধর্মাবলম্বী হয়েও আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন তাহলে আপনিও আসতে পারেন কোন সংকোচ ছাড়াই। 

জানেন তো আমাদের অস্থায়ী মন্দিরটা কোথায়?- (সোনালী ব্যাংক এর সাথেই) ইউসি ১০৭ নাম্বার রুম,  ঠিক সকাল ১১টায়(শুক্রবার) ।

তাছাড়া আগামী ২৯-০৭-২০১৬ ইং তারিখে এসভিএস সাস্ট পরিবার সংগ্রামপুঞ্জি এবং জাফলং এ আনন্দ ভ্রমনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চাইলে আপনি এই ট্যুরের মাধ্যমেও পরিচিত হতে পারেন আমাদের সাথে। রেজিস্ট্রেশন করার শেষ দিন ২৬-০৭-১৬ তারিখ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট

এইবেলাডটকম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71