রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
রবিবার, ১২ই ফাল্গুন ১৪২৫
সর্বশেষ
 
 
নড়িয়ায় নিখোঁজের একদিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার পরিবারের দাবী হত্যা
প্রকাশ: ০৫:০৫ am ০৪-০৫-২০১৭ হালনাগাদ: ০৫:০৫ am ০৪-০৫-২০১৭
 
 
 


শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর এলাকার কীর্তিনাশা নদী থেকে রনি (১৯) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে ভোজেশ্বর বন্দর এলাকার ফাঁড়ির পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। রনি ঐ বাজারে শাহ থাই এন্ড স্টীল কিং এ মিস্ত্রীর কাজ করত। স্বজনদের দাবী রনিকে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আনাখন্ড গ্রামের ইলিয়াছ বেপারীর ছেলে রনি ভোজেশ্বর বাজারের শাহ থাই এন্ড স্টীল কিং নামের দোকানে মিস্ত্রীর কাজ করত। প্রতিদিনের ন্যায় গত মঙ্গলবার সকালে রনি বাড়ি থেকে দোকানে যায়। দুপুরে বাড়ি না যাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে দোকানে খুজতে আসে। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পায়নি তার পরিবার। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে রনির বাবা ইলিয়াছ বেপারী নড়িয়া থানায় বিষয়টি জানায়।আজ বুধবার দুপুরে কীর্তিনাশা নদীর ভোজেশ্বর বন্দরের গৌড়াইল এলাকায় রনির লাশ নদীর পাড়ে ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন ফাঁড়ি পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে। 

রনির চাচা আতিকুর রহমানের দাবী দোকান মালিকের সাথে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রনিকে হত্যা করা হতে পারে বলে আমরা ধারনা করছি। প্রশাসনের কাছে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবী করছি।

দোকান মালিক সবুজ সাহা বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুরে কাজ শেষে রনি বাড়িতে খেতে যায়। তার পরে রনির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সন্ধ্যায় রনির স্বজনদের কাছে শুনতে পাই তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন আমিও তাদের সাথে রনিকে খোঁজখুজি করি। রনির মৃত্যুর বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মোঃ আবদুল হান্নান বলেন, নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে। এ ঘটনায় নড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামী করে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

 

এইবেলাডটকম/সৈকত/রাজু

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71