বুধবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯
বুধবার, ৩রা মাঘ ১৪২৫
 
 
স্কুলছাত্রী তামান্না আছে কি মরে গেছে এখন এটাই পরিবারের ভাবনা
প্রকাশ: ০৫:৫৭ pm ২৫-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৫৭ pm ২৫-০৫-২০১৮
 
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
 
 
 
 


পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চর চন্দ্রাইল আমজাদ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনির ছাত্রী তামান্না আক্তার (১২)। সে আছে কি মরে গেছে এখন অভিভাবকের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে তামান্নার বাবা রফিকুল 
ইসলাম জানান, তার মেয়ে গত ১২ দিন আগে অপহরণ হয়। তারপর থেকে তার মেয়ের কোন খোঁজ খবর মিলাতে না পেরে সে আছে কি মারা গেছে এটাই এখন পরিবারের ভাবনা। 

উল্লেখ্য, অপহরণ করেছে এলাকার একদল কুচক্রি মহল। এ ব্যাপারে তামান্নার বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬জনকে আসামী করে গলাচিপা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। যার এমপি মামলা নং ২৪৭/১৮। উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি আমলে নিয়ে তামান্নাকে উদ্ধারের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। মামলা হওয়ার ১৩ দিন পার হয়ে গেলেও তামান্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি। আসামীরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের বাহের গজালিয়ার মোঃ বশির মৃধা, সোহরাব মৃধা, ইব্রাহিম মৃধা, মোঃ আশ্রাফ মাওলানা, মোঃ সাহাবুদ্দিন, মোঃ ছলেমান। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, তামান্না আক্তার স্কুলে আসা-যাওয়া পথে একই এলাকার বশির মৃধা সহ কিছু দুশ্চরিত্র লোক তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করত। গতবছর স্কুলে আসা যাওয়ার পথে তামান্নাকে অপহরণ করে। অপহরণ করলে তামান্নার বাবা বাদী গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে গলাচিপা থানা পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়। সেই মামলা বর্তমানে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে বাদী জানান। 

পহেলা মে শবে বরাতে রাতে তামান্নার বাবা নামাযে গেলে তামান্না ও তার মার বাসায় থাকে। তামান্না মা নামাযরত অবস্থায় আসামীরা তামান্নাকে জোর পূর্বক পুনঃঅপহরন করে। ঐ রাতে তামান্নাকে সোহরাব মৃধার বাড়িতে জোর পূর্বক আটকে রাখা হয়। পরে মামলায় হওয়া তামান্নাকে ঐ বাসা অন্যত্র সরিয়ে দেয়। তামান্না বর্তমানে কোথায় রয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না।

নি এম/সঞ্জিব
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71