মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
মঙ্গলবার, ১লা কার্তিক ১৪২৫
 
 
সুভাষের-অন্তর্ধান,-বাড়ছে-ধোঁয়াশা
প্রকাশ: ১১:১০ am ০১-০৫-২০১৫ হালনাগাদ: ১১:১০ am ০১-০৫-২০১৫
 
 
 


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তখন। গোটা ইউরোপ জুড়ে হিটলারের নেতৃত্বে নাজি বাহিনী ইহুদি নিধন অভিযান চালিয়েছিল। নাজি অধিকৃত হাঙ্গেরি’তে কূটনীতিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন রাউল ওয়ালেনবার্গ। তিনি একক প্রচেষ্টায় প্রায় এক লাখের মতো হাঙ্গেরীয় ইহুদি’কে বাঁচিয়েছিলেন। নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলেন ওদের। ১৯৪৫’র ১৭ জানুয়ারি রাশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যেরা কড়া প্রহরার মধ্যে রাউল ওয়ালেনবার্গ’কে নিয়ে চলে যায়। তাঁর আর খোঁজ মেলেনি। যুদ্ধ এক সময় থেমে গিয়েছিল। রাউল ওয়ালেনবার্গ’এর অন্তর্ধান রহস্যের জট কিন্তু আজও খুলেনি। সোভিয়েত সরকার অবশ্য একবার জানিয়েছিল ১৯৪৭’এ হৃদরোগে রাউল ওয়ালেনবার্গ’এর মৃত্যু হয়েছে। সুইডিশ সরকার এবং সেদেশের জনগণ সোভিয়েত সরকারের বিবৃতিকে অসত্য বলে খারিজ করে দেয়।এ বিষয়ে শুধু সুইডেন একাকী নয়; পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং অ্যামেরিকারও একই অভিমত। ২০০১’র ১২ জানুয়ারি ওয়াশিংটন পোষ্ট পত্রিকার প্রতিবেদক জানিয়েছিল, রাউল ওয়ালেনবার্গ’কে সি আই’র এজেন্ট বলে সোভিয়েতরা সন্দেহ করেছিল। তাই তাঁকে ওরা মস্কোতে নিয়ে গিয়েছিল।
রাউল ওয়ালেনবার্গ’এর মতোই আমাদের দেশের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্যেরও কোনও সমাধান হয় নি। ১৯৪৫’এর ১৮ আগস্টে ফরমোসা’র তাইহোকু’তে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ চন্দ্র বসু’র মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও এ বিষয়ে আনুষঙ্গিক বিভিন্ন ঘটনার পারম্পর্য কিন্তু আমাদের সন্দেহকে আরও গাঢ় করে তুলেছে। বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর নিহত হওয়ার সংবাদকে অনেকেই মনে করছেন সাজানো ‘তত্ব’! তথাকথিত বিমান দুর্ঘটনার পরেও নাকি সুভাষ চন্দ্র বসু’কে মস্কোতে দেখা গিয়েছিল। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনা এবং সেই দুর্ঘটনায় তাঁর নিহত হওয়ার কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ মেলেনি। ঘটনার গতিপ্রকৃতি বরং ইঙ্গিত দেয় তাঁর অন্তর্ধানের পেছনে রাশিয়ানদের একটা জবরদস্ত ভূমিকা রয়েছে।
তাইহোকু’তে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ চন্দ্র বসুর নিহত হওয়ার সংবাদকে সরাসরি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে জাস্টিস মুখার্জি কমিশন অফ ইনকোয়ারি। ২০০৬’এ এই কমিশনের রিপোর্টে জানা যায়, তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার মিথ্যে খবর আসলে জাপানিরাই ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়েছিল। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত জাপানের সৈন্য বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল কাউন্ট হিসাইচি তেরাউচি জানতেন, মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের পরে জাপানি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সুভাষ চন্দ্র বসু আর নিরাপদে থাকতে পারবেন না। অনিবার্যভাবে অ্যাংলো-অ্যামেরিকান মিত্র বাহিনী তাঁকে গ্রেপ্তার করবে এবং যুদ্ধ অপরাধী হিসেবে তাঁকে চরম শাস্তি দেবে। মিত্র বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার আগেই তাই তাঁকে রাজনৈতিক সুরক্ষার জন্য সোভিয়েত রাশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার সংবাদ প্রচারিত হওয়ার সময় সম্ভবত তিনি রাশিয়ায় চলে গিয়েছিলেন।
উত্তরপ্রদেশে সেই রহস্যময় গুমনামি বাবা আসলে সুভাষ চন্দ্র বসু কিনা – সে বিষয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। ষাট দশকে অনেকেই ভেবেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মৌন সন্যাসী গুমনামিবাবা আসলে সুভাষ চন্দ্র বসুই। অনেকের ধারণা রাশিয়া থেকে দেশে ফিরে তিনি উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদে ‘বাবা’র ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৫’তে গুমনামি বাবার মৃত্যু হয়। তবে অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী এবং ইতিহাসবেত্তাদের অভিমত, সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধানের পেছনে রাশিয়ানদের ভূমিকা সন্দেহাতীত। সে দিক থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দাসংস্থা পরিকল্পিতভাবে গুমনামি সাধু বাবার কথা প্রচার করেছে।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার সরকারও বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ চন্দ্র বসুর নিহত হওয়ার বিষয়ে এখন তেমন আর কিছু বলছে না। বেশ কয়েকজন পণ্ডিতমনস্ক রাশিয়ান বরং এই ঘটনার পুনর্তদন্ত চাইছেন।ভারত বিশেষজ্ঞ টি এফ দেভায়েতকিনা ১৯৮৯ সালে সোশ্যাল অ্যান্ড পলি্টিক্যাল ভিউজ পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে লিখেছিলেন, ১৯৫৪’এ বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে এমন তত্ব বিশ্বাস না করার কিন্তু যথেষ্ট কারণ আছে। সুভাষ চন্দ্র বসু যে জীবিত – একথা মেনে নিয়েছিলেন ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার প্রাক্তন অধিকর্তা মেজর টয়। ১৯৪৬’এর ১৫ জানুয়ারিতে তিনি একটি লেখায় মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ তিনি যে রাশিয়ায় অবস্থান করছেন সে কথা জানিয়ে সুভাষ চন্দ্র বসু ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুকে চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি ভারতে ফিরে আসার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী এবং শরৎ বসু এই চিঠির কথা জানতেন।
আসলে জাপান আর জার্মানির পরাজয়ের পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক রাজনীতির অবস্থা কী হতে চলেছে সে কথা সুভাষ চন্দ্র বসুর মতো বিচক্ষণ নেতার আগাম বুঝে নিতে অসুবিধা হয়নি। তিনি জানতেন অ্যাংলো-অ্যামেরিকান মিত্রশক্তির সঙ্গে কম্যুনিস্ট রাশিয়ার সম্পর্ক অচিরেই ভাঙ্গবে। ১৯৪৫ থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমী দুনিয়ার শীতযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুভাষ চন্দ্র বসু রাশিয়াকেও পাশে পেতে আগ্রহী ছিলেন। ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার বিষয়টি ব্রিটিশদের অজানা ছিল না। ব্রিটিশরা জানতো ভারতের স্বাধীনতার জন্য সুভাষ চন্দ্র বসু যে কোনও দেশের সমর্থন পেতে মরীয়া হয়ে উঠেছিলেন।
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন আজাদ হিন্দ ফৌজের ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। গান্ধীজী অবশ্য একবার মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘সুভাষ চন্দ্র বসুর সাহস এবং দেশপ্রেমের প্রশংসা করি। কিন্তু আমি তাঁর মতাদর্শে বিশ্বাসী নই। সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে ভারতের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়।’’ তবে মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব থাকা সত্বেও সুভাষ চন্দ্র বসুর দেশপ্রেমের বিষয়ে অহিংসা আন্দোলনে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী নেতারা নি:সন্দিহান ছিলেন। আবার এ কথাও ঠিক, দেশবাসীর মধ্যে তাঁর তুমুল জনপ্রিয়তা
কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী জাতীয়তাবাদী নেতার কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এইসব জাতীয়তাবাদী নেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আবার সুভাষ চন্দ্র বসুর গতিবিধি জানতে যথেষ্ট কৌতূহলী হয়ে উঠেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সায়াদিয়ান্ত নামে একজন রাশিয়ান বোম্বেতে সোভিয়েত সাহিত্য এবং পত্রপত্রিকা বিক্রি করতেন। তিনি আসলে ছিলেন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট। ১৯৪৬’এর আগস্টে তিনি পাততাড়ি গুটিয়ে মস্কোতে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। ওই সময়ে খোদ জহরলাল নেহেরু বোম্বে এসে সায়াদিয়ান্ত’এর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁর হাতে তুলে দেন স্ট্যালিনের উদ্দেশ্যে লেখা একটি চিঠি। সায়াদিয়ান্তের হাতে তুলে দেওয়া স্ট্যালিনের উদ্দেশ্যে লেখা জহরলাল নেহেরুর সেই গোপন চিঠির বিষয়বস্তু কী ছিল আজও তা জানা যায় নি। নতুন এক তথ্যে সম্প্রতি আরও একটি চিত্তাকর্ষক ঘটনার কথা জানা গেছে। সায়াদিয়ান্ত আর নেহেরুর সাক্ষাতকারের পর প্রায় দশ বছর কেটে গিয়েছিল। ১৯৫৭’র ২৬ নভেম্বর জহরলাল নেহেরু বিদেশ সচিব সুবিমল দত্তকে একটি চিঠি লিখেন। ওই সুবিমল দত্তের কাছে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, সুভাষ চন্দ্র বসুর ভাইপো অমিয় নাথ বসুর টোকিও ভ্রমণের উদ্দেশ্য কি! সেই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “Just before I left for Japan, I heard that Shri Amiya Bose, son of Shri Sarat Chandra Bose [Subhas Chandra Bose’s brother], had reached Tokyo. He had previously, when I was in India, informed me that he was going there. I should like you to write to our Ambassador at Tokyo to find out from him what Shri Amiya Bose did in Tokyo. Did he go to our Embassy? Did he visit this Renkoji Temple?” উল্লেখ্য, (সরকারি ভাষ্যমতে) বিমান দুর্ঘটনায় মৃত সুভাষ চন্দ্র বসুর ভস্মাবশেষ রেনকোজি মন্দিরে রাখা আছে। মন্দিরের সামনে রয়েছে তাঁর আবক্ষ মূর্তি।
১৯৯৩’এ কম্যুনিস্ট সরকারের পতনের পর মস্কো’র নতুন কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার বিভিন্ন মহাফেজখানায় নথিভুক্ত সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত প্রাথমিক তথ্যাদি প্রকাশের উদ্যোগ নেয়। এই তথ্য প্রকাশিত হয় মস্কো’র ইন্সটিটিউট অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ’এর এশিয়া অ্যান্ড অ্যাফ্রিকা টুডে পত্রিকায়। এ কথা জানতে পেরে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমহা রাও তড়িঘড়ি মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিক রনেন সেন’কে ডেকে পাঠান। সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত গোপন তথ্যাদি যাতে এশিয়া অ্যান্ড অ্যাফ্রিকা টুডে পত্রিকায় প্রকাশিত না হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করার জন্য রনেন সেন’কে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেন’এর যথাসাধ্য চেষ্টা কার্যত বিফলে যায়। ইন্সটিটিউট অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যাদি এশিয়া অ্যান্ড অ্যাফ্রিকা টুডে পত্রিকায় প্রকাশ করে এবং সংকলিত বিভিন্ন লেখা থেকে এই ধারণা আরও দৃঢ় হয়ে উঠে যে, কম্যুনিস্ট রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা কে জি বি’র কাছে গচ্ছিত রয়েছে সুভাষ চন্দ্র বসু’র অন্তর্ধান সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য। এর মধ্যে আরও একটি ঘটনা ঘটে। সুভাষ চন্দ্র বসু’র অন্তর্ধানের বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহের জন্য কমিশন অব ইনকোয়ারি’র সদস্য হিসেবে জাস্টিস এম কে মুখার্জি মস্কো সফরে গিয়েছিলেন। তখন রাশিয়ার প্রভাবশালী সংবাদপত্র মস্কোভস্কি নোভস্তি তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রশ্ন তুলেছিল, ‘‘নতুন কি তথ্য নিয়ে কমিশন ভারতে ফিরবে – সুভাষ চন্দ্র বসু কি দুর্ঘটনা না এন কে ভি ডি’র শিকার?’’ উল্লেখ্য, রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা এন কে ভি ডি পরবর্তীকালে কে জি বি নামে পরিচিত হয়। মুখার্জি কমিশন যথাসময়ে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করলেও এ দেশের সরকার তা সম্পূর্ণভাবে মেনে নেয় নি। সুভাষ চন্দ্র বসু’র অন্তর্ধান আজও তাই রহস্যাবৃতই রয়ে গেল! এই রহস্য উন্মোচনের বিষয়ে সংসদেও কম হইচই হয় নি। ২০১৪’র ১৭ ডিসেম্বরে সংসদীয় অধিবেশন চলাকালীন এক লিখিত প্রশ্নোত্তরে মন্ত্রী হরিভাই পার্থিভাই চৌধুরী জানান যে সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত ফাইলগুলি প্রকাশ্যে বাঞ্ছনীয় নয়। কেননা এর ফলে ‘‘অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ হতে পারে।’’ এর মধ্যে ঘটেছে চমকে দেওয়ার মতো আরও কিছু ঘটনা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার(১২ এপ্রিল,২০১৫) সূত্রে জানা গেছে সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত চারটি ফাইলের কোনও হদিশ নেই।আর ৬ মার্চ, ১৯৭২’এ খোসলা কমিশনের তদন্তের সময় ধ্বংস করা হয় সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান বিষয়ক ফাইল, নম্বর ১২(২১৬/৫৬-পিএম)।
জনগণ আসলে জানতে চায় কি এমন বাধ্যবাধকতা রয়েছে যার ফলে ভারত কিম্বা রাশিয়া সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলতে চাইছে না। মৃত্যুর কারণ কিম্বা দিনক্ষণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সুইডিশ কূটনীতিক রাউল ওয়ালেনবার্গ’এর অন্তরিন বিষয়টি কিন্তু রাশিয়ার সরকার শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল। সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান বিষয়ক ধোঁয়াশা কবে দূর হবে!
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71