বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
বুধবার, ১১ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
সৈয়দপুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কলা চাষ 
প্রকাশ: ০৩:২৬ am ২১-০৩-২০১৭ হালনাগাদ: ০৩:২৬ am ২১-০৩-২০১৭
 
 
 


নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারন কৃষকরা কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

এর ফলে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতাও এসেছে তাদের। অর্থকরী ফসল হিসাবে ধান, পাট, আলু- মরিচের পাশাপাশি এই কলা চাষ এখানে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

উপজেলার মাটি দোআঁশ ও বেলে দোঁআশ হওয়ায় কৃষকরা চাষাবাদের ক্ষেত্রে ধান আবাদকেই প্রাধান্য দিয়ে আসছে। কৃষকরা এখন পুরাতন ধ্যান ধারনা পাল্টে লাভজনক ফসল হিসাবে কলা চাষের উপর ঝুঁকে পড়ছে।

এই উপজেলায় অমৃত সাগর, সবরী অনুপম, চাম্পা, কবরী নেপালী, মোহন ভোগ মানিক সহ বিভিন্ন জাতের কলা চাষ হয়ে থাকে। তবে সবরী, মানিক মেহের সাগর ও চাম্পা ও নেপালী সাগর কলার চাহিদা অনেক বেশি। কারণ হিসাবে জানা গেছে ধান, পাট ও আঁখ সহ প্রচলিত অন্যান্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে শ্রম ব্যয় খুবই কম। বিক্রির  ক্ষেত্রেও ঝামেলা নেই। 

কলার বাজার দরেও সহজে ধ্বস নামে না। কলার চারা বছরে তিন মওসুমে রোপন করা যায়। কলার চারা রোপণ করার ৯-১১ মাসের মাথায় কলার গাছে কলা ধরে এবং পাকে।

প্রতিবিঘা জমিতে সাড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ কলার চারা রোপণ করা যায়। প্রথম মওসুম মধ্য জানুয়ারী থেকে মধ্য মার্চ, দ্বিতীয় মওসুম মধ্য মার্চ থেকে মধ্য মে এবং তৃতীয় মওসুম মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য নভেম্বর।

একবার কলার চারা রোপন করলে ২/৩ মওসুম চলে যায়। কলা চাষীরা জানান, এক একর জমিতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার খরচ করলে তাদের আবাদী কলা বিক্রি হয়ে থাকে এক থেকে সোয়া লাখ টাকায়।

বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কাঙ্গালপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল হামিদ জানায়, আমি ২ একর জমিতে কলা চাষ করেছি আশাকরি ভালো দাম পাবো। বেশ কয়েকজন কৃষক জানায়, তাদের উৎপাদিত কলা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করা হচ্ছে।

ফলে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন হতদরিদ্র কৃষকরা। কলা একটি লাভজনক ফসল। জমিতে কলা চাষ করলে ওই জমিতে কলাসহ অন্যান্য সাথী ফসলও চাষাবাদ করা যায়।

বর্তমানে উপজেলার কামারপুকুর, বাঙ্গালীপুর, বোতলাগাড়ী, হাজারীহাট ও শ্বাসকান্দরসহ বিভিন্ন গ্রামে কলার চাষ হচ্ছে। কলা চাষ করে এই উপজেলার অনেক কৃষক আজ স্বাবলম্বী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোমায়রা মন্ডল হিমু জানান, উপজেলার সর্বত্র দিন দিন কলার আবাদ বাড়ছে। বিশেষ করে উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নে ব্যাপকভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে।

কলাচাষে চাষিরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন এবং পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করতে পারছেন। এছাড়া কলা এখানকার সব জমিতে চাষ করা যায় বলে জানান তিনি।

 

এইবেলাডটকম/মোমেন/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71