শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯
শনিবার, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার ব্যাপক ভাঙ্গন
প্রকাশ: ০৪:১৪ pm ১১-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৪:১৪ pm ১১-০৮-২০১৭
 
নীলফামারী প্রতিনিধি :
 
 
 
 


তিস্তার পানি কমার সাথে সাথে উজানে ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে নীলফামারীর ডিমলায়। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব খড়িবাড়ী গ্রামের মাটির বাঁধটি বিলীন হওয়ার ফলে ৩০ বিঘা জমির ফসল ও ৭টি পরিবারের বসত-ভিটা বিলীন হয়েছে নদী গর্ভে। 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিয়ে বাঁধে জরুরী সভা করেছে টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন। এলাকাবাসীকে পূর্ব খড়িবাড়ী গ্রামটি রক্ষায় সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব খড়িবাড়ীতে তিস্তার নদীর ডান তীরে তৈরি করা ২ কিলোমিটার মাটির বাঁধটি ইতোমধ্যে ৪শ মিটার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গ্রামটিতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

২০১৫ সালে ইউএনডিপির অর্থায়নে, সিডিএমপি বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় ১ হাজার ৯৮২ মিটার দীর্ঘ রাস্তাটি ও বাধটি নির্মাণ করা হয়। বাঁধটি নির্মাণের ফলে পূর্ব খড়িবাড়ী, দক্ষিণ খড়িবাড়ী, ছোটখাতা গ্রামের সহস্রাধিক পরিবারের বসতভিটায় বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারেনি। কিন্তু বাঁধটি শুক্রবার ভেঙ্গে পড়ায় এসব পরিবার চরম হুমকির মুখে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ৭টি পরিবারের বসতভিটা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

নদীর প্রবল স্রোতের কারণে ইতোমধ্যে পূর্বখড়িবাড়ী ২ কিলোমিটার বাঁধের ৪শ মিটার ভেঙ্গে পূর্ব খড়িবাড়ী গ্রামে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এলাকাবাসী জরুরী ভিত্তিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি বন্যার কবল থেকে রক্ষাসহ দীর্ঘস্থায়ী করতে সিসি ব্লক দিয়ে পিচিং করার দাবী জানিয়েছেন।

পূর্ব খড়িবাড়ী গ্রামের জিয়াউর রহমান (৪৫) জানায়, মাটির বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে ৩টি গ্রাম বন্যার পানির তলিয়ে যাবে। টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানায়, বর্তমানে জরুরী ভিত্তিতে বাঁধটি রক্ষা করতে না পারলে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করলে ৩টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার বন্যার কবলে পড়বে। বাঁধের ভেতরে কয়েক শত একর জমির ফসল বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে।

এম/এসএম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71