মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
মঙ্গলবার, ৭ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
হোমিওপ্যাথি ওষুধ নিষিদ্ধের দাবি যুক্তরাজ্যের
প্রকাশ: ১০:৩৯ am ০২-১২-২০১৭ হালনাগাদ: ১০:৩৯ am ০২-১২-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


হোমিওপ্যাথি ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাজ্যের জাতীয় হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) শীর্ষ কর্মকর্তারা। হোমিওপ্যাথি ও হারবালসহ প্রায় ৭টি চিকিৎসা পদ্ধতিকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা। ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেরেমি হান্টকে তারা জানিয়েছেন যে, এসব চিকিৎসা পদ্ধতি কাজে আসে এমন কোনো প্রমাণ নেই। রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এসব ওষুধ ও পদ্ধতিগুলোকে প্রেসক্রিপশন না করার দাবিও জানিয়েছেন এনএইচএস কর্মকর্তারা। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের।

শুক্রবার প্রকাশিত এনএইচএসের এক রিপোর্টে নিষিদ্ধের তালিকায় থাকা চিকিৎসাসেবাগুলো হল- হোমিওপ্যাথি, ব্যথানাশক কো-প্রক্সামল, হারবাল চিকিৎসা, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সাপ্লিমেন্ট, লুটেইন অ্যান্ড এন্টিঅক্সিডেন্ট, জয়েন্ট সাপ্লিমেন্টস গ্লুকোসামাইন এবং মাংসপেশির ব্যথানাশক রুবিফ্যাসিয়েন্ট। মাংসপেশি মর্দন ও ডায়েট সাপ্লিমেন্টের মতো হারবাল চিকিৎসাসেবাকে নিষিদ্ধের তালিকায় রেখেছে এনএইচএস। নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে ব্যথানাশক কো-প্রক্সামলকে নিষিদ্ধ করা উচিত বলে সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

এনএইচএসের এ রিপোর্টকে সমর্থন দিয়েছে ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও রয়েল ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি। উভয় সংস্থা জানিয়েছে, রোগ নিরাময়ের নিন্ম কার্যকারিতার কারণে হোমিওপ্যাথিকে নিষিদ্ধের তালিকায় রাখা উচিত। এছাড়া ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড কেয়ার এক্সেলেন্স সংস্থা জানায়, ‘বহু পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতার বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণ নেই।’ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় প্রতি বছর মাত্র ১ লাখ পাউন্ড ব্যয় করে এনএইচএস। পাশাপাশি খাদ্য থেকে পাওয়া এমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট চিকিৎসায় ব্যয় হয় ৬০ লাখ ইউরো। যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দান আয়ারল্যান্ডে রয়েছে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের শাখা। তবে প্রত্যেকে জায়গাতেই স্বাধীনভাবে কাজ হয়। চলতি বছরের জুলাইয়ে ১৮টি চিকিৎসা পদ্ধতির নিন্ম কার্যকারিতা নিয়ে এনএইচএসের ইংল্যান্ড বোর্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে। প্রায় ৫ মাসের গবেষণার পর শুক্রবার ওই বোর্ড ৭টি চিকিৎসা পদ্ধতিকে নিষিদ্ধ ও ১১টির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আনার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রায় প্রতি বছর ১৪ কোটি পাউন্ড ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। এনএইচএসের মতে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ওষুধ খেলে অনেকের মানসিক জোর বৃদ্ধি পায়। এতে শরীরের গ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে, এর ফলে অসুখ সারতে পারে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধে রোগ সেরেছে। তবে এনএইচএস হোমিওপ্যাথিসহ এসব চিকিৎসাসেবায় কার্যকারিতা না থাকার প্রমাণ দিলেও রোগীরা বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, এসব ওষুধ তাদের রোগ নিরাময়ে সাহায্য করছে।

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71