রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
শ্বাসকষ্টের কারণ ও চিকিৎসা
প্রকাশ: ০২:৪৭ pm ১৬-০৮-২০১৮ হালনাগাদ: ০২:৪৭ pm ১৬-০৮-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


আজকাল শ্বাসকষ্ট সবার মাঝেই কমবেশি দেখা যাচ্ছে। আর যার এই দুরারোগ্য ব্যাধি আছে সে জানে জীবন কত কঠিন কারণ যখন এই কষ্ট শুরু হয় তা মৃত্যু যন্ত্রণার সমান। নিঃশ্বাস ছাড়া বেঁচে থাকা কখনোই সম্ভব না আর এই রোগীদের প্রধান সমস্যা হল তারা ঠিকমত নিঃশ্বাস নিতে পারেনা।

শ্বাসকষ্ট কি –

নিঃশ্বাস নিতে কোন সমস্যা হলে অথবা শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার সময় কোন কষ্ট অনুভূত করলে অথবা শ্বাস নেয়ার সময় দম বন্ধ হয়ে গেলে যে কষ্ট দেখা দেয় প্রাথমিকভাবেই তাকে শ্বাসকষ্ট বলে। এক কথায় অনেক দিন ধরে শ্বাসনালির প্রদাহ হলে তাকে শ্বাসকষ্ট বলে। এটি রেসপিরাটরি ডিসট্রেস ডিস্পেনিয়া অন একজারশন নামে ও পরিচিত।

শ্বাসকষ্ট কেন হয় –

১) কারো যদি এলার্জি থাকে তাহলে হতে পারে।
২) ব্রংকাইটিস রোগীদের হয়।
৩) ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ হলে হতে পারে।
৪) আলফা-ওয়ান এনটিট্রিপসিন নামক এনজাইমের অভাব থাকলে হতে পারে।
৫) ধূলা-বালির মাঝে থাকলে হতে পারে।
৬) ধূমপায়ীদের হয়।
৭) যদি জন্মের পর ফুসফুস ঠিকমত কাজ না করে তাহলে হতে পারে।
৮) ঘন ঘন ভাইরাস অথবা ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে আক্রান্ত হলে হতে পারে।
৯) ধোয়া থেকে হয়।
১০) এসপিরিন জাতীয় ওষুধের কারণে কখন ও কখন ও হতে পারে।
১১) কোন খাবারে এলার্জি থাকলে সেই খাবারের কারণে হতে পারে।
১২) পারফিউমের গন্ধ থেকে হতে পারে।
১৩) ঠান্ডাতে অনেকের হয়ে থাকে।
১৪) সাইনুসাইটিসের রোগীদের হতে পারে।
১৫) নিউমোনিয়া হলে হতে পারে।

শ্বাসকষ্ট হলে কি কি উপসর্গ দেখা যায় –
১) কাশি হয় অনেক।
২) কাশির সাথে কফ যায়।
৩) বুকের মাঝে অন্য রকম একটা কষ্ট হয়, যেন মনে হয় কেউ বুক চেপে রেখেছে।
৪) শ্বাস নেয়ার সময় শব্দ হয়।

শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধঃ
১) এলার্জিযুক্ত খাবার না খাওয়া উত্তম।
২) ধূলাবালির থেকে দূরে থাকতে হবে।
৩) ধূমপান বন্ধ করে দিতে হবে।
৪) পারফিউম জাতীয় সুগন্ধি এড়িয়ে চলা ভাল।
৫) বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করা।

শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা –

১) শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে সাহায্য করে বুসোনাইড, ক্লোমিথাসেন, ফ্লুটিকাসোন নামক এন্টি ইনফ্লামেটরি ঔষূধ। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষুধ সেবন করবেন।
২) অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট হলে ঔষুধ সেবন করতে পারেন তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।
৩) ইনহেলার ব্যবহার করা।
৪) ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক খেতে পারবেন।
৫) পুষ্টিকর খাবার খাওয়া কারণ এই ধরণের রোগিদের বিএমআই খুব কম থাকে।
৬) বাসায় নেবুলাইজার রাখতে পারেন, হঠাৎ যদি শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তাহলে ব্যবহার করতে পারবেন।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71