রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
আল–কায়েদার আদলে সক্রিয় আনসারুল্লাহ
প্রকাশ: ০৩:৩৮ am ২১-০৩-২০১৫ হালনাগাদ: ০৩:৩৮ am ২১-০৩-২০১৫
 
 
 


 ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে প্রধান সন্দেহভাজন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম আল-কায়েদার অনুসরণে অনেক ‘নেপথ্য চক্রে’ (স্লিপার সেল) ভাগ হয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জঙ্গি দমনে যুক্ত শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তাঁরা জানান, মুক্তচিন্তার লেখালেখির কারণে গুপ্ত হত্যার কারণে আলোচিত এ সংগঠনটি গত দুই বছরে অন্তত ছয়টি হামলায় জড়িত।

জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় যুক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, সারা দেশে আনসারুল্লাহর এক হাজারের অধিক অনুসারী রয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত ২০০ জন নিয়মিত সদস্য। এরা নানা নেপথ্য চক্রে ভাগ হয়ে তৎপর রয়েছে। সাত থেকে আটজন সদস্য নিয়ে একেকটি সেল গঠিত। একটি সেলের কাজ ও সদস্যদের বৃত্তান্ত অন্য সেলকে অবগত করা হয় না।

এ ছাড়া আনসারুল্লাহর ‘একাকী মুজাহিদ’ রয়েছে বলেও জানা গেছে। এ পদ্ধতিতে তারা এখন পর্যন্ত একটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আনসারুল্লাহ ও এর সমর্থকদের পরিচালিত বিভিন্ন ওয়েবসাইটে দেখা যায়, তারা লোন উলফ্-এর বাংলা করেছে ‘একাকী মুজাহিদ’। এই পদ্ধতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের জন্য একজনকে উদ্বুদ্ধ এবং প্রস্তুত করা হয়। ‘একাকী মুজাহিদ’ ও ‘স্লিপার সেলের’ জন্য ঘরে বসে ও রান্নাঘরের উপাদান ব্যবহার করে বোমা-বিস্ফোরক তৈরি, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ও আক্রমণপূর্ব পর্যবেক্ষণসহ (রেকি) অন্যান্য কলাকৌশলের বিবরণ বাংলায় তাঁদের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

ইতিমধ্যে তিনটি হামলার ঘটনায় আনসারুল্লাহ জড়িত থাকার কথা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। আরও তিনটি ঘটনা- সাভারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আশরাফুল আলম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শফিউল ইসলাম ও সর্বশেষ অভিজিৎ রায় হত্যায় এ সংগঠনটি প্রধান সন্দেহভাজন।

এর মধ্যে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনের ওপর আক্রমণ ও ব্লগার রাজীব হায়দারকে হত্যায় এ সংগঠনের দুটি পৃথক ‘নেপথ্য চক্র’ যুক্ত ছিল বলে মামলা দুটির অভিযোগপত্রে এসেছে। মামলা দুটির তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্লগে কিছু লেখালেখির জন্য আসিফ ও রাজীবকে ‘মুরতাদ’ ঘোষণা করে দুজনকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় আনসারুল্লাহ। দুই ঘটনায় পৃথক দুটি নেপথ্য চক্র জড়িত ছিল।

ওই কর্মকর্তার মতে, ‘একাকী মুজাহিদ’ আরও ভয়ংকর। কারণ, এ ক্ষেত্রে আগাম গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এ পদ্ধতিতে হামলায় একজনকে যুক্ত করা হয়। কোনো ক্ষেত্রে এক-দুজনকে সহযোগী রাখা হলেও পুরো পরিকল্পনা জানানো হয় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, বুয়েটের ছাত্র আরিফ রায়হানকে (দ্বীপ) হত্যা করেছে ‘লোন উলফ্’। ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল দ্বীপকে বুয়েট ক্যাম্পাসে কুপিয়ে আহত করা হয়, পরে তিনি হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মেজবাহ উদ্দিন নামে বুয়েটের এক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করার পর রহস্য উন্মোচিত হয়। পরে তিনি স্বীকার করেন, তিনি একাই দ্বীপকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেন।

মূলত ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ আন্দোলন শুরুর পর থেকে আনসারুল্লাহ তাদের বিভিন্ন ব্লগ ও ওয়েবসাইটে ‘নাস্তিকবিরোধী’ প্রচারণা শুরু করে। তাদের ভাষায় ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ কতল করা ‘ফরজ’ উল্লেখ করে আনসারুল্লাহর প্রধান মুফতি জসীমুদ্দীন রাহমানীর ওয়াজ ও খুতবার ভিডিও ওয়েবসাইটে দেওয়া রয়েছে। জসীমুদ্দীন রাহমানী ব্লগার রাজীব হত্যা ও ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি, বর্তমানে কারাগারে আছেন। দুই মামলায় আসামিরা জবানবন্দিতে বলেছেন, তাঁরা রাহমানীর ওয়াজ ও খুতবা শুনে ‘নাস্তিক ব্লগার’ হত্যায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

সর্বশেষ ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যায় ‘একাকী মুজাহিদ’ নাকি ‘নেপথ্য চক্র’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, জানতে চাইলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তে মনে করা হচ্ছে, উগ্রপন্থীদের কোনো একটি ‘নেপথ্য চক্র’ এতে জড়িত। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন যুক্ত ছিল বলে তাঁদের ধারণা।

২০১৩ সালে রাজধানীর গোপীবাগের বাসায় ইমাম মাহদী দাবিদার লুৎফুর রহমানসহ ছয় খুন, গত বছরের ২৭ আগস্ট রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজ বাসায় মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী, ৩০ সেপ্টেম্বর সাভারে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আশরাফুল আলম ও ১৫ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শফিউল ইসলামকে হত্যার ঘটনায়ও উগ্রপন্থীরা জড়িত বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। এখন পর্যন্ত এসব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি।

তবে এসব হত্যায় কেবল আনসারুল্লাহ নয়, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশকেও (জেএমবি) সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।

এর কারণ জানতে চাইলে জঙ্গি দমন কার্যক্রমে যুক্ত একজন কর্মকর্তা বলেন, মুক্ত চিন্তার লেখালেখির কারণে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বহুমাত্রিক লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলা চালায় জেএমবি। এ ঘটনায় জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আবদুর রহমানসহ পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এরপর ২০১০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ইউনুছকেও জেএমবি হত্যা করে। এ মামলায় জেএমবির দুই জঙ্গির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর বাইরেও ২০০৪ সালে টাঙ্গাইলে একজন ও জামালপুরে দুজনকে জেএমবি হত্যা করেছে বলে শায়খ আবদুর রহমান গ্রেপ্তারের পর জবানবন্দিতে বলেছেন।

এসব কারণে অভিজিৎ হত্যায় আনসারুল্লাহর পাশাপাশি জেএমবিকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘একটা ঘটনা ঘটার পর আমরা কিছুদিন সেটা নিয়ে আলোচনা করি, তৎপর থাকি। পরে ভুলে যাই। আর এর সুযোগ নিচ্ছে উগ্রপন্থীরা। ব্লগার রাজীব হত্যার পর এ গোষ্ঠীর বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত রেখে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হলে অভিজিৎ হত্যার ঘটনা ঘটত না।’

তাঁর মতে, জঙ্গিবাদের এ সমস্যা মোকাবিলায় শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দিকে নজর দিতে হবে। অভিন্ন ধারার শিক্ষাব্যবস্থা চালু এবং নীতি-নৈতিকতা, উদারতা, মানবতার শিক্ষা দিতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে কেবল রীতিনীতি নয়, ধর্মের মানবিক দিকটাও তুলে ধরতে হবে। কিছু মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও খেয়াল রাখতে হবে, সন্তান যেন পারিবারিক ও সামাজিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়ে।

যেভাবে আনসারুল্লাহর শুরু
ব্লগার রাজীব হত্যার মধ্য দিয়ে দুই বছর আগে আলোচনায় এলেও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের যাত্রা শুরু ২০০৮ সালে। এর সদস্যরা মূলত শহরের সচ্ছল পরিবারের সন্তান এবং সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৮ সালে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক ক্যাম্পাসের কাছাকাছি বনানীর একটি মসজিদকে ঘিরে আল-কায়েদার মতাদর্শে বিশ্বাসী এ গোষ্ঠীর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানত ইংরেজি মাধ্যম বা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে মতাদর্শ প্রচার, উদ্বুদ্ধকরণ, পাঠচক্র পরিচালিত হতো। পরে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ব্লগ ব্যবহার করে তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক তৎপরতা শুরু করে।

শুরুতে এ দল বা গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট কোনো নাম ছিল না। তবে এর সদস্যরা ঘনিষ্ঠজনদের কাছে নিজেদের আল কায়েদাপন্থী বলে পরিচয় দিতেন। এই গোষ্ঠীটি আধ্যাত্মিক নেতা মানেন ইয়েমেনভিত্তিক আল-কায়েদার নেতা আনওয়ার আওলাকিকে। আওলাকি ২০১১ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর মার্কিন ড্রোন (চালকবিহীন বিমান) হামলায় ইয়েমেনে নিহত হন।

এদের বিভিন্ন ব্লগ ও ওয়েবসাইট ঘেঁটে জানা যায়, ২০১১ সালের মাঝামাঝি থেকে তারা ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ নাম ধারণ করে। এর পর থেকে এ নামে তাদের মতাদর্শের নানা বইপুস্তক, আলোচনা, আল-কায়েদার শীর্ষস্থানীয় নেতা ও দেশি-বিদেশি তাত্ত্বিকদের বক্তৃতা, লেখা ইত্যাদির বাংলা অনুবাদ করে এবং এ-সংক্রান্ত নানা অডিও-ভিডিও ওয়েবসাইটে প্রচার করতে চায়।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্লগার রাজীব হায়দারকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রকে গ্রেপ্তারের পর আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নাম প্রথম জানাজানি হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের মতো আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সাংগঠনিক কাঠামো নেই। শুরুতে প্রকাশ্যে সংগঠনটির প্রধান ও আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে সামনে আসেন মুফতি জসীমুদ্দীন রাহমানী। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলায় জমি কিনে মসজিদ ও মাদ্রাসা তৈরি করে সংগঠনটি। নাম দেয় মারকাজুল উলুম আল ইসলামী। এটি ছিল সংগঠনের প্রধান কেন্দ্র। আর, জসীমুদ্দীন ছিলেন এর পরিচালক ও মসজিদের খতিব। জসীমুদ্দীন রাহমানী ২০১৩ সালের আগস্টে বরগুনায় নিজ গ্রামে ৪০ অনুসারীসহ গ্রেপ্তার হন। তিনি বর্তমানে ব্লগার রাজীব হত্যা ও ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে আছেন।

বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া আনসারুল্লাহ সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে যুক্ত ছিলেন, এমন একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আনসারুল্লাহর বর্তমান আমির শায়খ তানিম আল মাদানী। তিনি দেশে থাকলেও তাঁর অবস্থান এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের নিউ ক্যাসল মসজিদে ওয়াজ করেছেন, এমন অডিও-ভিডিও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে। তারপর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা হলেন রেজোয়ানুল আজাদ। তিনি ব্লগার রাজীব হত্যা মামলার আসামি। অভিজিৎ হত্যায়ও তিনি অন্যতম সন্দেহভাজন।

ওই কর্মকর্তা জানান, মুফতি জসীমুদ্দীন রাহমানী কারাগারে থাকায় তাঁর স্থলে প্রকাশ্যে ওয়াজ-বয়ানে আনসারুল্লাহকে মতাদর্শিক সমর্থন দিচ্ছেন মোজাফফর বিন মহসিন ও আবদুল হাকিম নামে দুজন মাওলানা। মোজাফফরকে কয়েক মাস আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, এখন জামিনে মুক্ত আছেন। এ ছাড়া বরখাস্ত ও পলাতক সেনা কর্মকর্তা মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হকও আনসারুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত আছেন বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। তাঁরা মনে করেন, বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এ ধরনের গোষ্ঠী সংগঠিত ও তৎপর হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘এটা তো স্বাভাবিক যে এ ধরনের অস্থিরতা চলতে থাকলে বিভিন্ন গোষ্ঠী, দল-উপদল সুযোগ নেবে। যেহেতু আমাদের দেশে কোনো ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে এক দল অন্য দলকে দোষারোপ করা শুরু করে, এমন অবস্থায় বিভিন্ন দল-উপদল ঘটনা ঘটিয়ে দেখানোর চেষ্টা করে বা করেছে।’

এ বিষয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, এমন পরিস্থিতিতে জঙ্গিগোষ্ঠী যাতে সুযোগ নিতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে।

তবে গোয়েন্দা নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যাপক ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, এত গোয়েন্দা নজরদারিই যদি থাকে, তাহলে অভিজিৎকে হত্যা করে খুনিরা কীভাবে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল? যেখানে খুব কাছাকাছি পুলিশও ছিল।


 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71