শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
রাজশাহী মেডিকেলে ১২ দিন ধরে মৃত বাচ্চা গর্ভে হিন্দু প্রসূতির
প্রকাশ: ১১:০৩ am ১৭-০৮-২০১৬ হালনাগাদ: ১১:৪৯ am ১৭-০৮-২০১৬
 
 
 


রাজশাহী প্রতিনিধি: মৃত বাচ্চা গর্ভে নিয়ে ১২ দিন ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন এক প্রসূতি।

১০ মাস গর্ভে ধারণ করা সন্তান’র পৃথিবীতে আগমন নিষ্কন্টক করতে বুক ভরা আশা নিয়ে দু’সপ্তাহ আগে রামেক হাসপাতালের ২৩ নং ওয়ার্ডের ২ নং বেডে ভর্তি হন সনিতা নামের ওই প্রসূতি।

হাসপাতালে ভর্তির পর পেটের মধ্যেই মারা যায় সন্তান। সুনিতার স্বামী গৌতম জানান, আলট্রাসনোগ্রাম করার পর ওই ওয়ার্ডের চিকিৎসক বলেন গর্ভের সন্তান মারা গেছে।

নরমাল ডেলিভেরী না হলে সিজার করে মৃত বাচ্চা বের করা হবে বলে চিকিৎসক তাকে জানিয়েছিলেন। তবে আজ-কাল-পরশু করে ১২ দিন পার হয়ে গেলেও মঙ্গলবার অব্দি সিজার করা হয়নি হতভাগ্য প্রসূতির।

সন্তান হারানো মায়ের প্রতি সদয় হতে পারেনি ২৩ নং ওয়ার্ডের চিকিসকরা। সন্তান হারানোর ব্যাথা আর নিজ জীবনের অজানা শঙ্কা নিয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে ‍সুনিতা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বলিহার গ্রামের গৌতমের মল্লিক’র সন্তান সম্ভাবা স্ত্রী সনিতা মল্লিক গত ৫ আগস্ট রামেক হাসপাতালের ২৩ নং ওয়ার্ডের ২ নং বেডে ভর্তি হন।

ভর্তির পর চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ওই দিনই সনোগ্রাফিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। গৌতম বলেন, ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখার পর পেটের ভিতর বাচ্চা মারা গেছে বলে তাকে জানান।

নরমাল ডেলিভেরী না হলে সিজার করে বাচ্চা বের করা হবে বলেও চিকিৎসক তাকে জানান। চিকিৎসকের কথা মত সপ্তাহখানেক আগে সিজারের জন্য ওষুধপত্র কেনা হয়েছে।

রোগিকে রক্তও দেয়া হয়েছে। তারপর আজ হবে, কাল হবে এভাবে ১২ দিন পার হলেও গতকাল পর্যন্ত ওই রোগির অপারেশন করা হয়নি বলে গৌতম জানান।

গৌতম আরো বলেন, তার স্ত্রী দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। মাথা ঘুরছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। অপারেশনের জন্য অনুরোধ করলে ডাক্তার তাকে বলেন, আপনার কথায় অপারেশন করতে হবে?

পারলে আপনি করে নেন। এভাবে মরা বাচ্চা পেটে নিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মধ্যে হাসপাতালের বেডে দিন কাটছে সনিতার। বাচ্চা মরার শোক আর অজানা শঙ্কায় চোখে অন্ধকার দেখছে গৌতম-সনিতা দম্পতি।

এ বিষয়ে কথা বলতে ওই ইউনিটের চিকিৎসক ডাঃ নার্গিস শামিমার মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, আজ বুধবার অফিসে এসে কথা বলবেন।

তবে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখবো।

এইবেলাডটকম/অরুন শীল/এফএআর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71