বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
সরকারের কৌশল বোঝার চেষ্টা করছে বিএনপি
প্রকাশ: ০৬:৩১ am ০৩-০৩-২০১৫ হালনাগাদ: ০৬:৩১ am ০৩-০৩-২০১৫
 
 
 


খালেদা জিয়াকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমন আশঙ্কা অনেক দিন ধরেই করছিল বিএনপি। তবে, হঠাৎ করে গতকাল বুধবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পেছনে সরকারের নতুন কোনো কৌশল আছে কি না, তা বুঝতে চাইছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা।


বিএনপির নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এমন একজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নেপথ্যে সরকারের কী রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে, তা বুঝতে চাইছেন। তিনি বলেন, আগামী ২ মার্চ ভারতের পররাষ্ট্রসচিব জয়শঙ্কর ঢাকা সফরে আসছেন। তার আগেই খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা বা তাঁকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত করাটাও সরকারের আরেক কৌশল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয় সূত্র জানায়, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবরে খালেদা জিয়াকে তৎক্ষণাৎ জানানো হয়। এ সময় তাঁকে ‘ভাবলেশহীন’ দেখা গেছে। তবে, দলীয়প্রধান গ্রেপ্তার হলে তাঁর অবর্তমানে বিএনপির নেতৃত্ব এবং চলমান আন্দোলনের কর্মকৌশল কী হবে, তা নিয়ে ওই কার্যালয়ে থাকা দলের দুজন নেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে মুঠোফোনে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিছু নেতার সঙ্গে খালেদা জিয়া নিজে এবং বাকিদের সঙ্গে দলের দুজন জ্যেষ্ঠ নেতা কথা বলেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন, খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের কথা অনেক দিন ধরেই বলাবলি হচ্ছিল। তিনি কোর্টে যেতে পারেননি বলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো। আইনজীবীরা মনে করছেন, এটা ন্যয়সঙ্গত হয়নি।


জোটের পক্ষে বিবৃতি: এদিকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার ‘বিচারিক নৈরাজ্য’ সৃষ্টির মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে বিরোধী দল ও মতকে দমনের হাতিয়ারে পরিণত করেছে। এরই অংশ হিসেবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতকাল রাতে জোটের পক্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের যেকোনো পদক্ষেপ সরকারের পতনকেই ত্বরান্বিত করবে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ইতিপূর্বে আদালতে যাওয়ার পথে সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহায়তায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলা চালায়। সেই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।


পিলখানায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা: গতকাল বেলা ১১টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে দলের ১৫-২০ জন নেতা বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিয়ে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ‘শহীদদের’ কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর প্রমুখ।
২০ দলের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৯ সালের এই দিনে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর নির্লিপ্ততার কারণে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছিল।
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71