রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির ৩ নেতাকে খুঁজছে পুলিশ
প্রকাশ: ১১:৩২ am ১৩-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ১১:৩২ am ১৩-১১-২০১৭
 
রংপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


রংপুরের পাগলাপীর সলেয়াশাহ ঠাকুরপাড়া এলাকায় হিন্দু বাড়িতে ব্যাপক হামলা, ভাংচুর, অঘ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনার মূল হোতা এবং উস্কানিদাতাকে গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের মধ্যে দু'জন জামায়াত ও দু'জন বিএনপি নেতা রয়েছেন। পুলিশ জামায়াতের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতার করা গেলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তদন্ত সংশ্নিষ্টরা বলছেন। তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে সেজন্য সীমান্তেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। 

টিটু রায় নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কথিত অবমাননাকর পোস্টকে কেন্দ্র করে মুসল্লি ও জনতা শুক্রবার ঠাকুরপাড়ায় হিন্দুদের ১০টি ঘর পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার রাতে আরও ৪৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

শনিবার ভোরে মূল হোতা ও উস্কানিদাতাদের একজন জামায়াত নেতা ও মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। জড়িতদের নামও বলেছেন। অন্য তিন হোতাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে পুলিশের। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ওই তিন হোতা প্রতিদিনই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন। তাদের মোবাইলও বন্ধ রেখেছেন। 

সলেয়াশাহ এলাকার আরিফুর রহমান ও সেলিম মিয়া জানান, ঈমাম সিরাজুল ইসলাম মসজিদে বেশিরভাগ সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মুসল্লিদের খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করেন হিন্দুদের বিরুদ্ধে। জামায়াতের একটি বড় ঘাঁটি হচ্ছে ওই এলাকা। তিন উপজেলা পাশাপাশি হওয়ায় বিশেষ সুবিধা হয় তাদের। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রাতে অভিযান শুরু করলে তারা এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় খুব সহজেই পালিয়ে যেতে পারেন। 

রংপুর কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত নেতা ও ইমাম সিরাজুল ইসলামের দেওয়া তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে। 

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ থাকায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। 

ঘটনাস্থলে ডিআইজি ও তদন্ত কমিটি :রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া টিটুকে গ্রেফতারে পুলিশসহ গোয়েন্দা টিম নারায়ণগঞ্জে অভিযান শুরু করেছে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। গতকাল রোববার তিনি ঘটনাস্থল সলেয়াশাহে গিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি হিন্দু পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা দেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফজলে এলাহী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) এবিএম জাকির হোসেন, কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল মিয়া, গঙ্গাচড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিন্নাত আলী প্রমুখ।

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71