মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
শাহজাদপুরে ৭ পুলিশসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও শ্লীলতাহানীর মামলা
প্রকাশ: ০৫:২৯ pm ০৮-১১-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:২৯ pm ০৮-১১-২০১৮
 
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
 
 
 
 


সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার ৭ পুলিশ সহ ৫০ জনের নামে বুধবার দুপুরে চাঁদাবাজি ও নারীর শ্লীলতাহানীর মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার শেলাচাপরী গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর ছেলে এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শাহজাদপুর আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

শাহাজাদপুর আমলী আদালতের বিচারক শাহজাদপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাসিব সরকারকে এ মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দিয়েছেন।

এ মামলার ৭ পুলিশ আসামী হলেন,শাহজাদপুর থানার এসআই গোলজার হোসেন, এসআই সাচ্চু বিশ্বাস, এসআই সামিউল ইসলাম, এসআই মতিউর রহমান, এসআই আমজাদ হোসেন, কন্সটেবল ময়নুল হক ও কন্সটেবল মোঃ সুমন সরদার।

এ মামলার বাদী এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, মামলাটির ১নং আসামী রূপবাটি ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামরুল হোসেন সহ অন্যান্য আসামীগণের সাথে আমার পরিবারের  নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। কিন্তু নতুন কোন মামলা বা গ্রেফতারী পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও গত ২ নভেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৭ জন পুলিশ সহ অন্যান্য আসামীগণ আমার ভাই মিজানুর রহমানের শেলাচাপরী গ্রামের বাড়ির ঘরে ঢুকে তার কাছে এসআই গোলজার হোসেন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। এ ছাড়া ১নং হতে ৩৩নং আসামীগণের নামে আমাদের পক্ষ থেকে দায়ের করা সকল মামলা তুলে নিতে বলে। এ ছাড়াও শাহজাদপুরের শেলাচাপরী মৌজার আর,এস ৪৮৫ দাগের .৮৫শতক সম্পত্তির দাবী ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু ১নং স্বাক্ষী আমার ভাই মিজানুর রহমান তা অস্বীকার করলে এসআই গোলজার হোসেন তাকে বেধরক মারপিট করে। এ সময় মিজানুর রহমানকে উদ্ধার করতে তার স্ত্রী আরজিনা খাতুন(৩০) এগিয়ে আসলে এসআই সামিউল ইসলাম তাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানী করে। তিনি বলেন এ বিষয় গুলি উল্লেখ করে আমি এ মামলা দায়ের করেছি। আমলী আদালতের বেঞ্চ সহকারী শহিদুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে হান্ডকাপসহ আসামী মিজানুর রহমানকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে ৮২ জনকে আসামী করে শাহজাদপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খাজা গোলাম কিবরিয়া বলেন, হ্যান্ডকাপসহ আসামীর পলায়ন মামলা থেকে নিজেদের রক্ষা পাওয়ার কৌশল হিসাবে তারা তারা একটি কোর্ট পিটিশন করেছে। তদন্তে এর আসল সত্য উন্মোচন হবে। 

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিব সরকার বলেন, এখনও পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র তিনি হাতে পাইনি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নি এম/চন্দন

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71