বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১
বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ ১৪২৮
সর্বশেষ
 
 
সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত এক বর্ণ বিদ্ধেষীর লেখার প্রতিবাদ!
প্রকাশ: ১১:৪৫ pm ১৪-০৪-২০২১ হালনাগাদ: ১১:৪৬ pm ১৪-০৪-২০২১
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


৯ এপ্রিল ২০২১, সমগ্র মতুয়া বিশ্ব শ্রীশ্রীহরিচাঁদ ঠাকুরের ২১০ তম আবির্ভাব তিথি পালনে ব্যস্ত, সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত সে সময় মতুয়াদের হৃদপিণ্ড বরাবর ছুরি চালিয়ে দিলেন। তার লেখার শিরোনাম " মোদি মতুয়া ও পশ্চিমবঙ্গে ভোট।" লেখার শিরোনাম থেকে এ কথা অনায়াসে বলা যায় লেখাটি পশ্চিমবঙ্গের কোনো পত্রিকায় প্রকাশের বিষয়। লেখাটি বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশ করে তিনি বাংলাদেশের মতুয়াদের নিশানা করেছেন। তার লেখায় মতুয়াদের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন, কেবলমাত্র তার জবাব দেওয়াকে আমরা নৈতিক দায়িত্ব মনে করি।

মতুয়াদের বিরুদ্ধে লেখকের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ ভেঙ্গে বিজেপি একটি "মতুয়া রাজ্য" করে দেবে। এ রকম কোনো দাবী মতুয়ারা করেছে বলে কেউ বলতে পারবে না। মতুয়ানেতা ব্যারিস্টার পি আর ঠাকুর, মুকুন্দবিহারী মল্লিক ও যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল ১৯৪৭ সালেও বাংলা ভাগ চায়নি, তাঁরা অবিভক্ত বাংলার পক্ষে ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলা ভাগ হলে ব্যারিস্টার ঠাকুর পশ্চিমবঙ্গে চলে যান এবং যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও মুকুন্দবিহারী মল্লিক পূর্ববঙ্গে থেকে যান। সকলেই জানেন নিম্নবর্গের মানুষ বাংলার ভূমি সন্তান এবং মাতৃভূমিকে তারা মাতৃজ্ঞান করে। সে বোধ থেকেই ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাগের পরে নিম্নবর্ণের মানুষ মাতৃভূমি ছাড়তে রাজী হয়নি। মানুষগুলো আজো শত নির্যাতন সহ্য করে মাতৃভূমিতে টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করে এবং শেষ পর্যন্ত নিতান্ত অপরাগ হয়ে দেশান্তরিত হয়। বিগত ৭৪ বছর ধরে দেশান্তরিত মানুষগুলো পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের নানা প্রান্তে ১৬৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় পেয়েছে। এখন তাদের একমাত্র দাবী হচ্ছে ভারতের নাগরিকত্ব - কোনো বিচ্ছিন্নবাদী চিন্তা আজো তাদের বিবেচনায় আসেনি।

প্রশ্ন আসে তাহলে মমতা ব্যানার্জি, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস বাংলা ভাগ করার বিরুদ্ধে হুমকি দিলেন কেনো? আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি এ হুমকি আসলে গোর্খাল্যাণ্ড, গ্রেটার কোচবিহার ও কামতাপুরী রাজ্য গঠনের বিরুদ্ধে। লেখক আসলে উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চড়িয়েছেন।

লেখক উল্লেখ করেছেন, "যোগেনবাবু ১৯৪৭ সালে মুহম্মদ আলী জিন্নাহর মন্ত্রীসভার সদস্য হন। যোগেন মণ্ডল দাবী তুলেছিলেন নমঃশূদ্রদের জন্য পৃথক রাজ্য গঠনের। এ দাবীতে ক্ষুব্ধ জিন্নাহ তাঁর মন্ত্রীসভা থেকে যেগেন মণ্ডলকে সরিয়ে দেন। ঢাকায় ফিরে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন যোগেন মণ্ডল। পরে চিকিৎসার জন্য কলকাতা আসেন।"

যারা সামান্য খোঁজ-খবর রাখেন তারা জানেন লেখকের এই অংশটুকু একেবারেই ভিত্তিহীন। প্রথমত জিন্নাহ মারা যান ১৯৪৮ সালে, আর যোগেন মণ্ডল দেশত্যাগ করেন ১৯৫০ সালের ৮ অক্টোবর। তাছাড়া তখন মণ্ডল অসুস্থ্য ছিলেন না। ১৯৫০ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বিধ্বস্ত সংখ্যালঘু জনপদ সফর করছিলেন। ১৯৫০ সালের ৮ এপ্রিল নেহেরু-লিয়াকত চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তান সরকার সংখ্যালঘুর জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে এবং নিজে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়া সত্তেও কোনো ভূমিকা রাখতে না পেরে ব্যার্থতার গ্লানি নিয়ে দেশত্যাগ করেন।

১৯৪৭ সালের পূর্বাপর যোগেন মণ্ডলের সাথে মুসলিম লীগের সম্পর্ক নিয়ে মণ্ডল নিজে তার পদত্যাগ পত্রে উল্লেখ করেছেন। এখানে শুধু এটুকু উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক হবে যে, মণ্ডল জিন্নাহ বা মুসলিম লীগের কাছে কখনও নমঃশূদ্রদের জন্য রাজ্যের দাবী করেননি, তিনি মূলত নমঃশূদ্রসহ সকল তফসিলির জন্য পৃথক নির্বাচনসহ রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে সর্বস্তরে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের জন্য জোর সওয়াল করেছিলেন।

লেখক অনৈতিহাসিক ভাবে উল্লেখ করেছেন, "বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান নমঃশূদ্রের পরিবর্তে তাদের নামকরণ করেন মতুয়া। আজও তারা 'মতুয়া' নামেই পরিচিত।"

লেখকের এই মন্তব্যের রাজনৈতিক ফলাফল লক্ষ্য করার মতো। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিপক্ষ জিয়াউর রহমান। "মতুয়া" নামটি জিয়াউর রহমানের দেওয়া প্রমাণ করতে পারলে পুরো জনগোষ্ঠীকে বর্তমান সরকারের শত্রু শিবিরে ফেলে দেওয়া যায়। কিন্তু সত্যের কল বাতাসে নড়ে। নমঃশূদ্র হচ্ছে একটা sect, মতুয়া হচ্ছে একটা cult. Cult থেকে cult এর রূপান্তর হয়। বাংলার সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে বৈষ্ণব cult ঊনবিংশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মতুয়া cult এ রূপান্তরিত হয়। সমাজ বিজ্ঞানের যে কোনো ছাত্র জানেন দক্ষিণ এশিয়ার ছয় হাজার জাতের একটির নাম নমঃশূদ্র, আর বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দানাবাধা অন্যতম একটি ধর্মান্দোলনের নাম মতুয়া। শ্রীশ্রীহরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২ - ১৮৭৮) উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই ধর্মান্দোলনের সূচনা করেন। ড. স্বরেচিষ সরকারের দেওয়া তথ্য মতে উনবিংশ শতকের শেষ ভাগে প্রকাশিত অক্ষয়কুমার দত্তের "ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায়" (১৮৭০) গ্রন্থে এই সম্প্রদায় নিয়ে একটি ভুক্তি রচিত হয়। তাছাড়া ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয় মতুয়াদের আকরগ্রন্থ - যেখানে মতুয়া দর্শনের নামকরণ ও উৎপত্তি বিষয়ে যথাযথ তথ্য পাওয়া যায়। জিয়াউর রহমান ক্ষমতার আসার ১২৫ বছর আগেই 'মতুয়া দর্শন' বাঙালি সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।

লেখক হয়তো জানেন না বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তা শ্রীশ্রীহরিচাঁদ-গুরুচাঁদের বর্ণবাদ বিরোধী চেতনায় সমৃদ্ধ ছিলো। ১৯৬০ এর দশকে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাই তিনি মতুয়াধাম ওড়াকান্দিতে গিয়ে মতুয়ামাতা মঞ্জুলিকা ঠাকুরের আশির্বাদ নিয়েছেন এবং সে সময়ে ওড়াকান্দির সাথে ঘনিষ্ঠ চিত্ত গাইন, কালি বিশ্বাস, নিত্য মজুমদার, চিত্ত বিশ্বাস, মুকুন্দলাল সরকার, বীরেন বিশ্বাস, অনিল রায়, দীনবন্ধু দাস, তরণী অধিকারী, তরণী সরকার, কার্তিক ঠাকুর সকলে বঙ্গবন্ধুর অনুসারী হয়ে উঠেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এ যোগাযোগ পারিবারিক পর্যায়ে পৌছেছিলো, তা বোঝা যায়, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের ১৯৭১ সালে ওড়াকান্দিতে রাত্রি যাপন এবং ঠাকুর পরিবারের সহায়তায় নিরাপদে কলকাতায় পৌছানো থেকে। বঙ্গবন্ধু তাঁর "অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে" নমঃশূদ্রদের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতার উল্লেখ করেছেন, বিশেষত এ সমাজ থেকে উঠে আসা চিত্তরঞ্জণ সূতার হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা।

লেখক পশ্চিমবঙ্গ পর্যায়ে লিখেছেন, "এ নমঃশূদ্রদের নেতা হিসাবে উঠে আসেন একজন, তাঁর নাম প্রমথরঞ্জন ঠাকুর (পি আর ঠাকুর)। তিনি বনগাঁ, বাগদা অঞ্চলে মতুয়াদের নিয়ে বিভিন্ন ক্লাব তৈরী করেন। বর্তমানে যাকে বলা হয় মতুয়া মহাসংঘ। পাঁচ দশকে এই পি আর ঠাকুর কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হন এবং বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রীসভায় তাঁকে ডেপুটি মিনিস্টার পদে নিয়োগ করা হয়। বিধান রায়ের মন্ত্রীসভায় উপমন্ত্রী থাকার সময়ে তিনিও যোগেন মণ্ডলের মতো মতুয়াদের জন্য আলাদা রাজ্যের দাবী তোলেন। ক্ষুব্ধ বিধানচন্দ্র তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেন। পূর্বপাকিস্তানের মুসলিম লীগ নেতারা পি আর ঠাকুরকে মদদ দিতে থাকেন পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলন করার জন্য।"

প্রথমত বিধানচন্দ্র রায় মারা যান ১৯৬১ সালে আর পি আর ঠাকুর পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ছিলেন ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত।

দ্বিতীয়ত পি আর ঠাকুরের সাথে মুসলিম লীগ নেতাদের সম্পর্ক এতো তিক্ত পর্যায়ে পৌছেছিলো যে, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্টের পর তারা ঠাকুরের মাথার দাম দশ হাজার টাকা ঘোষণা করে এবং তিনি একটি মিটিং সেরে এক বস্ত্রে কলকাতায় পৌঁছান। সেই পি আর ঠাকুর মুসলিম লীগের মদদে পশ্চিম বাংলায় আন্দোলন করেছিলো - এতো গাঁজাখুরি গল্প। লেখকের বয়ান থেকে মনে হতে পারে কংগ্রেসের টিকেট ভিন্ন পি আর ঠাকুর নির্বাচিত হতে পারতেন না। অথচ সত্য হচ্ছে এই যে ১৯৩৭ এবং ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে পি আর ঠাকুর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ফরিদপুর দক্ষিণ আসন থেকে দু'বারই নির্বাচিত হন। কংগ্রেস বরং তাঁর জনপ্রিয়তা বুঝতে পেরে যোগেন মণ্ডল এবং মুকুন্দবিহারী মল্লিককের রাজনীতি মোকাবেলা করার জন্য পি আর ঠাকুরকে ১৯৪৬ সালে গণপরিষদ তথা সংবিধান সভায় সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করেন এবং কাছে টানেন। লেখক যদি ভারতের সংবিধান মনোযোগ দিয়ে পড়তেন, তাহলে বলতেন না পি আর ঠাকুর পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রদেশ দাবী করেছেন। সে দাবীতো ঠাকুর স্বাধীন ভারতের গণপরিষদে তুলতে পারতেন। হ্যা, পি আর ঠাকুর গণপরিষদে দাবী তুলেছিলেন, তবে শুধু মতুয়াদের জন্য নয়, সে সময়ের হিসাবে ভারতের আট কোটি তফসিলিদের জন্য সংখ্যানুপাতে প্রতিনিধিত্বের দাবী তুলেছিলেন।। লেখক যদি কষ্ট করে গণপরিষদের প্রসিডিং পড়েন, মতুয়ারা বড় কৃতার্থ হবে।

নমঃশূদ্রদের পেশা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। এ বিষয়ে আমরা নির্দাধায় বলতে পারি কায়িক পেশাকে আমরা ছোট মনে করিনা, বরং মনে করি কায়িক পেশার প্রতি ঘৃণার মনোভাব ভারতীয় সমাজব্যবস্থায় বর্ণবাদের উদ্ভব ও বিকাশে গুরুত্বেূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাবতে অবাক লাগে কলকাতায় বসে আজো সুরঞ্জণ দাশগুপ্ত সেই আদিম চিন্তায় তাড়িত হয়েছেন।

'মতুয়া' নামকরণের মতো মতুয়া মহাসংঘের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে লেখকের মন্তব্য অজ্ঞতা প্রসূত এবং তাচ্ছিল্যপূর্ণ। মতুয়া ইতিহাস বলছে শ্রীশ্রীগুরুচাঁদ ঠাকুর ১৯৩২ সালে "শ্রীশ্রীহরি-গুরুচাঁদ মিশন" প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৭ সালে তাঁর মহাপ্রয়াণের পর পি আর ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া মহাসংঘ জন্মলাভ করে। ১৯৪৭ সালে দেশত্যাগের পর পি আর ঠাকুর কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে ও অনুসারীদের সহায়তা নিয়ে দ্বিতীয় মতুয়াধাম ঠাকুরনগর প্রতিষ্ঠা করেন এবং সারা ভারতে মতুয়া দর্শন প্রচার ও প্রসারে নেতৃত্ব দেন।

পি আর ঠাকুর ছিলেন সৎ, নির্ভিক, সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ ও সদালাপী ব্যাক্তিত্বের অধিকারী। বিধানচন্দ্র রায় তাকে মন্ত্রীসভা থেকে বরখাস্ত করার কথা স্বপ্নেও ভাবেননি। এখানে আবার উল্লেখ করছি ১৯৬১ সালে বিধানচন্দ্র রায় মারা যান এবং তারপরেও পি আর ঠাকুর মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৬৪ সালে পূর্ব বাংলার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায় পশ্চিম বাংলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হতে পারে এই আশংকায় উদ্বাস্তু অঞ্চলে পিটুনি পুলিশ বসালে এবং উদ্বাস্তু নেতা যোগেন মণ্ডল গ্রেপ্তার হলে পি আর ঠাকুর মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

লেখক মতুয়া মহাসংঘের সদর দপ্তর হিসাবে ওয়াশিংটনের উল্লেখ করেছেন। আসলে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার ওড়াকান্দি এবং ভারতের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার ঠাকুরনগর মতুয়াদের প্রধান দু'টি ধাম - এই মুহুর্তে দু'টি ধামেই পূর্ণ্যস্নান চলছে। লেখক গরু চোরাকারবারীসহ নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন - যার জবাব দিতে আমাদের রুচিতে বাধে।

জাতপাত বিলোপ ও মানুষেতে নিষ্ঠার মহান মতুয়া আদর্শকে লেখক এই লেখাটিতে যেভাবে কটাক্ষ করেছেন তাতে বরং তাঁর ব্রাহ্মণ্যবাদী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আর্থসামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া মতুয়া জনগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় করার এই হীন মানসিকতাকে ধিক্কার জানাই।

এ্যাড. উৎপল বিশ্বাস

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2021 Eibela.Com
Developed by: coder71