মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৯শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
সংখ্যালঘু গৃহবধুকে নির্যাতন মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল
প্রকাশ: ১০:২০ am ২৩-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:২৪ am ২৩-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গৃহবধুকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের পর ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। 

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক প্রবীর রায় আদালতে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ১০, ৯(৪) খ ও ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৬ ধারায় পৃথক দু’টি অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, গত বছরের ১৩ অক্টোবর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চুপড়িয়া গ্রামের দলিত জনগোষ্ঠীর এক গৃহবধু বাড়ির পাশে বাগানে ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা দু’জন তার মুখের মধ্যে কাপড় ঢুকিয়ে তার পরিহিত কাপড় ছিঁড়ে দু’হাত পিঠ মোড়া দিয়ে ও দু’পা মেহগনি গাছের সঙ্গে বেঁধে ধর্ষনের চেষ্টা করে। পরে তার সামাজিক সম্মান নষ্ট করার জন্য মাথার চুল কেটে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী বাদি হয়ে দেলোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা দু’জনের নামে রাতেই মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দেলোযারকে গ্রেফতার করায় তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নির্যাতিতার স্বামীসহ তার তিন ভাই নিরাপত্তাহীনতার কারণে গ্রাম ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে পুলিশ, আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের আশ্বাসে তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। এরপরও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি ধামকি অব্যহত থাকে। একপর্যায়ে দেলায়ার হোসেনের নামে আদালতে বুধবার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। 

ঘটনার নেপথ্যে ইন্ধনদাতা জামায়াত কাডার একাধিক নাশকতা মামলার আসামী আবুল কালামকে পুলিশ দু’টি মামলায় গ্রেফতার করায় সে আরো মরিয়া হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, পহেলা এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে নির্যাতিতা ওই গৃহবধু, তার শিশু সন্তান, শালিকা ও তার সন্তানকে নিয়ে ইটভাটায় কাজ করতে যাওয়া মেঝ ভাসুরের ঘরের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। ওই বসতঘরের গ্রীলের বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে ওই বসতঘর সংলগ্ন রান্না ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তাদেরকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তাদের চারটি পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে এলাকা ছাড়া অন্যত্র বসবাস করলেও প্রশাসনিক বা স্থানীয়ভাবে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি ঘর জ্বালানো মামলা করতে গেলেও নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।


বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71