eibela24.com
রবিবার, ২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
টেকনাফে আমনের বাম্পার ফলন 
আপডেট: ১১:২৭ am ০৭-১১-২০১৭
 
 


কক্সবাজারের টেকনাফে চলতি মৌসুমে ১০হাজার ৯শ ৫০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদকৃত আমন মৌসুমের সোনালী ফসল কাটা শুরু হয়েছে। ২৮হাজার ৩শ ২মেট্রিকটন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশায় কৃষকদের মুখে হাসি দেখা যায়। 

জানা যায়, চলতি বছর উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে ৬হাজার ৩শ ৪৫ হেক্টর, হ্নীলায় ১হাজার ২শ ৬৫ হেক্টর, টেকনাফ সদরে ১হাজার ১শ ৯০ হেক্টর, সাবরাংয়ে ৮শ ৭০ হেক্টর, বাহার ছড়ায় ১হাজার ৯০ হেক্টর, সেন্টমার্টিনে ৯০ হেক্টর জমিতে আমনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ধানের চাষাবাদ করা হয়। এছাড়াও ব্রিধান-৩৩, ৩২, ৪০, ৪১ ও ৪৯, বিনা-৭, স্থানীয় জাত লেম্বু বিন্নি, লাল পাইজাম ও কালা পাইজামের চাষ করা হয়। তবে ব্রি-৩৩ ও হাইব্রীড জাতের ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ ছিল বেশী। 

কৃষকরা বলছে, চলতি বছর ব্রিধান- ৩৩ ও ৪৯ প্রজাতির ধানের সর্বোচ্চ বেশী ফলন হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা কৃষি অফিসের সুষ্ঠু তদারকি, পর্যাপ্ত সার প্রাপ্তির কারণে এইবারে বাম্পার ফলন হয়েছে। 

হোয়াইক্যং কৃষক হারুন অর রশিদ সিকদার বলেন, চলতি বছর প্রায় ৬ একর জমিতে তিনি ধানের চাষাবাদ করেছেন। ভারত পায়জামের ভাল ফলন হয়েছে তবে পাশ্ববর্তী কৃষকদের বি-১১ ধানের চাষ পোকার আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 

হ্নীলা ইউনিয়নের কৃষক খলিল আহমদ ২৭ ও মোজাফর আহমদ ৩৬ কানি জমিতে চাষাবাদ করেছেন। খলিল আহমদের চাষের ৫ থেকে ৬কানি জোয়ারভাটা এবং বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে অবশিষ্ট চাষে ভাল ফলন হয়েছে। এই বছর খোরাকের জন্য ভারত পায়জাম ধানের চাষ করে খুব ভাল ফলন পেয়েছে তারা। 

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, এই দ্বীপে যেই ধান চাষ হয়েছে তাতেই ভাল ফলন হয়েছে। 

টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র কৃষি অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, মাঠ পর্যায়ে তদারকি জোরদার, বীজ, সার সহজলভ্যকরণ এবং পোকামাকড় ও রোগ সম্পর্কে কৃষকদের সচেতন করে তোলায় ভাল ফলন পাওয়া সম্ভব হয়েছে। 
 
সিডি/এসকে