বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
গণপূর্ত বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে সরকারী ৩টি দপ্তরের কার্যক্রম
প্রকাশ: ০২:২১ pm ১২-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ০৩:৫১ pm ১২-১১-২০১৬
 
 
 


আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে ৩টি সরকারী অফিসের কাজকর্ম।

এ ভবনটি নির্মাণের পর দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় সরকারী ৩টি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারন লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম উৎকন্ঠার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৫ সালে উপজেলা আদালত ভবন ও হাজতখানা হিসেবে বরিশাল গণপূর্ত অধিদপ্তর এ ভবনটি নির্মাণ করেন।

এরপর উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত হলে ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পরে।ফলে ভবনের বিভিন্নস্থানে প্লাস্টার খসে বড় বড় ফাঁটল ধরায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ হয়ে পরেছে ভবনটি।

উপজেলা সদরে কোন কার্যালয় ও কার্যক্রমের সুবিধা না থাকায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, সেটেলমেন্ট অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনসহ ৩টি অফিসের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলছে ভাড়ার বিনিময়ে।

গণপূর্ত বিভাগ ভাড়া আদায় করলেও দীর্ঘদিনে তা সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি।সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো বছরের পর বছর আবেদন করলেও গণপূর্ত বিভাগ কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

সেটেলমেন্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ১ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ৩টি কক্ষ মাসিক ৫০ টাকা ভাড়া হিসেবে বরাদ্দ দেয় গণপূর্ত বিভাগ।

ওই সময় থেকে এপর্যন্ত ভাড়া পরিশোধের মাধ্যমে প্রতি মূহুর্তে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও জনগণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। ভবন সংস্কারের জন্য ২০০৮ সালের ৩ মার্চ, ২০০৯ সালের ২০ মে, ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ৩ দফায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক পৃথক লিখিতভাবে আবেদন করেন সেটেলমেন্ট অফিস।

ওই ভবনটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে চারদিকের দরজা-জানালা ভাঙা, ছাদের প্লাস্টার উঠে গিয়ে রড বের হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পরে সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

বর্তমান ভাঙা দরজা-জানালা ও ছাদে কোন রকমে পলিথিন কাগজ দিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব অফিসে কাজের জন্য প্রতিদিন আসা লোকজন চরম আতঙ্ক ও ঝুঁকির মধ্য দিয়ে তারা কাজ করছেন।

ভবন নির্মাণের ৩০ বছর পেড়িয়ে গেলেও এর সংস্কার না করায় এটি এখন পরিত্যক্ত ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপরেও জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে ওই স্থানে তাদের অফিস করতে হচ্ছে।

অফিসে আসা লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা অফিসে ঢুকলেও কাজকর্মের ফাঁকে সব সময় তারা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন কখন তাদের গায়ে প্লাস্টার খসে পরে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, গণপূর্ত বিভাগের বরিশাল জেলা অফিসের সাথে আলোচনা করে সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এইবেলাডটকম/অপূর্ব/এফএআর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71