রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
রবিবার, ২রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
সাগড়দাড়ীতে মধুমেলা শুরু 
প্রকাশ: ০৯:৫৮ pm ২২-০১-২০১৯ হালনাগাদ: ০৯:৫৮ pm ২২-০১-২০১৯
 
 
 


যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদপাড়ে আজ শুরু হচ্ছে মধুমেলা। বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ মেলার জন্য সম্পন্ন হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।

২৫ জানুয়ারি মধুকবির জন্মদিনে প্রতি বছর সাগরদাঁড়িতে মেলা বসে এবং চলে সপ্তাহজুড়ে। এবার এসএসসি পরীক্ষার কারণে তিনদিন আগেই এ মেলা শুরু হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় মেলার আয়োজন করছে যশোর জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য প্রধান অতিথি হিসেবে মেলা উদ্বোধন করবেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন, কাজী নাবিল আহমেদ, রণজিৎ কুমার রায়, ইসমাত আরা সাদেক, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার মঈনুল হক প্রমুখ।

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মেছিলেন কবি। তাঁর স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকারী উদ্যোগে বাড়ি সংরক্ষণ করা হয়েছে, নাম দেয়া হয়েছে মধুপল্লী। যশোর শহর থেকে কবিবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। নানান প্রাচীন স্থাপনা আর কবির স্মৃতিতে সমৃদ্ধ মাইকেল মধুসূদ দত্তের বাড়ি। কুটিরের আদলে তৈরি প্রধান ফটক পেরিয়ে প্রবেশ করতে হয় মধুপল্লীতে। সামনেই কবির আবক্ষ মূর্তি। ভেতরে কবির বসতবাড়ি এখন জাদুঘর। ১৯৬৫ সালে ২৬ অক্টোবর সরকার বাড়িটি পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে।

মধুসূদনের পরিবারের ব্যবহার্য কিছু আসবাবপত্র আর নানান স্মৃতিচিহৃ নিয়ে এ বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মধুসূদন জাদুঘর। চারপাশ প্রাচীরে ঘেরা, ভেতরে বাড়ির পশ্চিম পাশে আছে দিঘি। দিঘির ঘাটে কবি স্নান করতেন, যা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

১৮৩০ সালে সাগরদাঁড়ি ছেড়ে কলকাতার খিদিরপুর চলে যান মধুসূদন। কলকাতায় থাকলেও কবির মন পড়ে থাকতো সাগড়দাঁড়িতে। মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে একবার কবি স্ত্রী-পুত্র কন্যাকে নিয়ে নদী পথে বজরায় করে বেড়াতে আসেন সাগরদাঁড়িতে।

জানা যায় ১৮৬২ সালে কবি যখন সপরিবারে সাগরদাঁড়ীতে এসেছিলেন তখন ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে জ্ঞাতিরা তাঁকে বাড়িতে উঠতে দেয়নি। তিনি কপোতাক্ষ নদের তীরে একটি কাঠবাদাম গাছের তলায় তাঁবু খাটিয়ে ১৪ দিন অবস্থান করেন। বিফল মনে কপোতাক্ষের তীর ধরে হেঁটে বিদায়ঘাট হতে কলকাতার উদ্দেশে বজরায় উঠেছিলেন। এর পর তিনি আর দেশে ফেরেননি।

নি এম/অরুন

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71