বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
সংখ্যালঘুদের সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ
প্রকাশ: ০৯:৫৪ pm ৩১-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৫৪ pm ৩১-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


প্রফেসর ড. অরুণ কুমার গোস্বামী

জাতিগত সংখ্যালঘুদের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সামরিক শাসক আইয়ুব খান কর্তৃক কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণ এবং জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্তৃক পাহাড়ে বংশানুক্রমিকভাবে বসবাসকারী জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জায়গাজমিতে সমতলের মানুষদের বসতি করে দেয়ার কারণে দেশত্যাগ করে পাশ্বর্র্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীরা এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে তাদের জন্মস্থানে ফিরেতে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বাংলাদেশের তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। এরই সঙ্গে সাধারণভাবে জনগণের মধ্যে এবং বিশেষভাবে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে পুনরায় আশার সঞ্চার করেছে। উপমহাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনের ইতিহাস ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামল থেকে লক্ষ করা যেতে পারে। ওই সময়ে মহাত্মা গান্ধী, বল্লভভাই প্যাটেল, জওহরলাল নেহেরু এবং মওলানা আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস চেয়েছিল একটি ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্যবদ্ধ ভারতবর্ষ। অপরপক্ষে মুসলিম লীগ নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এবং লিয়াকত আলী খান দ্বিজাতিতত্ত্বে র ভিত্তিতে মুসলমানদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য আন্দোলন করেছিলেন। পাকিস্তান প্রস্তাব অথবা লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক হিসেবে খ্যাত বাঙালি নেতা শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হকের ভূমিকাকে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ তার নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার কাজে ব্যবহার করেছিলেন। এভাবে উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ রাষ্ট্রীয়ভাবেই বপন করা হয়েছিল।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিদের ওপর ধর্মীয় উপনিবেশ পাকিস্তানের শাসকদের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অকৃত্রিম ভালোবাসা, আন্তরিকতা, দেশের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, তাঁর উৎসাহব্যঞ্জক ও আশা জাগানিয়া সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এ দেশের মানুষ সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছিল। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণাকে পুনঃনিশ্চিত করা হয়েছিল। বাংলাদেশের এই স্বাধীনতা ঘোষণায় ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে ‘…আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিবৃন্দ, আমাদের প্রতি জনগণের ম্যান্ডেট, যার ইচ্ছা সর্বোচ্চ, দ্বারা একটি কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলিতে আমরা সমবেত হয়ে এবং পরস্পরের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানব মাহাত্ম্য এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা এবং গঠন এবং এর দ্বারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা নিশ্চিত করছি।…’ ফলে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অর্থাৎ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের সব মানুষ ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে সামাজিক ন্যায়বিচারের নীতি বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য আশান্বিত হতে থাকে। এভাবে সব ধর্ম এবং জাতিগত জনগণের সমর্থন, অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আবিভর্‚ত হয়। তবে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর সামরিক শাসকদের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন হওয়ার ফলে দৃশ্যত রাষ্ট্রীয়ভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে ধারণ করা হতে থাকে। এ সময় ধর্মনিরপেক্ষতা পরিহার করা এবং এই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে বাক্য সংযোজিত করা এবং আরো পরে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয়। তবে পরবর্তীকালে যদিও অতি সম্প্রতি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ১৯৭২-এর সংবিধানে ফিরে আসার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তথাপি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ‘জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র’ পুনঃস্থাপিত হওয়া সত্তে¡ও রাষ্ট্রধর্ম এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় বাণী সংবিধানে বহাল আছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নতি, দেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য তার সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ এবং সংখ্যালঘুদের প্রতি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা অন্যায় ও বৈমষ্যমূলক আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে এ সম্পর্কে দীর্ঘদিনের প্রশ্নটি গবেষণার জন্য এখন প্রাসঙ্গিক, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগসমূহ কি দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ ও নিপীড়ন বন্ধ করে তাদের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে?’ প্রশ্নটি খুবই প্রাসঙ্গিক, যদিও ধর্মীয় এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের ন্যায়বিচার সম্পর্কিত বিষয়টি কদাচিত আলোচিত হয়ে থাকে।

২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা তদন্ত বা প্রতিরোধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হচ্ছে। প্রায় সব স্থানেই এই অবস্থা বিরাজ করছে। তবে আরো সাম্প্রতিককালের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘুদের প্রতি ধর্মীয়, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ব্যক্তিগত আক্রোশের ভিত্তিতে পরিচালিত যে কোনো হুমকি ও হামলার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ ছাড়া পুলিশ প্রশাসনও বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। যদিও সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় উপাসনালয়, বাস্তুভিটা, কৃষিজমি, সংখ্যালঘু নারী ও শিশুদের ওপর হামলা প্রভৃতি অব্যাহতভাবেই চলছে।

১৯৬৫ সাল থেকে চলে আসা এ দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি সমস্যা হচ্ছে ‘অর্পিত সম্পত্তি আইন’। যা ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তৎকালীন সেনা শাসক আইয়ুব খান কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের অধীনতা থেকে মুক্ত হওয়ার পরও এটি ‘পরিত্যক্ত’ ও সবশেষে ‘অর্পিত সম্পত্তি’ নামে পরিচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আইন বাতিল করেছেন। সরকার অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০১১ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়িত হওয়ার বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে।

বাংলাদেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত তার গবেষণায় দেখিয়েছেন ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত হিন্দু ধর্মাবলম্বী ১২ লাখ পরিবার বা ৬০ লাখ মানুষ ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের দ্বারা অসাংবিধানিকভাবে আক্রান্ত হয়ে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এ সব হিন্দুর ২৬ লাখ একর জায়গাজমি ঝামেলার মধ্যে পড়েছে।

নরওয়ে ভিত্তিক ইন্টারনাল ডিসপ্লেসড মনিটরিং সেন্টার ২০০৬ সালের মার্চ মাসে প্রকাশ করেছে ‘বাংলাদেশ : মাইনরিটিজ ইনক্রিজিংলি অ্যাট রিস্ক অব ডিসপ্লেসমেন্ট’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হচ্ছে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ১৯৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও অভ্যুদয় লাখ লাখ অমুসলিম জনগোষ্ঠীর মূলোৎপাটন করে পরস্পর থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছে।

জাতিগত সংখ্যালঘুদের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অবদান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সামরিক শাসক আইয়ুব খান কর্তৃক কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণ এবং জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্তৃক পাহাড়ে বংশানুক্রমিকভাবে বসবাসকারী জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জায়গাজমিতে সমতলের মানুষদের বসতি করে দেয়ার কারণে দেশত্যাগ করে পাশর্^বর্র্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীরা এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে তাদের জন্মস্থানে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে।

লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত মো. আশরাফুজ্জামানের (২০১৪) গবেষণা ‘দ্য ট্র্যাজেডি অব দ্য চিটাগাং হিল ট্রাক্টস ইন বাংলাদেশ : ল্যান্ড রাইটস অব ইনডিজিনিয়াস পিপল্’-এ বলা হচ্ছে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জনগোষ্ঠী আদিমতা বা পশ্চাৎপদতার নামে বিগত ২০০ বছর ধরে তাদের ভ‚মি অধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছেন।’ এই গবেষক তার গবেষণায় দেখিয়েছেন যে বিদ্যমান ভ‚মিনীতি জাতিগত সংখ্যালঘুদের পক্ষে নয়। এ ছাড়া জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে, বিগত কয়েক বছরে কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তবে অতি সম্প্রতি তথ্যানুযায়ী, বিগত বছরগুলোর মতো পুনরায় সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন, হামলা, হুমকি, বলপূর্বক জমি দখল এ সব পুরোমাত্রায় অব্যাহত আছে। ফলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। অধ্যাপক আবুল বারাকাত তার ‘দ্য পলিটিক্যাল ইকোনোমি অব রিফর্মিং এগ্রিকালচার-ল্যান্ড-সোয়াম্প ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা গ্রন্থে বলছেন, ১৯৬৫ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি বছর ২ লাখ ৩০ হাজার ৬১২ জন দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তার মতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই অথবা তিন দশকে এ দেশ সংখ্যালঘু শূন্য হয়ে পড়বে।

জন স্টুয়ার্ট মিল তার ‘অন লিবার্টি’ শীর্ষক ধ্রুপদী গ্রন্থে প্রাচীনকালের স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্তৃত্বের তুলনায় অধিকতর উত্তম সরকার হিসেবে গণতন্ত্রায়নের ফলশ্রুতি সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এ ক্ষেত্রে তার উদ্বেগের মূল জায়গাটি ছিল ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বৈরাচার’। যা ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনৈতিক স্বৈরাচার’ এবং ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের সামাজিক স্বৈরাচার’ এই দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান হামলা স্বৈরাচারী ও সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ফলশ্রুতি। যা ‘রাজনৈতিক স্বৈরাচার’ এবং ‘সামাজিক স্বৈরাচার’ উভয় পর্যায়েই পড়ে। আর এই চরম স্বৈরাচারী মানসিকতাই দেশে সাম্প্রদায়িকতা টিকিয়ে রাখছে, গণতন্ত্র সংহত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করছে এবং সর্বোপরি ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর পরিচালিত নিপীড়ন নির্যাতন দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আর তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সদিচ্ছা সফল করার জন্য প্রয়োজন সংবিধানের অনুচ্ছেদ নং ২৭ অনুযায়ী ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন করা এবং ‘সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠা করা।

শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71