বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
সোনার বাংলা গড়ব, নববর্ষে এটাই প্রতিজ্ঞা: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ০৪:৩৮ pm ১৪-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৫৬ pm ১৪-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দেশে ও দেশের বাইরে সকল বাঙালিকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৪২৫ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন গণভবনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই নতুন বছর আমাদের জন্য শুভ ফল নিয়ে আসুক, “জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলব; এটাই নববর্ষে আমাদের প্রতিজ্ঞা।”

‘শুভ নববর্ষ’ বলে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান সরকার প্রধান। গানে আর আপ্যায়নে উৎসবের আমেজে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।

বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হানতে পারে- তেমন ‘অপশক্তি’ যেন আর কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে না পরে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “আমাদের দেশে কখনো যেন আর এই ধরনের অশুভ শক্তি না আসে, যারা আমাদের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত করবে, ভাষার ওপর আঘাত করবে, সংস্কৃতির ওপর আঘাত করবে, আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের ওপর আঘাত করবে।”

“এই উৎসবটা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একত্রে উদযাপন করে। আসলে বাংলা নববর্ষ বাঙালিদের জন্য। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান- সকলে সমানভাবে এটা উদযাপন করে। পুরনো বছরের সমস্ত হিসাব নিকাশ সম্পন্ন করে নতুনভাবে আবার ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করা, হালখাতা খোলা, নতুনভাবে আবার যাত্রা শুরু করা; এটাই ছিল একটা ঐতিহ্য”

বঙ্গাব্দ ১৪০০ উদযাপনে তখনকার ক্ষমতাসীনদের বাধার ঘটনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৩ সালে বাংলা নতুন শতাব্দীকে বরণ করে নিতে একটি কর্মসূচি ঘোষেণা করা হয়েছিল, কবি সুফিয়া কামালকে প্রধান করে জাতীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। তখন ক্ষমতায় ছিলেন খালেদা জিয়া। তার দল বিএনপি সে সময় ওই আয়োজনে বাধা দেয়, বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে ‘ধর্মীয় আবরণ’ দেওয়ার চেষ্টা করে।

“১৪০০ সালে যে এরকম বাধা আসবে; আমরা তা ভাবতেও পারিনি।… মূল অনুষ্ঠান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হওয়ার কথা, খালেদা জিয়া নির্দেশ দিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমরা ঢুকতে পারব না। বাঙালি তো বাধা মানে না। সকল বাধা উপেক্ষা করে কবি সুফিয়া কামালকে নিয়ে ঢুকে আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ওই উৎসব পালন করেছিলাম।”

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ একটা ভিন্নখানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছিল। এমনকি পরাজিত শক্তি, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দকল করেছিল, তাদের একটা প্রচেষ্টা ছিল, যেন বাংলাদেশ তাদের আদর্শে গড়ে ওঠে।”

রবীন্দ্রনাথের ১৪০০ সাল কবিতাটির কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিএনপির দিকে ইংগিত করে তিনি বলেন, “তারা না বোঝে রবীন্দ্রনাথ, না বোঝে নজরুল ইসলাম। তাদের মনে তো শুধু পেয়ারে পাকিস্তান।”

গত বছর থেকে পহেলা বৈশাখে উৎসব ভাতা চালু করার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশে এখন ‘সকলে’ এই উৎসব উদযাপন করে।

এ অনুষ্ঠানে অতিথিদের আপ্যায়িত করা হয় বাঙালির উৎসবের খাবার জিলাপি, লাড্ডু, খই, মুড়ি, বাতাসা আর মিষ্টান্নে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71