শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
৪৭২ কন্যাকে বিয়ে দিয়ে গর্বিত পিতা
প্রকাশ: ০১:১০ pm ১৯-০৬-২০১৬ হালনাগাদ: ০৮:৫৭ pm ১৯-০৬-২০১৬
 
 
 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ছোটকালে যাদের বাবা-মা মারা গিয়েছে এমন মেয়েদের বুকে টেনে নিয়েছেন মহেশ শিভাঙ্গি। বাবা-মায়ের অভাব বুঝতে দেননি তার মেয়েদের।

তাদের বুঝতে দেননি মা-বাবার ভালোবাসার অভাব। ভরণ-পোষণে তাদের বড় করে এখন বিয়েও দিচ্ছেন ঘটা করে।

গত বেশ ক’বছর ধরেই তিনি এই কাজ করছেন। এমন করতে করতে এ পর্যন্ত ৪৭২ জন পালিত মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন গুজরাটের ভাবনগর গ্রামের বাসিন্দা মহেশ শিভাঙ্গি। চলতি বছর বিয়ে দেবেন আরও ২১৬ কন্যাকে।

এতেই জীবনের সব সুখ আর আনন্দ পান ডায়মন্ড ব্যবসায়ী মহেশ। মহেশের এই আনন্দের ভাগিদার তার পরিবারও। পরিবারের লোকেরা এই কন্যাদের ভরণ-পোষণ ও বিয়েতে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন তাকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য মতে, মা-বাবা হারা কন্যাদের ভরণ-পোষণ আর তাদের বিয়ে দেওয়ার কাজে ক্লান্ততো ননই, বরং দারুণ গর্ববোধ করেন মহেশ শিভাঙ্গি।

বড় আয়োজন করে একসঙ্গে অনেককে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক মেয়েকেই সোনার গয়নায় সাজিয়ে এবং নতুন সংসার পাততে সব সরঞ্জামসহ ৪ লাখ রুপি করে খরচ করেন মহেশ।

মহৎপ্রাণ মহেশ ৪০ বছর আগে বাবার হাত ধরে ভাবনগরে আসেন। এখানেই বাবার সঙ্গে পূর্বসূরীদের ব্যবসা শুরু করেন। বাবার মৃত্যুর পর সেই কাজের দায়িত্ব পুরোপুরি বর্তায় তার ওপর। ব্যবসার পাশাপাশি মহেশ সিদ্ধান্ত নেন সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োগ করার। সেই চিন্তা থেকেই মা-বাবা হারা মেয়েদের ভরণ-পোষণের কাজ বেছে নেন। দায়িত্ব নেন সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার, যাদের কোনো অভিভাবক নেই বলে বিয়ে হচ্ছে না। ২০০৭ সাল থেকে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার এ কার্যক্রম শুরু করেছেন মহেশ।

তিনি বলেন, আমি এই গণ বিয়ের জন্য কখনোই অনুদানের আহ্বান জানাইনি। এটা আমারই চেষ্টামাত্র। কোনো মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেয়ে বড় পূণ্যের কাজ আর হতে পারে না।

নববধূ হয়ে সংসারে মনোযোগী মহেশের পালিত কন্যাদের একজন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তিনি কেবল আমার বাবাই নন, আমার ভাই-বোনেরও বাবা। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, তার মতো একজনকে আমাদের জীবনে পাঠিয়েছেন বলে।

এইবেলাডটকম/এএস

 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71