সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯
সোমবার, ৩রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
৬৪ জেলার মাটি দিয়ে মানচিত্র বানালেন শুভঙ্কর পাল
প্রকাশ: ০৪:৩৩ pm ২৫-০৯-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:৩৩ pm ২৫-০৯-২০১৮
 
ফরিদপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


শুভঙ্কর জন্মেছেন মাগুরায় মামা বাড়িতে। কিন্তু বেড়ে ওঠা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বারাংতুলা গ্রামে। বাবা নিহার রঞ্জন পাল এবং মা অমিতা পাল। ছোটবেলা থেকেই দুরন্তপনা ছিল তার মাঝে বিদ্যমান। বাবা পল্লী চিকিৎসক। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। বাড়িতে কাকা দিলীপ কুমার পাল মাটি দিয়ে বিভিন্ন মূর্তি গড়তেন। কাকার সাথেই মাটির জিনিসে হাত লাগানোর অভ্যাস তার ছোটবেলা থেকেই।

ছোটবেলা থেকেই শুভঙ্কর স্বপ্ন দেখতেন দেশের প্রতিটি জেলা ঘুরে বেড়াবেন। সে স্বপ্ন সত্যি হয়নি ঠিকই কিন্তু ৬৪ জেলার মাটি এনে গড়েছেন মানচিত্র। তার নতুন স্বপ্ন এক জায়গায় বসেই বাংলাদেশটাকে ছুঁয়ে দেখা। আইডিয়াটা এভাবেই মাথার মধ্যে চেপে বসে। তিনি ভাবতে লাগলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ব্যতিক্রম কিছু করা যায় কি-না! যা কি-না আগে কেউ করেনি। তাই অনলাইন ঘেঁটে দেখলেন, ৬৪ জেলার মাটি একফ্রেমে কেউই আনেনি আগে। শুরু করলেন কাজ।

কাগজ দিয়ে টুকিটাকি শিল্পকর্ম করার হাত ছিল তার। সুযোগ পেলেই নানা জিনিস বানাতেন। যেমন কাগজের তাজমহল, বায়োস্কোপ, ক্যামেরা ইত্যাদি। এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিন দিন ধরে বাংলাদেশের ম্যাপের ওপর ৬৪ জেলার জন্য ৬৪ জেলার কাগজের বক্স তৈরি করেন। এর পরের টার্গেট ছিল মাটি আনা।

যেভাবে মাটি আনেন: ৬৪ জেলায় না যেতে পারলেও ৬৪ জেলার মাটি আনার চিন্তা তাকে পেয়ে বসে। যে কোন মূল্যে মাটি আনতেই হবে। এ কাজে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ প্রচারণা চালান। প্রথম প্রথম নিজেই কয়েকটি জেলার মাটি সংগ্রহ করতে থাকেন। এরপর বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতা চাইলেন। তিনি চেয়েছিলেন ৬৪ জেলার ৬৪ হাতের স্পর্শ লেগে থাকুক। প্রথম প্রথম কেউ আগ্রহ না দেখালেও পরে কিন্তু অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে থাকে।

মানচিত্রটি গড়তে গিয়ে একসময় মন ভেঙে পড়ে শুভঙ্করের। অনেকেই মাটি পাঠাবে বলে ছবি পাঠান কিন্তু মাটি পাঠান না। কুরিয়ারে গিয়ে অনেক সময়ই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাকে। অনেকে আবার বিরক্তও প্রকাশ করেছে। সূএ: জাগো

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71