বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
সৈয়দপুরে আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক
প্রকাশ: ০৬:২৮ pm ০২-১২-২০১৬ হালনাগাদ: ০৬:২৮ pm ০২-১২-২০১৬
 
 
 


নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী সৈয়দপুরে আলুসহ বিভিন্ন রবি শস্য চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে  এলাকার কৃষকরা। এ অঞ্চলে বিশেষ করে আগাম জাতের আলু একটি লাভজনকফসল।

তাই কৃষকরা অন্যান্য বছরের মতো এবারও আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে গত বছরের তুলনায় এবার আলু চাষ করে কৃষকদের লাভবান হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

গত বছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হয়েছিল। এবার গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হবে বলে মনে করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ।

সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কাঙ্গালপাড়া গ্রামের কৃষক তৌহিদুল ইসলাম জানান, এবার ৫ বিঘা জমিতে তিনি আলু চাষ করেছেন। বীজের কোনও প্রকার রোগ বালাই পচা ও ছত্রাক ধরার সম্ভবনা নেই।

আলু লাগানোর জমিতে প্রতিদিন ৫-৬ জন করে শ্রমিক আলুর জমি তৈরির কাজ করছে। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে গত বছরের তুলনায় এবার বেশি লাভের আশা করছি। উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের দলুয়া গ্রামের কৃষক এহসান জানান, এ আশা করছি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অতিবৃস্টি না হলে আলুতে খরচের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ হবে।

এবারে ১৫ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। অপরদিকে খাতা মধুপুর ইউনিয়নের কৃষক আলমগীর বলেন, হিমাগারে বীজের জন্য ২০ বস্তা আলু রেখেছিলাম। বীজে কোনও ধরনের পচন সমস্যা দেখা দেয়নি।

বাড়ির পাশাপাশি হিমাগার না থাকায় আমাদের প্রতি বছর অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। আলু চাষের জন্য আমাদের এলাকার মাটি খুবই উপযুক্ত। উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষনপুর গ্রামের কৃষক গামা বলেন, কার্ডিনাল জাতের আলু ৬০-৬৫ দিনে হয়।

এবার আমি সাত বিঘা জমিতেলাগিয়েছি। আশা করছি গতবারের তুলনায় এবার বাজারে দাম ভালো পাবো। খরচ বাদ দিয়ে মোটামুটি লাভের মুখ দেখা যাবে।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোমায়রা মন্ডল জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রত্যেকটি কৃষক আলু চাষ করে বেশি মুনাফা লাভ করতে পারবে।

কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্চার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এবারে আলু চাষের জমিগুলো উর্বরতা বেশি থাকায় কৃষকরা ইরি-বোরো চাষেও এর সুফল পাবে।

তিনি আরও বলেন, আগাম জাতের আলুর মধ্যে সাগিতা, পেট্রোনিজ, কার্ডিনাল ও সাইটা জাতের আলুর বীজ লাগিয়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়। এতে সময়ও কম লাগে, বেশি ফলনও পাওয়া যায়,এবং বিরুপ আবহাওয়ার মধ্যে টিকে থাকতে পারে। রোগবালাই কম হয়।

 

এইবেলাডটকম/মোমেন/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71