eibela24.com
শনিবার, ১৭, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
প্রতারক লিটন কৃষ্ণ দাস হতে সাবধান
আপডেট: ১১:৩৬ am ১৯-১১-২০১৭
 
 


মানুষ কত ভয়ানক এবং নীতি বিবর্জিত হতে পারে তার কাজ না দেখে বলা যায় না। চেহারা দেখলে মনে হয় কিছুই জানে না। কিন্তু এই কুৎসিত চেহারার আড়ালে যে কত ভয়ানক একটি রুপ লুকিয়ে আছে। তা  এইবেলা ডটকমের অনুসন্ধানী কাজে বের হয়ে আসছে। আমাদের চারপাশে মুখোশধারী কত ভয়ঙ্কর মানুষ আছে। যা আমরা নিজেরাও জানি না। আসুন তেমনই একজন মুখোশধারীর মুখোশ আজ আমরা উম্মোচন করবো।

মুখোশধারী এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট জালিয়াতকারী, ভন্ড, প্রতারক, প্রবঞ্চক, জালিয়াত, লোভী, অর্থ-আত্মসাৎকারী, নারী নির্যাতনকারী, দুধর্ষ এই মানুষটি হলো লিটন কৃষ্ণ দাস। 

লিটন কৃষ্ণ দাসের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে, বর্তমানে সে পুরান ঢাকার লালবাগে থাকে। তার  পিতা: রনজিত কুমার দাস, মাতা: মমতা রানী দাস। লিটন কৃষ্ণ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ করে যাচ্ছে। লিটন কৃষ্ণ দাস তার এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষার দ্বিতীয় বিভাগ প্রাপ্ত সার্টিফিকেট জাল করে প্রথম বিভাগ বানিয়ে সবাইকে জালিয়াতির মাধ্যমে ধোকা দিচ্ছে। WEB BASED RESULT SHEET বের করে তার সত্যতা পাওয়া যায়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের অপূর্ব সাহা এর নামে একজনের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে এবং BBA সার্টিফিকেট জাল করে সবাইকে ধোকা দিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রভোষ্ট মহাশয়ের প্রত্যয়নপত্রে তার প্রমান পাওয়া যায়। তাছাড়া  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের IBA এর MBA  Program এর Admission Test এ  যে Result এবং Certificate এর উল্লেখ করেছে তার সবই জাল। সে তার  জাল সার্টিফিকেট গুলোর মাধ্যমে সবাইকে ধোকা দিয়ে তার স্বার্থ হাসিল করছে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের বর্তমান প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে লিটন কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে। সেখানে বলা হয়- লিটন কৃষ্ণ দাস নামের ব্যক্তিটি এর কোনো তথ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল অফিসের নথিতে নিবন্ধিত নেই। কাগজপত্রে উল্লেখিত ২০০২-২০০৩ শিক্ষাবর্ষের ফিন্যান্স বিভাগে এরুপ কোনো ছাত্রের তথ্য নেই। তাছাড়া নম্বরপত্রের উল্লিখিত রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ২৩৪৮ এবং রেজিস্ট্রেশনের সেশন : ২০০২-২০০৩ লিটন কৃষ্ণ দাসের নামের সাথে মিলে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের জগন্নাথ হলের ২০০২-২০০৩ শিক্ষাবর্ষের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অপূর্ব সাহার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩৪৮। যা লিটন কৃষ্ণ দাস জালিয়াতি করেছে।  

প্রভোষ্ট অসীম কুমার বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে দ্রুত লিটন কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।

 

এসএম