eibela24.com
শুক্রবার, ২১, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
গুমনামি বাবাই নেতাজি : রাজ্যপালকে রিপোর্ট 
আপডেট: ০৯:৩৪ pm ২৩-০৯-২০১৭
 
 


বাস্তবে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে তিনি দেশে ফিরেন। আর গুমনামি বাবার বেশে তিনি বাকি জীবন কাটিয়েছিলেন। ফৈজাবাদের সাধক গুমনামি বাবাই নেতাজি ছিলেন কিনা তা জানতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিষ্ণু সহায়ের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করে উত্তরপ্রদেশ সরকার।

মঙ্গলবার সহায় কমিশন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল রাম নায়েককে রিপোর্টে জানিয়েছেন, যাঁরা গুমনামি বাবাকে দেখেছেন তাঁদের অধিকাংশই মনে করেন তিনিই নেতাজি। 

১৯৮৫ সালে মৃত্যু হয় সাধক গুমনামি বাবার। তাঁর সঙ্গে অদ্ভুত মিল রয়েছে সুভাষ চন্দ্রের মুখের। গুমনামি বাবার জীবিতাবস্থাতেই দাবি করা হয় তিনি নেতাজি। এই ‘‌গুজবের’‌ সতত্যা যাচাই করতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়। তার প্রেক্ষিতে গত বছর জুন মাসে সহায় কমিশন গঠন করে উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টি সরকার। ২০১৩ সালে মুজফ্‌ফরনগর দাঙ্গার তদন্ত কমিটিও তৈরি হয়েছিল বিচারপতি বিষ্ণু সহায়ের নেতৃত্বে।

৩৪৭ পাতার রিপোর্টে কমিশন বলেছে, অধিকাংশ সাক্ষীই জানিয়েছেন গুমনামি বাবাই নেতাজি ছিলেন। কয়েকজন অবশ্য বলেছেন তিনি নেতাজি ছিলেন না। পরে এক সাক্ষাতকারে সহায় জানিয়েছেন, ১৯৮৫ সালে গুমনামি বাবা মারা যান। আর সাক্ষ্য নেওয়া হয়, ২০৬ বা ২০১৭ সালে। তিন বছরের ব্যবধানে সাক্ষীদের স্মৃতি কিছুটা ফিকে হওয়া স্বাভাবিক। হতে পারে তাঁরা কিছু ধারণা গড়ে তুলেছেন। সে কথাই তাঁরা বলেছেন।
সূএ : আজকাল ।
নি এম/