মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ডুবছে পিনাক-৬;মুঠো খুলে বেড়িয়ে যাচ্ছে জীবন
প্রকাশ: ০৮:২৯ pm ০৭-০৮-২০১৫ হালনাগাদ: ০৮:২৯ pm ০৭-০৮-২০১৫
 
 
 


 ছবি: পিনাক-৬ ডুবির আগে  নিহত লাকীদের হাসিখুশি পরিবার। ছবিটি লাকীর পারিবারিক এ্যালবাম থেকে নেয়া ।
 
প্রতি বছর নাড়ীর টানে উৎসব করতে ঘরে ফেরে মানুষ।ফাঁকা হয়ে যায় রাজধানী ঢাকা।কিন্তু এ ঘরে ফেরা কতোটুকু নিরাপদ?সাংবাদিক সুব্রত মণ্ডলের কলামে উঠে এসেছে চিত্র।


একঃ

৩ আগস্ট ২০১৪ । ঢাকা ফিরছি ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে। ছুটির এখনও খানিকটা বাকি আছে। ক্লাস শুরু হবে আরও কিছুদিন পর। কিন্তু পত্রিকা অফিসের চাপেই রওনা হতে  হয়েছে ক'দিন আগেই। দিনটি ছিল দূর্যোগপূর্ণ। আকাশে প্রচণ্ড মেঘ। মায়ের কড়া নিষেধ ছিল লঞ্চে না যাবার জন্য। কাওড়াকান্দি ঘাটে পৌঁছতেই শুরু হল প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাস। সঙ্গে বৃষ্টি। ঘাট থেকে তেমন একটা লঞ্চ  ছাড়ছে না। দীর্ঘক্ষণ পর পর ছাড়ছে লঞ্চ। স্পিড বোড লঞ্চের তুলনায় বেশি ছাড়ছে। ভাড়াও  বেশি ২০০ টাকা। স্বাভাবিকের তুলনায় ৮০ টাকা বেশি। তাই বাধ্য হয়েই ফেরিতে ওঠি। ফেরিটি  প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যেই কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে রওনা হল। আমি সাধারণত ফেরি পারাপার হলে ফেরির উপরের ছাদে বসে যাই। বৃষ্টির দিনেও এর হেরফের হল না। ফেরি কিছু দূর এগোতেই দেখি আমার এক শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন স্যার। সাখাওয়াত হোসেন স্যার ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। ২০০৮ সালে আমি যখন জিপিএ ৫ পেয়ে  ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হই। তখন স্যারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এ কলেজের বর্তমান গণিত বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন মৃধা। যাই হোক স্যারকে আমি দীর্ঘ ৪ বছর পর দেখলাম। ফেরিতে সিট না থাকায় স্যারকে আমি আমার সিটে বসতে দেই। স্যার আমার ও আমি তার কুশল জিজ্ঞাসা করলাম। আমি দাঁড়িয়ে স্যারের সঙ্গে গল্প করছি আর ফেরিটি একটু একটু করে মাওয়ার দিকে এগুচ্ছে। ফেরিটি পদ্মার মাওয়া পয়েন্টের হাজরা চ্যানেলের মুখে চলে এলে তীব্র  ঘূর্ণি  স্রোতের মুখে পড়ে। ফেরিটি এগুতে পারছিল না।

ঘূর্ণি স্রোতের সঙ্গে তীব্র বাতাস। বহুকষ্টে সারেং হাতের বাদিকে ফেরিটিকে চর ঘেষিয়ে ঘাটের উত্তর দিক হয়ে এগুচ্ছে। এভাবে ২০ মিনিটের পথ প্রায় ১ ঘণ্টা লেগে গেল। এসময় স্যার আমি কোথায় কি করছি তা জানলেন। স্যার গল্প করার সময় কয়েকজন মন্ত্রী সম্পর্কে কথা বললেন। তিনি আমাদের মাদারীপুর সদরের সংসদ সদস্য ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শাজাহান খানের কথা বললেন। ,মাদারীপুর সদর আসনের এ সংসদ সদস্যকে দিলখোলা মনের মানুষ বলে অভিহিত করলেন স্যার। আমি খুশি হলাম। কারণ ঢাকায় বসবাসরত মানুষ পদ্মা সেতু প্রকল্পে ভিত্তিহীন কথিত দূর্নীতি নিয়ে মাদারীপুরের মানুষের প্রতি বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। আমাকে স্যার জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সঙ্গে যোগাযোগ আছে ? আমি বললাম হ্যা আছে। আমি তার মন্ত্রী পারার কোয়াটের বেশ কয়েকবার গিয়েছি। মোবাইল ফোনে মাঝে মাঝে কথা হয়। তখন স্যার আমার কাছ থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটি নিনেল। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ , সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল  কাদের, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী মোবাইল নম্বর নিলেন। ফেরি ঘাটে পৌছলে স্যার নেমে পিরোজপুর- ঢাকা রোডের গাড়িতে ওঠলেন। আমি স্যারকে বিদায় দিলাম। যেহেতু পিনাক-৬ নিয়ে লিখতে বসছি। সেহেতু এটি বলা আপনারা অপ্রসঙ্গিক মনে করছেন বলে মতে পারে পাঠক সমাজের। আমি বলি নিই, এমএল পিনাক -৬ লঞ্চ ডুবি  হয়েছিল ৪ আগস্ট। আমি যে দিন ঢাকা যাই ঠিক তার আগের দিন। ৩ আগস্ট। পিনাক -৬ ডুবির সময় পদ্মার কি অবস্থা হয়েছিল তা আমার থেকে  ভাল অন কোন সাংবাদিকের জানার কথা না। পিনাক-৬ ডুবির পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বাঘা বাঘা ক্রাইম রির্পোটাররা প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। তা তাদের স্ব স্ব পত্রিকায় বিশেষ আয়োজনে প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হয়েছে।

আমি হলফ করে বলতে পারি এদের ৮৫ শতাংশ সাংবাদিক পিনাক-৬ ডুবির মাধ্যমে সর্বনাশা পদ্মার সঙ্গে বাস্তবে সাক্ষাৎ হয়েছে। এদের কেউ জীবনে একটি বারের জন্য লঞ্চে ওঠেন নি। কিছু সিনিয়র সাংবাদিকও যদি বর্ষার দিনে এ মাওয়া কাওড়াকান্দি দিয়ে পার হয়, তবে তারা ফেরিতে পার হন। তাই লঞ্চে কি রকম পরিবেশ সৃষ্টি তা তাদের ধারণা নেই। এদের অনেক আছেন সাতার জানেন না। তবে এদের মধ্যে যে কজন সাংবাদিক কাজ করেছেন আমার জানামতে, সমকালের আতাউর রহমান (আতা ভাই) বেশী  অভিজ্ঞ।কারণ তার বাড়ি শরীয়তপুর।আতা ভাই পদ্মায় সাতার কাটা ছেলে। যুগান্তরের জেবেল ভাই অনেক বার এসছেন এ নৌ পথে। তারও অভিজ্ঞতা আছে। লঞ্চে পদ্মা পারাপারের দৌরে অভিজ্ঞতায় আমিও অন্যদের চেয়ে এগিয়ে। তাই অনেক প্রতিবেদন আমরা পেয়েছি অতিরঞ্জিতভাবে। কিছু প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে নিখোঁজদের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ প্রতিবেদনগুলাতে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন মফস্বল কয়েকজন সাংবাদিক বলে জানা গেছে। তা প্রমাণিত হয়েছে একই দিন ঔ সকল মিডিয়ায় প্রকাশিত একই বিষয়ে একাধিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল যারা বিভ্রান্ত মূলক প্রতিবেদন করেছেন তাদের কাউকে পিনাক-৬ডুবির পর ঘটনার আশেপাশে দেখা যায় নি।

এদের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে অদ্ভূত সব তথ্য। তাই অধিকাংশ প্রতিবেদনেই দেখতে পাই, ঘটনার সব দোষ চাপানো হয়েছে লঞ্চ মালিক ও ঘাট ইজারাদারদের। কারণ আমরা ভাল করেই জানি এ দু শ্রেণীর লোকেরা বেশী মুনাফা চায়। কিন্তু বাস্তবতা এ মুনাফার হার আমরা যাত্রীরাই বাড়িয়ে দিই। বাড়তি বাড়া দিচ্ছি অহরহ। সেই সঙ্গে বাড়তি যাত্রী হয়েও লঞ্চে ওঠছি। জীবনের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছি। সব ধরণের অপকর্মের সুযোগ আমরা যাত্রী সাধারণরাই দিচ্ছি। দুর্ঘটানা ঘটলে শুধু মালিক ও ঘাট কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করি । আসলি কি তাই ? আমরা যাত্রীরা যে একে বারে দুধে ধোয়া তুলসি পাতা ?  সব কিছু মিলিয়েই এর দায়ভার যথাযথা কতৃপক্ষ এড়াতে পারেন না । মালিকপক্ষ বা ইজারাদারা কখনই চায় না মিছে মিছে মামলার আসামী হতে । তবে লোভ তা মানে না । লোভের কারণে ঘটছে এ ধরণের দুর্ঘটনা।

কি ঘটেছিল ওদিন : ৪ আগস্ট সকাল ৮টা ৪০ মিনিট। মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি থেকে পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাটরে দিকেউদ্দেশে ছেড়ে যায়। রোজার ঈদের ছুটির পর ৮৫ যাত্রী ধারণ ক্ষমতার সেই লঞ্চে তোলা হয় প্রায় আড়াইশ' যাত্রী। স্রোত  আর পদ্মার ঢেউয়ে দুলতে দুলতে মাওয়ার অদূরে ডুবে যায় লঞ্চটি। এর পর শুরু হয় স্বজন হারানো মানুষের কান্না। পদ্মার দুই তীরে উৎকণ্ঠিত স্বজনদের ভিড়।তারপরের ঘটনা সবার কাছেই জানা ।


যেভাবে ডুবেছিল পিনাক-৬: পিনাক-৬ ডুবির সময় অনেক সাতার কেটে বেরিয়ে আসতে সমর্থ  হয়েছিলেন। তাদের মধ্য সুজন মাহমুদ নামের এক হত ভাগা যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় গত বছর।তিনি বেড়িয়ে আসতে পারলেও হারিয়েছেন তার প্রিয় স্বজনদের। নিখোঁজ খালাতো ভাই মিরাজের খোঁজে আসা শিবচরের পাঁচ্চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্যকেন্দ্রে কথা হয় তার সঙ্গে ১০ আগস্ট দুপুরে। সুজন শিবচরের ক্রোকচর থেকে খালা হাসি বেগম, থালাতো বোন জেএসসি পরীক্ষার্থী  ইফা (১৪), খালাতো ভাই মিরাজ (৯), ছোট খালাতো ভাই ইব্রাহীম (১৭ মাস) নিয়ে ঢাকায়  যাচ্ছিলেন । কিন্ততাদের পৌছতে দেয় নি সর্বনাশা পদ্মা নদী। তাদেরকে থামতে হয়েছে পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবিতে মাওয় লঞ্চ ঘাট থেকে ৯০০ গজ দূরে। এখানে  সুজন ও তার খালা হাসি বেগম ছাড়া অন্যরা ডুবে যায় লঞ্চের সঙ্গেই। তার পর থেকে সুজনের স্বজনরা পাগলের মত খোঁজেন নিখোঁজদের। তার আগের সপ্তাহের বুধবার দুপুরে পাঁচ্চর  স্কুল থেকে  নিহত খালাতো ভাই ইব্রাহিম ও ইফাকে নিহত অবস্থায় নিয়ে দাফন করেন তার পরিবার। কিন্তু তারা মেরাজকে খোঁজা অব্যাহত রেখেছেন। মেরাজকে খোজে বেরাচ্ছেন। লঞ্চ ডুবির সময় নিজ হাত থেকেই তাদের ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। তাকে সাতারকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেন স্পিডবোট চালকরা। সে সময়কার স্মৃতি এখন তার কাছে দুঃস্মৃতি হয়ে রয়েছে সুজনের। আলাপ চারিতায় উঠে আসে তখনকার ভীবিসিকাময় সময়ের কথা। তার কাছে থেকে জানা যায়, লঞ্চ ডুুুরি কয়েক সেকেন্ড আগের লোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ। লঞ্চ ডুবির কিছুক্ষণ আগে সুজন দোতলার সিঁড়িতে বসা ছিলেন। তখন লঞ্চটি হাজরা চ্যানেল পার হয়ে মূল পদ্মায় প্রবেশ করে। ঘাট সামনে দেখতে পেয়ে নামার প্রস্তুতি নিতে লঞ্চের নিচতলায় খালার কাছে যান তিনি। তার কিছুক্ষণ পর পদ্মার ঢেউয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। বেড়ে যায় বাতাসের বেগ সঙ্গে বেড়ে যায় ঘূর্ণি স্রোত। তখন লঞ্চটির দুলতে থাকে।  এসময় তিনি স্বাভাবিক ছিলেন বলে জানান। কিভাবে জানতে চাইলে সুজন বলেন, আমি ঢাকায় তিতুমীর কলেজে মার্কেটিংয়ে পড়ায় নিয়মিত এ পথে যাত্রা করতে হয়। বর্ষাকালে এমনিতে পদ্মার এ অংশে একটু ঢেউ থাকে। পরে কিভাবে লঞ্চটি ডুবল  জিজ্ঞেস  করলে তিনি বলেন,  সিড়ি দিয়ে দেখি, ইফা আর ইব্রাহিম ভয়ে কাপছে লঞ্চটি দোলার কারণে। নিচ তলায়  নেমে তাদেরকে আমি শক্ত করে ধরে রাখি। হঠাৎ দেখি লঞ্চটির ডান পাশ দিয়ে ইঞ্জিনে একটা ডেউ আছড়ে পরে। লঞ্চের ডান পাশ কাত হয়ে যায়। ডান পাশ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে থাকে লঞ্চে। এ সময় মানুষ  ডান দিকে হেলে পড়ে।  আমি এক হাত দিয়ে লঞ্চের জানালার ধার ধরে রাখি। তার পরও আমরাও ডান দিকে সমস্ত শরীর ঝুকে পরে। ইব্রাহিকে আমি আর ঈফা হাত দিয় আমাকে এক হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রাখে। এ অবস্থাই লাফ দিই জানালা দিয়ে। লাফ দেওয়ার পরই দেখি লঞ্চটির নাই। কিছু মানুষের হাত আর  কালো কালো মাথা । দেখি লঞ্চটি যেখানে ডুবছিল তা থেকে  ২০ গজ দূরে আমি ভেসে ওঠি। সেখান থেকে স্পিডবোট চালকরা সাতার  কাটা অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে। কিছুকক্ষ পর আবার  বলেন তিনি,  আমার হাত থেকে ইফা আর ইব্রাহিমকে নিয়ে গেল পদ্মা । আমার হাতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে তাদেরকে ছাড়তে বাধ্য হয়।  এসময় তার হাত এগিয়ে  দিয়ে বলেন, আমার হাতে এ ঘাটা তার চিহ্ন।  কিছুক্ষণ পর  আবার আবার বলেল  ভাই, জানালার  মধ্যে প্লাস্টিকের রশির সঙ্গে আমার হাতে আঘাত লাগে। তার আঘাতের কারণে ছিটকে পরে আমার ভাই ও বোন। আমার এ ঘাটা যেন না শুকায়! বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন সুজন। এর ঘণ্টা খানিক পরে আবার তিনি বললেন, লঞ্চটি  যদি স্বাভাবিকভাবে চলত তা হলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না। এ কথার অর্থ জিজ্ঞেস করলে বলেন, সাধারণত লঞ্চগুলো  কাওরা কান্দি, মাঝি কান্দি থেকে পদ্মার মূল মহোনায় ঢুকে বা দিকে চর বরাবর উত্তর দিকে ওজানের দিকে যায়। তারপর মাওয়া ঘাট থেকে অনেক উত্তরে গিয়ে ভাটি দিয়ে মাওয়া ঘাটে যায়। এটি তা না করে সোজা  ঘাট বরাবর যায় পিানক লঞ্চটি। ফলে স্রোতের  তীব্র আঘাত লাগে লঞ্চটি। স্রোত আর ঢেউয়ের পানি লঞ্চে ঢুকে  তলিয়েছে এটি। তাছাড়া লঞ্চে ৮৫ জনের জাগায় আড়াইশর বেশী যাত্রী ছিল। আমরা অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে কাঠাল বাড়ি থেকে উঠি । আমরাই অতিরিক্ত যাত্রী না হলে এ দুর্ঘটনায় পড়তে হতো না।


এইবেলা ডট কম/এসএম/রিআ

 
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71