বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
‘মহাভারত’ সম্পর্কে ১০টি অবাক করা তথ্য
প্রকাশ: ০৬:৩৬ pm ০৪-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৬:৩৬ pm ০৪-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


‘মহাভারত’ এমনই এক মহাকাব্য, আকারে-আয়তনে-প্লটবিন্যাসে তার জুড়ি মেলা ভার। এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়, যাঁরা সারাজীবন এই একটি মাত্র বইকেই পড়ে গেলেন। এই মহাকাব্যের অজস্র চরিত্র এবং উপকাহিনি। এই উপকাহিনি আর চরিত্রের মিছিলে মুখ লুকিয়ে রয়েছে এমন কিছু তথ্য, যা সচরাচর আমরা মনে রাখি না। তেমন ১০টির উল্লেখ রইল এখানে।

• কনিষ্ঠ পাণ্ডব সহদেব ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সব জানতেন। এমনকি, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ ও তার পরিণতিও জানতেন। কিন্তু এক অভিশাপের কারণে তিনি কখনও কাউকে কিছু জানাননি।

• দুর্যোধনের স্ত্রী ভানুমতী ছিলেন একান্ত কৃষ্ণভক্ত।

• বলরামের ইচ্ছা ছিল বোন সুভদ্রার সঙ্গে দুর্যোধনের বিবাহ হোক। কিন্তু সুভদ্রা অর্জুনের প্রেমে পড়েন এবং তাঁর সম্মতিক্রমেই অর্জুন তাঁকে হরণ করেন।

• অভিমন্যু আসলে কালযবন নামের এক দানবের আত্মা। কৃষ্ণ তাকে হত্যা করে তার আত্মাকে বন্দি করেন। কিন্তু সেই আত্মা প্রবেশ করে সুভদ্রার গর্ভে।

• একলব্য প্রকৃতপক্ষে কৃষ্ণের সম্পর্কিত ভাই। তিনি বসুদেবের ভাই দেবাশ্রবের পুত্র। দেবাশ্রব ছোটবেলায় অরণ্যে হারিয়ে গিয়ছিলেন। তাঁকে বড় করে তোলেন হিরণ্যধনু নামের এক নিষাদ। রুক্মীনির স্বয়ম্বরের সময়ে কৃষ্ণ একলব্যকে হত্যা করেন।

• শিখণ্ডী বিবাহিত ছিলেন। ক্ষাত্রদেব নামে তাঁর এক পুত্রও ছিল।

• পাণ্ডবদের পুত্ররা ‘উপপাণ্ডব’ নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁরা অবিবাহিত অবস্থাতেই মারা যান।

• যুদ্ধের অষ্টাদশ দিবসে দুর্যোধনের পতনের সময়ে পুষ্পবৃষ্টি হয়েছিল।

• দ্রৌপদীর স্বয়ম্বরে দুর্যোধন অংশগ্রহণ করেননি। কারণ তিনি তখন বিবাহিত ছিলেন। এবং স্ত্রী ভানুমতীকে কথা দিয়েছিলেন যে, তিনি আর বিবাহ করবেন না।

• কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরে একজন কৌরবই জীবিত ছিলেন। তিনি যুযুৎসু। তিনি ধৃতরাষ্ট্রের ঔরসে এক দাসীর গর্ভজাত। কিন্তু তিনি পাণ্ডবপক্ষেই যোগ দিয়েছিলেন।


আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71