মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
শিবগঞ্জে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক 
প্রকাশ: ০৬:১৯ pm ১৮-১১-২০১৮ হালনাগাদ: ০৬:১৯ pm ১৮-১১-২০১৮
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: 
 
 
 
 


প্রেমের ফাঁদে ফেলে চাঁইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ১৩ বছরের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মোবাইল ফোনের সম্পর্কের পর প্রতারণাকারী ওই যুবক ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীতে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে আশংকাজনক অবস্থায় রাজশাহী পাঠানো হয়েছে ওই ছাত্রীকে। 

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চাঁদশিকারী গ্রামের জেনারুল ইসলামের মেয়ে। 

শিবগঞ্জ পৌর এলাকার খাঁন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এঘটনা ঘটে শনিবার সন্ধ্যায়। 

এঘটনায় ধর্ষক শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের লছমনপুর গ্রামের আনেফ আলীর ছেলে আমিনুর রহমান (১৬)কে আটক করেছে পুলিশ। এঘটনায় ধর্ষিতার মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছে রবিবার দুপুরে। মামলা নম্বর-৩৬, তারিখ-১৮-১১-১৮ইং। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শিকদার মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ অফিসারের সমন্বয়ে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে বখাটে ধর্ষক আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ বলে নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শিকদার মো. মশিউর রহমান। 

জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন পূর্বে ওই স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় হয় এক যুবকের। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। কু-মতলবে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার খাঁন মার্কেটে দেখা করার জন্য বলে। শনিবার মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে সন্ধ্যায় সেখানে ওই ছাত্রীকে নিরিবিলি সুযোগ বুঝে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ধর্ষক। এতে ধর্ষিতার অনেক রক্তক্ষরণ হয়। তবে ধর্ষকের নাম পরিচয় বলতে পারেনি ওই ছাত্রী। 

ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার এস.আই রনি কুমার সাহা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। তবে তার অবস্থার বেগতিক দেখে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে হাতের চুড়ি ভেঙ্গে পড়ে থাকতে দেখা গেছে এবং রক্তের ছড়াছড়িও দেখা গেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

শনিবার দিবাগত গভীর রাতে ধর্ষক শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের লছমনপুর গ্রামের আনেফ আলীর ছেলে আমিনুর রহমান (১৬)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নি এম/ইমরান 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71