মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ১০ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ফারুক হত্যা: এমপি রানার জামিন স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল
প্রকাশ: ০২:০৩ am ১৯-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০২:০৩ am ১৯-০৪-২০১৭
 
 
 


ঢাকা : মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৪ (ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ আগামী ৮ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন চেম্বার আদালত।

আজ মঙ্গলবার চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ স্থগিতাদেশ দেন।একই সঙ্গে জামিন স্থগিত চেয়ে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন আদালত।আগামী ৮ মে নিয়মিত বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ১৩ এপ্রিল বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এন এম বসির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এমপি রানাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুলও জারি করেন আদালত।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর এমপি রানার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রুশো মোস্তফা।

পরে এ ব্যাপারে আইনজীবী রুশো মোস্তফা বলেন, আদালত এমপি রানার জামিন ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে ওই দিনই রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে চূড়ান্ত শুনানির জন্য ওই দিনই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়।ঘটনার তিন দিন পর ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

এরপরে ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সংসদ সদস্য রানা, তার তিন ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকনসহ মোট ১৪ জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে।

একই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর এমপি রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া রানার জামিন নাকচ করে দিলে তিনি হাইকোর্টে আসেন।বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন এমপি রানা।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর উপনির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা রানা।পরে আবার আওয়ামী লীগে যোগ দেন তিনি।২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিতও হন।

এইবেলাডটকম/এফএআর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71