বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
হাতে লেখা নোটে দিল্লির ১১ মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়
প্রকাশ: ০২:৩৩ pm ০২-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ০২:৩৩ pm ০২-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দুটি খাতায় পাওয়া একগুচ্ছ হাতে লেখা নোটের সূত্রে দিল্লির বুরারি এলাকার এক পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুর তদন্ত নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ওই নোটগুলোতে এমন কিছু অতীন্দ্রিয় বিশ্বাসের কথা বলা আছে, যা থেকে এ ঘটনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছে পুলিশ।

পুলিশ প্রথমে ঘটনাটিকে গণআত্মহত্যা বলে মনে করেছিল। কিন্তু লাশগুলো যেভাবে ছিল, তাতে পরে ধারণা হয়, পরিবারের এক সদস্য দশজনকে হত্যা করে পরে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। তদন্তকারীরা এখন বলছেন, এর পেছনে তারা কোনো ধরনের অতীন্দ্রিয় বিশ্বাসের ইঙ্গিত পাচ্ছেন।

ওই ১১ জনের মধ্যে ১০ জনকে বাড়ির আঙ্গিনায় লোহার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ, ছয়জন নারী এবং দুজন কিশোর বয়সী।

মৃতদেহগুলোর মুখমণ্ডলে চোখ ও মুখ চারদিক থেকে পেঁচিয়ে ব্যান্ডেজের মত মোড়ানো ছিল। কয়েকটি মৃতদেহের হাত-পাও বাঁধা ছিল।

ওই পরিবারের ৭৭ বছর বয়সী নারায়ণ দেবীকে অন্য একটি ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তদন্তকারীদের ধারণা।

একটি নোটে লেখা ছিল, “মানবদেহ অস্থায়ী। চোখ ও মুখ ঢেকে রাখার মাধ্যমে একজন তার ভয়কে জয় করতে পারে।”

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি কীভাবে ‘পরিত্রাণ লাভ’ করতে পারেন এবং ‘মানবদেহ অস্থায়ী কিন্তু আত্মা সবসময় বেঁচে থাকবে’ এমন সব বিষয় লেখা রয়েছে নোটগুলোতে।

তদন্তকারী এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, “নোটগুলো বলছে, যদি ১১ জনের একটি দল ওই অনুশাসনগুলো অনুসরণ করে, তবে সব সমস্যা সহজ হয়ে যাবে এবং পরিত্রাণ লাভ হবে। কিছু নোট কবে লেখা হয়েছে তার তারিখও দেওয়া আছে।... সবগুলো নোটেই চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যমে শান্তি অর্জনের কথা বলা হয়েছে।”

ওই পরিবারটির সঙ্গে কোনো ধর্মগুরু বা গোপন ধর্মীয় সংগঠনের সম্পর্ক ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) অলোক কুমার পিটিআইকে বলেন, হাত ও পা কীভাবে বাঁধতে হবে- তার বিস্তারিত লেখা ছিল ওই নোটে। আর ১০টি মৃতদেহ যে অবস্থায় পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ওই নোটের বর্ণনা অনেকটাই মিলে যায়।

প্রতিবেশীরা বলেছেন, পরিবারটি ছিল ধর্মভীরু। প্রতিদিন বাড়ির বাইরের একটি বোর্ডে ধর্মীয় ‘শ্লোক’ লিখে রাখত তারা। তবে সন্দেহজনক কিছু কখনও চোখে পড়েনি।

এক প্রতিবেশী পিটিআইকে বলেছেন, “তারা গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতেন এবং সকাল-সন্ধ্যা ভগবানের উপসনা করতেন। তাদের বাড়িতে কখনো কোনো তান্ত্রিক বা ধর্মগুরুকে আসতে দেখিনি। তারা ছিলেন পরোপকারী ও বিনয়ী।”

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71