রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
হত্যার ৫ বছর পর উদঘাটন হল রহস্য
প্রকাশ: ০৫:০৩ pm ১৫-০৭-২০১৭ হালনাগাদ: ১০:২৯ am ১৮-০৭-২০১৭
 
কাঁকন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
 
 
 
 


মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার শিশু ইভা (০৫ মাস) হত্যার ঘটনার প্রায় ৫ বছরের মাথায় রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেসস্টিগেশন (পিবিআই)। 

শুক্রবার (১৪ জুলাই) পিবিআই মৌলভীবাজার কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো : আসলাম উদ্দিন শিশু ইভা হত্যার রহস্য উদঘাটনের বিষয়টি প্রেসব্রিফিং-এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই মৌলভীবাজার ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মৌলভীবাজার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিখিত বক্তব্যে জানান, কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের ইসলামনগর গ্রামের মুক্তার মিয়ার ছেলে নিজাম মিয়া (৩৭) ও তার ভাইদের সাথে একই গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে মাসুক মিয়ার (৪৫)তাদের ভাইদের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১২ সালের ১৪ আগস্ট মাসুক মিয়া দলবল নিয়ে বিরোধীয় জমিতে গেলে নিজাম মিয়ার স্ত্রী রুবিনা বেগম তার কন্যা মীমকে কোলে নিয়ে বিরোধিয় জমিতে গিয়ে বাধাদানসহ হল্লা চিৎকার করলে মাসুক মিয়া ও তার লোকজন রুবিনা বেগম কে মারপিট করে। এই সময় নিজামের মা বিরু বেগম শিশু ইভা'র লাশ হাতে নিয়ে বিরোধীয় জমির দিকে এসে বলেন মাসুক ও তার লোকজন শিশু ইভাকে হত্যা করেছে। এই ঘটনায় নিজাম মিয়া বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় মামলা করেন। 

কুলাউড়া থানার দুইজন এসআই মামলা তদন্ত করে উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে না পেরে ১৭/১/১৩ চূড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেন। বাদী না-রাজির প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে কুলাউড়া থানা পুন:রায় তদন্ত করে এবং চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়। বাদি আবার না-রাজি দিলে আবেদন মঞ্জুর করে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দেয়। এরপর আদালতের নির্দেশে পবিআই মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম মামলার তদন্ত শুরু করেন। গত ১১ জুলাই সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার আলমপুর গ্রাম থেকে বাদীর আপন ভাই নিহত শিশু ইভার চাচা আবুল মিয়া ওরফে আব্দুল্লা (৩৩) কে গ্রেফতার করে মৌলভীবাজার কার্য়ালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে এবং পরবর্তিতে ১২ জুলাই আদালতে সোপর্দ করলে ফৌ:কা:বি:১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

প্রেস ব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো : আসলাম উদ্দিন জানান, আসামী আবু মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছে প্রতিপক্ষকে গায়েল করার জন্যই তার মা (শিশু ইভার দাদী) বিরু বেগম তার ভাতিজি ঘুমন্ত শিশু ইভাকে উঠানে রেখে তার (আবুল) হাতে বটি দা দিয়ে কোপ দিতে বলে। তখন উঠানে তার ভাই নিজাম ও রাশেদ ছিল। সে (আবুল) শিশু ইভার গলায় কোপ দিলে শিশু ইভা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তার মা বিরু বেগম পানি ঢেলে ঘটনাস্থলের রক্ত পরিস্কার করেন। পিবিআই এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম উদ্দিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন ইতিমধ্যে মামলার একজন অন্যতম স্বাক্ষী আব্দুল আজিজ ও ইভার দাদী বিরু বেগম মৃত্যু বরণ করেছেন। ইভার মা ও পিতা পলাতক রয়েছেন, তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71