মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
মঙ্গলবার, ৭ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
শার্শায় গম-মসুর ছেড়ে ভুট্টা আবাদের দিকে নজর চাষিদের
প্রকাশ: ০৪:২৮ pm ১২-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:২৮ pm ১২-০৪-২০১৮
 
বেনাপোল প্রতিনিধি:
 
 
 
 


সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শায় চলতি ও বিগত কয়েক বছর গমে ব্লাস্ট এবং মসুরে স্ট্রেইন থাইলিয়ান ব্লাইড রোগ হওয়ায় চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সে কারণে অনেক চাষিই গম ও মসুর ছেড়ে হাইব্রিড ভুট্টা আবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে গম ও মসুরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু ভুট্টা চাষে প্রাকৃতিক দুর্যোগের তেমন প্রভাব পড়ে না। অন্যদিকে ভুট্টা চাষে খরচ কম। লাভও হয়। প্রতি বছর শার্শা উপজেলায় ভুট্টার চাষ বৃদ্ধির এটিও একটি কারণ। 

শার্শা উপজেলার ৩৪টি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চাষিদের ভুট্টা চাষাবাদ ও প্রযুক্তি বিষয়ক দেখভাল, সুবিধা অসুবিধা ও নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়। হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের এনএটিপি-ফেজ-২ প্রকল্পের আওতায় কৃষি অফিসের মাধ্যমে চাষিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।

উপজেলার রাজনগর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুখেন্দুকুমার মন্ডল বলেন, প্রতি বছর গম ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রাকৃতিক কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চাষিদের গম চাষ করতে নিষেধ করা হচ্ছে। এ ছাড়া স্টেইন থাইলিয়ান ব্লাইড রোগে আক্রান্ত হওয়ায় মসুর চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আশানুরূপ ফলন না পেয়ে গম ও মসুর চাষে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন চাষিরা। 

বেনাপোলের রাজনগর গ্রামের চাষি একসের আলী বলেন, আমি প্রতি বছর পাঁচ বিঘা জমিতে গম চাষ করে থাকি। কিন্তু ব্লাস্ট রোগের কারণে গম চাষ ছেড়ে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে এবার পাঁচ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের ভুট্টার আবাদ করেছি। আশা করি ফলন ভালো হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরককুমার জানান, চলতি বছরে শার্শায় ৮০০ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের ভুট্টার চাষ হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ৩৫-৪০ মণ ভুট্টা উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমএম/ বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71