শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
সৈয়দপুরে উপনির্বাচনে ত্রিমুখি লড়াইয়ের আভাস
প্রকাশ: ১১:৩১ am ১৫-০৫-২০১৭ হালনাগাদ: ১১:৩১ am ১৫-০৫-২০১৭
 
 
 


নীলফামারী  প্রতিনিধি : রাত পোহালেই নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ উপনির্বাচনের ভোটযুদ্ধ।

প্রচারণা শেষ হয়েছে রোববার মধ্যরাতে।এখন শুধু অপেক্ষার পালা।দিনটির জন্য অপেক্ষা করছেন প্রায় দুই লাখ মানুষ।নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মধ্যে তুমুল লড়াই হবে বলে আভাস মিলেছে।

বিএনপি প্রার্থী সরকারদলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।অপরদিকে সরকার দলীয় প্রার্থী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উত্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপের বিরুদ্ধে।

১৪ মে তাকে কারণ দর্শনোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম।তবে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হবে এমনটাই মনে করছেন উপজেলার মানুষ।
 

সৈয়দপুর উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি প্রার্থী পর্যায়ক্রমে স্থানীয় ও সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। বর্তমানে জাতীয় পার্টির এমপি শওকত চৌধুরী। আর পৌরসভায় মেয়র বিএনপির অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার।

২৫ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু করেন আ’লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র হিসাবে জামায়াতের প্রার্থী।

চায়ের দোকান থেকে শুরু করে শহরের আড্ডাস্থল পর্যন্ত চলে ভোটের আমেজ। বিশেষ করে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় এবারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বড় দুই দলই।

নির্বাচনী হাওয়ায় আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দিতার আভাস দিচ্ছেন ভোটাররা।কিছুদিন আগে পর্যন্ত নৌকা ও লাঙ্গলকে লড়াই এগিয়ে রাখলেও বিএনপি কার্যালয়ে পৌর মেয়র কর্তৃক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় ধানের শীষকে এখন হিসেবে রাখছেন তারা।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নৌকা প্রতীকে রেল শ্রমিক লীগ নেতা মোখছেদুল মোমিন, বিএনপির হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রভাষক শওকত হায়াত শাহ, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ইলিয়াস হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকে হাফেজ নুরুল হুদা, স্বতন্ত্রপ্রার্থী আবদুল মুনতাকিম প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্র জানায়, উপজেলার ৭১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৯টিকে অতিগুরুত্বপূর্ণ এবং ১২টিকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে।

প্রতি কেন্দ্রে একজন পুলিশ অফিসারের নেতৃত্বে ৪ জন কনস্টেবল এবং ১২ জন আনসারসহ ১৭জন দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া একজন পুলিশ অফিসারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের ১৪টি মোবাইল টিম কাজ করবে ভোটের দিন সার্বক্ষণিক।

এছাড়াও ৪ প্লাটুন বিজিবি এবং র‌্যাবের ৪টি টিম কাজ করবে একই সময়।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জিলহাজ উদ্দিন জানান, ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১টি পৌরসভা নিয়ে সৈয়দপুর উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১লাখ ৮১ হাজার ৫০৭ জন।

এরমধ্যে পুরুষ রয়েছেন ৯১ হাজার ৭২ এবং নারী ভোটার রয়েছেন ৯০ হাজার ৪৩৫ জন। ৭১টি ভোট কেন্দ্রের ৪৪০টি ভোট কক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন উপজেলার ভোটাররা।উপ-নির্বাচন হলেও ভোট নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভোটারদের মাঝে।

অবাঙ্গালী ভোটাররা নিশ্চুপ থাকলেও বিগত দিনের মতো তাদের ভোট বিএনপির দিকেই যাবে কিনা তা নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হচ্ছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অবাঙ্গালী ভোটার জানান, আমরা পরিস্থিতি দেখে বুঝে শুনে স্বীদ্ধান্ত নেব।তবে প্রধান তিন দলের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দিতা হওয়ার কথা।

নির্বাচনী প্রচারণায় বাধ্যবাধকতা থাকায় সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কোনো মন্ত্রী, এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে না পারলেও সংসদের বাহিরে থাকা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অংশ নেন ক্যাম্পেইনে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, সৈয়দপুর পৌর এলাকায় বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বসবাস করেন তাদের রায় যেদিকে ঝুঁকবেন সেই প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

প্রসঙ্গত, ১ মার্চ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাওয়াদুল হক সরকার মুত্যুবরণ করায় চেয়ারম্যান পদটি শুণ্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।তিনি সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এইবেলাডটকম/মোমেন/এফএআর
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71